জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা গোলাম মো. বাতেনের সভাপতিত্বে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয় © টিডিসি
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট জেলার চারটি সংসদীয় আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে পাঁচ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। ঋণখেলাপি ও তথ্যগত গরমিলের কারণে এসব মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা গোলাম মো. বাতেনের সভাপতিত্বে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এ যাচাই-বাছাই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় জেলা পুলিশ সুপার হাসান চৌধুরী, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আবু আনসারসহ সংশ্লিষ্ট প্রার্থী ও তাদের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বাগেরহাট জেলার চারটি সংসদীয় আসনে মোট ৩২ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। যাচাই-বাছাই শেষে পাঁচজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়।
বাগেরহাট-১ আসন: ফকিরহাট, মোল্লাহাট ও চিতলমারী উপজেলা নিয়ে গঠিত বাগেরহাট-১ আসনে মোট ১১ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে তিনজনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। তারা হলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এম মুশফিকুর (ভোটের শতকরা হিসাবের গরমিল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী (ঋণ খেলাপি) ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী গোলাম সরোয়ার (ঋণ খেলাপি)।
বাগেরহাট-২ আসন: বাগেরহাট সদর ও কচুয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনে মোট আটজন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে লেবার ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রার্থী মো. হাসান ইমাম লিটুর মনোনয়ন ঋণ খেলাপির দায়ে বাতিল করা হয়।
বাগেরহাট-৩ আসন : রামপাল ও মোংলা উপজেলা নিয়ে গঠিত বাগেরহাট-৩ আসনে মনোনয়ন দাখিলকারী সাতজন প্রার্থীর সবাইকে বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
বাগেরহাট-৪ আসন: মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী খাইরুজ্জামান শিপনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা গোলাম মো. বাতেন জানান, নির্বাচন কমিশনের আইন ও বিধিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। ঋণ খেলাপি হওয়া এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ভোটসংক্রান্ত তথ্যের গরমিল থাকায় পাঁচজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, বাতিল হওয়া প্রার্থীরা ৫ জানুয়ারি থেকে নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন।