© টিডিসি ফটো
এমপিওভুক্তির দাবিতে রোদ, ধুলাবালি, মশার কামড় উপেক্ষা করে খোলা আকাশের নিচে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতের প্রহর গুণছেন নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীরা। বুধবার থেকে টানা চতুর্থ দিনের মতো জাতীয় প্রেস ক্লাব ও হাইকোর্টের মাঝামাঝি কদম ফোয়ারার সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে শিক্ষক্ষরা।
শুক্রবার একযোগে এমপিও’র দাবিতে নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশনের উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতের জন্য কদম ফোয়ারা থেকে প্রেসক্লাবের গেট পর্যন্ত রোদ, ধুলোবালি, মশার কামড় উপেক্ষা করে খোলা আকাশের নিচে ৩০তম বার দিবারাত্রি অবস্থান কর্মসূচী পালন করছেন। সারাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে শিক্ষক-কর্মচারী এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করছেন।
শুক্রবার রাজধানীর অফিসার্স ক্লাবে শিক্ষা সচিব সোহরাব হোসেনের আমন্ত্রণে শিক্ষকদের একটি প্রতিনিধিদল তাঁর সাথে সাক্ষাত করেন। সাক্ষাতকালে শিক্ষক নেতৃবৃন্দ তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাতের ব্যবস্থা গ্রহণ করার অনুরোধ করলে তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন বলে জানান।
এছাড়া টানা ৪র্থ দিনে অবস্থানের ফলে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। আন্দোলনের ২য় দিনে বরগুনা জেলার তালতলি উপজেলার শিক্ষক শৈলেন চন্দ্র মজুমদার (৫০) স্ট্রোক করে জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালে সিসিইউতে চিকিৎসাধীন আছেন।
কর্মসূচিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, শিক্ষকদের বাঁচা-মরার এই যৌক্তিক ও মানবিক আবেদন পূরণের জন্য প্রধানমন্ত্রীই আমাদের একমাত্র অবলম্বন। তাই প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতের জন্য শিক্ষক কর্মচারীরা চলমান কর্মসূচী গ্রহণ করতে বাধ্য হয়েছেন। আমরা নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীরা মনে প্রাণে বিশ্বাস করি, প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাত করে আমাদের বঞ্চনা-দুর্ভোগের বাস্তব চিত্র তুলে ধরতে পারলে, তিনি দীর্ঘদিনের ঝুলে থাকা নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো একযোগে এমপিওভুক্ত করে আমাদেরকে এই অনিশ্চয়তা থেকে অবশ্যই মুক্ত করবেন।
শনিবার অবস্থান কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন, বাসদের কেন্দ্রীয় নেতা রাজেকুজ্জামান রতন, শিক্ষা বার্তার সম্পাদক এ.এন রাশেদা।