© সংগৃহীত
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে কোনও ব্যক্তি বা মহল দ্বারা অর্থের বিনিময়ে শিক্ষক হওয়ার সুযোগ হারাচ্ছে প্রার্থীরা। এতে করে টাকার বিনিময়ে অবৈধ পন্থায় প্রাথমিকে শিক্ষক হওয়ার নূন্যতম সুযোগ থাকছে না। সম্প্রতি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সচিব মহোদয়ের স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দেশের বিভিন্ন জেলায় অবস্থিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে। বিভিন্ন সূত্রে অভিযোগ পাওয়া গেছে যে কোন কোন মহল/ব্যক্তি নানাভাবে প্রতারণার মাধ্যমে সহকারী শিক্ষক পদে আবেদনকারীগণকে প্রতারণামূলক তথ্য দিয়ে অবৈধ পন্থায় চাকরি দেওয়ার প্রস্তাব/আশ্বাস দিয়ে আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করছে।
এ প্রসঙ্গে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ, আবেদন যাচাই শেষে প্রার্থীদের নিকট অনলাইনে প্রবেশপত্র প্রেরণ, পরীক্ষা কেন্দ্রের সিট বিন্যাস, একাধিক সেট প্রশ্নপত্রের মাধ্যমে পরীক্ষা গ্রহণ ও উত্তরপত্র মূল্যায়ন শেষে স্বল্পতম সময়ের মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ সহ বিভিন্ন সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ পূর্বক অত্যন্ত স্বচ্ছতার সাথে শিক্ষক নিয়োগ সম্পন্ন করা হয়ে থাকে।
এ পরিপ্রেক্ষিতে সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, প্রতারণার মাধ্যমে বা অনৈতিক ভাবে অর্থের বিনিময়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চাকুরী পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। সংশ্লিষ্ট সকলকে এ ধরনের প্রতারণা বা প্রলোভন এর সাথে না জড়ানোর জন্য পরামর্শ দেওয়া হল।
এছাড়াও ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যদি কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে এসব প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া যায় তাহলে সঙ্গে সঙ্গে নিকটস্থ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারি সঙ্গে যোগাযোগ করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলা হয়েছে।