জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হয় © টিডিসি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের দুই দিনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ৬টি আসনে ৭২ প্রার্থীর মধ্যে ১৩ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। বাতিল করা সবাই স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন। তবে তাদের আপিল করার সুযোগ রয়েছে।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) ও শনিবার (৩ জানুয়ারি) নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জাহান তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন।
শনিবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বাছাইয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনের ৭ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। এর মধ্যে রয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী নাসিরউদ্দিন হাজারী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনে মুছা সিরাজী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে বিএনপির বহিস্কৃত সভাপতি স্বতন্ত্র প্রার্থী মেহেদী হাসান পলাশ, দেওয়ান নাজমুল, আবু কায়েস ও মর্তুজা আলী। মনোনয়নপত্রের সঙ্গে ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থনের স্বাক্ষরে ত্রুটি থাকায় তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
এর আগে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের প্রথম দিন শুক্রবার (২ জানুয়ারি) ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিনটি আসনে ৬ স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। তারা হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনের হাবিবুর রহমান ও নজরুল ইসলাম। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে আরিফুর রহমান, নূরে আলম সিদ্দিকী, উমর ইউসুফ খান ও মো. কাজী জাহাঙ্গীর। তাদের সবার স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থন যুক্ত স্বাক্ষরে ত্রুটি থাকায় মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। তালিকায় ভোটারের স্বাক্ষর থাকলেও দৈবচয়নে যাচাই করা হলে অনেক ভোটার তা অস্বীকার করেছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জাহান জানান, মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীরা সার্টিফায়েড কপি নিয়ে আগামী ৫ থেকে ১০ জানুয়ারির মধ্যে আপিল করতে পারবেন। প্রতীক বরাদ্দের পর প্রার্থীরা প্রচারণা চালাতে পারবেন।