জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হয় © টিডিসি
কিশোরগঞ্জ-৪, ৫ ও ৬ আসনে যাচাই-বাছাই শেষে মোট ১০ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। আর ১৯ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার (৩ জানুয়ারি) জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে ওই তিনটি আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা এ তথ্য জানান।
এ সময় পুলিশ সুপার, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা, দুদক কর্মকর্তা, বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা, প্রস্তাবকারী, প্রার্থী ও তাদের সমর্থকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহীন রেজা চৌধুরী হলফনামায় স্বাক্ষর না করায়, স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুর রহিম মোল্লার ১ শতাংশ সর্মথকের ভোটের তথ্য সঠিক না থাকায়, স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী রেহা কবিরের ১ শতাংশ সর্মথকের ভোটের তথ্য সঠিক না থাকায় ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী খাইরুল ইসলাম ঠাকুরের হলফনামা সঠিক ফরম্যাটে দাখিল না করার কারণে মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী ও বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ফজলুর রহমান এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী কেন্দ্রীয় ছাত্র শিবিরের সাবেক নেতা মো. রুকন রেজা শেখসহ ৫ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়।
কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিএনপির বিদ্রোহী) শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল তার মেরিন আদালতে মামলা-সংক্রান্ত তথ্য গোপন ও রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন (যা নিবন্ধিত নয়) এ এইচ এম কাইয়ুমের (হাসনাত কাইয়ুম) ১ শতাংশ সর্মথকের ভোটের তথ্য সঠিক না থাকায় বাতিল ঘোষণা করা হয়। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী সৈয়দ এহসানুল হুদা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. রমজান আলীসহ ৬ জনের মনোনয়ন পত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। উল্লেখ্য যে বিএনপির প্রার্থী সৈয়দ এহসানুল হুদা তার বাবার গড়া জাতীয় দল বিলুপ্ত করে সম্প্রতি বিএনপিতে যোগদান করেন।
কিশোরগঞ্জ-৬ আসনে ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) প্রার্থী নজরুল ইসলাম সম্পদ ও দায়ের তথ্য পূরণ না করায়, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির ডা. মোহাম্মদ হাবিল মিয়ার সম্ভাব্য অর্থ প্রাপ্তি, সম্পদ ও দায়ের তথ্য অসম্পূর্ণ থাকায়, জাতীয় পার্টি মোহাম্মদ আয়ুব হোসেন সম্পদ ও দায় এবং বার্ষিক আয়ের বিবরণীতে তথ্য না দেওয়ায়, স্বতন্ত্র প্রার্থী শরীফুল হক জয়ের ১ শতাংশ সর্মথকের ভোটের তথ্য সঠিক না থাকায় বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। এ আসনে জেলা বিএনপির সভাপতি ও বিএনপির প্রার্থী মো. শরীফুল আলম ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মোহাম্মদ মূছা খানসহ ৮ জনের মনোনয়ন পত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা বলেন, জেলার ছয়টি আসনের মধ্যে আজ সকাল ১০টা থেকে ১টা পর্যন্ত কিশোরগঞ্জ-৪,৫ ও ৬ আসনের মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাছাই করা হয়েছে।