বরগুনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হয় © টিডিসি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বরগুনার দুটি সংসদীয় আসনে দাখিল করা ১৮টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে ৫টি বাতিল ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। শনিবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে বরগুনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা তাছলিমা আক্তার এসব মনোনয়নপত্র বাতিল করেন।
মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন বরগুনা-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মশিউর রহমান ও বরগুনা-২ আসনের আমজনতার দল মনোনীত প্রার্থী মো. আলাউদ্দিন আকাশ, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) মনোনীত প্রার্থী মো. সোলায়মান, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শামীম ও মো. রাশেদ উজ জামান।
রিটার্নিং অফিস সূত্র জানায়, বরগুনা-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মশিউর রহমান ঋণের তথ্য গোপন করায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
অন্যদিকে বরগুনা-২ আসনের আমজনতার দল মনোনীত প্রার্থী মো. আলাউদ্দিন আকাশ একাধিক মামলায় অভিযুক্ত ও দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার তথ্য গোপন করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি ২০০৬ সালে বেতাগী থানায় অস্ত্র আইনে দায়ের করা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত। এসব কারণে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
ন্যাশনাল পিপলস পার্টির প্রার্থী মো. সোলায়মান ঋণ খেলাপি হওয়ায় মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শামীম ভোটার তালিকাভুক্ত না হওয়া, প্রয়োজনীয় ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর সংযুক্ত না করা এবং মনোনয়নপত্রে স্বাক্ষর না থাকায় অযোগ্য বিবেচিত হন। এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. রাশেদ উজ জামান যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ ও পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রদান না করায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
যাচাই-বাছাই শেষে বরগুনা-১ আসনে ৫ জন এবং বরগুনা-২ আসনে ৮ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। বরগুনা-১ আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন বিএনপি মনোনীত মো. নজরুল ইসলাম মোল্লা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. অলি উল্লাহ, খেলাফত মজলিসের মো. জাহাঙ্গীর হোসাইন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. মুহিব্বুল্যাহ এবং জাতীয় পার্টি (জেপি) মনোনীত মো. জামাল হোসাইন।
বরগুনা-২ আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন বিএনপি মনোনীত ও কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান মো. নুরুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলনের মো. মিজানুর রহমান, জামায়াতে ইসলামীর ডা. সুলতান আহমদ, খেলাফত মজলিসের মো. রফিকুল ইসলাম, জাতীয় পার্টির আব্দুল লতিফ ফরাজী, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. সাব্বির আহমেদ, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সৈয়দ মো. নাজেস আফরোজ এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির মো. কামরুজ্জামান লিটন।