২৬ মার্চের অনুষ্ঠানে ‘মুক্তিযুদ্ধে শেখ মুজিবের কোনো অবদান নেই’ বক্তব্য, অতঃপর...

২৬ মার্চ ২০২৬, ০৮:১২ PM
শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে এক মন্তব্যকে কেন্দ্র করে মুক্তিযোদ্ধারা প্রতিবাদ

শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে এক মন্তব্যকে কেন্দ্র করে মুক্তিযোদ্ধারা প্রতিবাদ © টিডিসি ফটো

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬ উপলক্ষে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসন আয়োজিত মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে এক মন্তব্যকে কেন্দ্র করে মুক্তিযোদ্ধারা প্রতিবাদ করেন এবং অনুষ্ঠানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দুপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে। 

অনুষ্ঠানে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম পটুয়াখালী জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা আব্দুল হক কাওসারী বলেন, ‘১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শেখ মুজিবুর রহমানের কোনো অবদান নেই।’ তার এ বক্তব্যের পরপরই উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধারা দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ জানায়।

প্রথমে বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কাজী দিলীপ দাঁড়িয়ে ‘অবজেকশন’ জানিয়ে প্রতিবাদ করেন। পরে উপস্থিত অধিকাংশ মুক্তিযোদ্ধা একযোগে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ করেন। এতে অনুষ্ঠানস্থলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে বক্তব্য শেষ না করেই প্রশাসনের সহায়তায় আব্দুল হক কায়সারী মঞ্চ ত্যাগ করেন।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অন্যন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী, পুলিশ সুপার মো. আবু ইউসুফ, স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক (উপসচিব) জুয়েল রানা, জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টিসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা।

এ বিষয়ে কাজী দিলীপ বলেন, জেলা প্রশাসনের আমন্ত্রণে আমরা অনুষ্ঠানে অংশ নেই। বক্তব্য চলাকালে এমন মন্তব্য শুনে তিনি প্রথমে আপত্তি জানাই, পরে অন্য মুক্তিযোদ্ধারাও প্রতিবাদে যোগ দেন।

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতির জনক। তাকে বাদ দিয়ে স্বাধীনতা, ৬৯ এর গণ-অভ্যুত্থান বা মুক্তিযুদ্ধ কল্পনাও করা যায় না। আমরা মনে করি মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে দলমত নির্বিশেষে একটি নিরপেক্ষ রাষ্ট্রীয় বোর্ড গঠন করা প্রয়োজন। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহায়তা ও বঙ্গবন্ধুর ছাড়াও যুদ্ধের নেতৃত্ব দেওয়া অন্যান্য মহান নেতাদের অবদানও যথাযথভাবে মূল্যায়ন করে তা জনগণকে জানানো দরকার।

অপরদিকে, অভিযোগের বিষয়ে মাওলানা আব্দুল হক কাওসারী দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, আমি ২৫ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়কালকে উল্লেখ করে বক্তব্য দিয়েছেন। আমি মনে করি ওই সময়ে শেখ মুজিব পাকিস্তানে বন্দি ছিলেন এবং তখন যুদ্ধ পরিচালনায় ভূমিকা ছিল জিয়াউর রহমান ও কর্নেল ওসমানী।

তিনি আরও বলেন, বক্তব্যের সময় কয়েকজন উত্তেজিত হয়ে প্রতিবাদ জানান। পরে প্রশাসনের অনুরোধে তিনি বক্তব্য শেষ করে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন।

এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি জেলা প্রশাসনের কোনো দায়িত্বশীল কর্মকর্তা।

ডিসেম্বরে হাসিনাকে ফেরানোর বিষয়ে যা জানাল ভারত
  • ০৮ অক্টোবর ২০২৬
বৃহস্পতিবার ১০ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে রাজধানীর যেসব …
  • ০৮ অক্টোবর ২০২৬
যে ছয় কারণে নিম্ন মধ্যবিত্ত থেকে দরিদ্র হওয়ার ঝুঁকিতে ছয় কো…
  • ০৭ অক্টোবর ২০২৬
সাব রেজিস্ট্রারকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ
  • ০৭ অক্টোবর ২০২৬
এয়ারবাস থেকে ১০টি উড়োজাহাজ কিনছে বাংলাদেশ
  • ০৭ অক্টোবর ২০২৬
সিদ্ধেশরী কলেজে ২১ শিক্ষক নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি, আবেদন ১৫ অক্টোব…
  • ০৭ অক্টোবর ২০২৬