নিয়োগ পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েও চাকরি মেলেনি মঈনের

২২ জুন ২০২৪, ০১:৫৫ PM , আপডেট: ৩১ জুলাই ২০২৫, ১১:০০ AM
মো. মঈন উদ্দিন

মো. মঈন উদ্দিন © সংগৃহীত

মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক পদে লিখিত-মৌখিক পরীক্ষায় প্রথম হয়েও নিয়োগ পায়নি মো. মঈন উদ্দিন নামে এক যুবক। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে জেঠাগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ে এমন ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অনৈতিক সুবিধা নিয়ে দ্বিতীয় হওয়া ব্যক্তিকে নিয়োগ দিয়েছেন। চাকরি পেতে একাই প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে মানববন্ধন করেছেন প্রথম হওয়া এই যুবক।

শনিবার (২২ জুন) সকাল ১১টায় নাসিরনগর উপজেলার কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের সামনে তিনি এ মানববন্ধন করেন। ভুক্তভোগী ওই যুবক গত ২ জুন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ (ইউএনও) বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। 

তাঁর অভিযোগ, অনৈতিক সুবিধা নিয়ে জেঠাগ্রাম উচ্চবিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দ্বিতীয় হওয়া ব্যক্তিকে নিয়োগ দিয়েছেন।

জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি ও নাসিরনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাবেক মোনাব্বর হোসেন বলেন, শতভাগ স্বচ্ছতার সহিত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। উত্তরপত্র জমা দেওয়ার পরও কীভাবে তিনি খাতা দেখে পুনরায় মূল্যায়ন করেন এবং দ্বিতীয় স্থান অধিকারীকে নিয়োগ দিলেন সেটা বোধগম্য নয়। এটা সম্পূর্ণ আইন বিরোধী কাজ।

মঈন উদ্দিন উপজেলার গুনিয়াউক ইউনিয়নের গুনিয়াউক গ্রামের রঙ্গু মিয়ার ছেলে। অনিয়মের মাধ্যমে দেয়া নিয়োগ বাতিল করে তাকে নিয়োগ দেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন করেন তিনি।

মঈন উদ্দিন মানববন্ধনে অভিযোগ করে বলেন, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় সর্বোচ্চ ২৩ নম্বর পেয়েও চাকরি হয়নি। অথচ ২২ নম্বর পেয়ে দ্বিতীয় হওয়া প্রার্থী রুমা আক্তারকে নিয়োগ দিয়েছেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি ও প্রধান শিক্ষক।

তিনি বলেন, জেঠাগ্রাম উচ্চবিদ্যালয়ে অফিস সহায়ক পদে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে প্রথম হয়েছি। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে নিয়োগ বোর্ডের সিদ্ধান্ত মোতাবেক আমাকে নিয়োগপত্র প্রদান করা হবে বলে জানানো হয়। কিন্তু গত ৩০ মে বিদ্যালয়ে গিয়ে জানতে পারি, যিনি দ্বিতীয় হয়েছেন তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পরে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি সব জানেন বলে জানান প্রধান শিক্ষক। এরপর প্রধান শিক্ষক আমাকে বের করে দেয়। 

জেঠাগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ পরীক্ষায় ১২ জন আবেদন করেন। এর মধ্যে চূড়ান্ত পরীক্ষায় নয়জন অংশ নেন। গত ১ মে বিদ্যালয়ে অফিস সহায়ক পদে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।   ওই নিয়োগের লিখিত এবং মৌখিক পরীক্ষার ফলাফল অনুযায়ী মো. মঈন উদ্দিন ৩০ নম্বরের মধ্যে ২৩ নম্বর পেয়ে প্রথম হন। পরীক্ষার এ ফলাফল নিয়োগ বোর্ডের সকল সদস্যদের উপস্থিতিতে স্বাক্ষর করে চাকরি প্রত্যাশীদের জানিয়ে দেওয়া হয়।

বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্বাস উদ্দিন বলেন, যিনি লিখিত পরীক্ষায় প্রথম হয়েছেন, আমি তার খাতা দেখেছি। প্রকৃতপক্ষে সে প্রথম হওয়ার যোগ্য না। তাই দ্বিতীয় হওয়া প্রার্থী অধিক যোগ্য মনে হওয়ায় নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নিয়োগ পরীক্ষা শেষে খাতা দেখার নিয়ম আছে কি না জানতে চাইলে তিনি পরে কথা বলবেন বলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। এর পর তার সাথে কথা বলতে একাধিকবার ফোন করলেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

অভিযোগের বিষয়ে জেঠাগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আওলাদ মিয়া জানান, নিয়োগের বিষয়ে সবকিছু বিদ্যালয়ের সভাপতি জানেন। নিয়োগ বোর্ডের সবাই স্বাক্ষর করার পর কীভাবে সভাপতি খাতা দেখলো জানতে চাইলে তিনি কোন উত্তর দিতে পারেননি।

ভারতীয় ভিসা আবেদনে নতুন শর্ত, বাধ্যতামূলক যেসব তথ্য
  • ০৫ নভেম্বর ২০২৬
৫২তম বিসিএসও কি বিশেষ হচ্ছে?
  • ০৫ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি দেখুন এখানে
  • ০৫ নভেম্বর ২০২৬
শনিবার সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আলোচনা সভা-রচনা প্রতিযোগিতাসহ …
  • ০৫ নভেম্বর ২০২৬
এই মহিলা আমার স্ত্রী নন: গোলাম মাওলা রনি
  • ০৫ নভেম্বর ২০২৬
ভুটানের বিপক্ষে একাদশে ৩ পরিবর্তন, স্ট্রাইকারের ভূমিকায় ‘চম…
  • ০৫ নভেম্বর ২০২৬
×
NORTH SOUTH
UNIVERSITY Center of Excellence
UNDERGRADUATE
ADMISSION
SPRING 2027
APPLY NOW
APPLICATION DEADLINE
NOVEMBER 22, 2026
ADMISSION TEST
NOVEMBER 28, 2026
WORLD RANKINGS 2027#801-1000
WORLD RANKINGS 2027#901-950