সংস্কার দাবির আন্দোলনকারীদের বক্তব্য

কোটা বাতিলে উদ্ভূত সমস্যার দায় সরকারের

০৭ অক্টোবর ২০১৮, ১২:০৫ PM

প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলের ফলে যে সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে, তার দায়ভার সরকারকেই নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন কোটা সংস্কারের দাবিতে গড়ে উঠা শিক্ষার্থীদের প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতারা। রবিবার বেলা ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তারা। 

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন। এ সময় পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক নুর, ফারুক হোসেন, আতাউল্লাহ, জসিম উদ্দিন আকাশ, মশিউর রহমানসহ কেন্দ্রীয় কমিটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত বক্তব্যে হাসান আল মামুন বলেন, বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ গত ১৭ই ফেব্রুয়ারি থেকে সকল সরকারি চাকরিতে ৫ দফার আলোকে কোটা পদ্ধতির সংস্কারের জন্য শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করে আসছিল। আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার কোটা সংস্কার না করে কোটা বাতিল করে পরিপত্র জারি করেছে।

তিনি বলেন, আমরা সকল সাধারণ ছাত্রসমাজের প্রতিনিধিত্ব করি, তাই আমরা সবসময় ৫ দফার আলোকে কোটা পদ্ধতির সংস্কার চেয়েছি। আমরা কখনোই কোটার বাতিল চাইনি। তাই এ বাতিলের কারণে উদ্ভূত সমস্যার দায়ভার সরকারকেই নিতে হবে। এছাড়া সরকারি চাকরিতে কোন বিশেষ নিয়োগ দেয়া যাবে না। বিশেষ নিয়োগ ছাত্রসমাজ মেনে নিবে না। সেই সাথে ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণিতেও কোটার যৌক্তিক সংস্কার করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, ছাত্রসমাজের নামে মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও হয়রানিমূলক যেসকল মামলা দায়ের করা হয়েছে, তা দ্রুত প্রত্যাহার করতে হবে এবং আন্দোলনকারীদের উপর হামলাকারীদের বিচার ও শাস্তির আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে নিয়োগের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রিলিমিনারী, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার নম্বরসহ ফলাফল প্রকাশের জোর দাবি জানাচ্ছি।

সংবাদ সম্মেলন থেকে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা কোটা বাতিল নিয়ে সরকারকে আরো ভাবতে বলেন। তবে কোটা পদ্ধতির সংস্কার করতে হলে অবশ্যই ৫ দফার আলোকে করতে হবে বলে জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক নুর বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় বর্বর হামলা-মামলা সহ্য করে আমরা কোটার যোক্তিক সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন করেছিলাম। কিন্তু সরকার এর আংশিক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। আমাদের দাবি অনুযায়ী ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীসহ সকল ধরণের সরকারি চাকরিতে যোক্তিকভাবে কোটার সংস্কার করা হোক। এছাড়াও মুক্তিযোদ্ধা, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, নারী, প্রতিবন্ধীদের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক কোটা রাখা যেতে পারে। আমরা সরকারকে আহ্বান জানাই যারা প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা ও অস্বচ্ছল অবস্থায় রয়েছে তাদেরকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হোক। তারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান, তাদেরকে আমরা সম্মান জানাই। তাদের সন্তানদেরকে শিক্ষার ব্যবস্থা করা হোক। সচিব কমিটি একটি কথা বলেছে, যদি প্রয়োজন হয় কোটা আবার ফিরিয়ে আনা হবে। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, যদি ফিরিয়ে আনতে হয় তাহলে পাঁচ দফার আলোকে আনতে হবে। নতুবা ছাত্র সমাজ তার জবাব দিবে। এখন যে পরিস্থিতির তৈরি হয়েছে তার দায়ভার সরকারকে নিতে হবে।,

ঢাকায় আসছেন আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি ফুটবলার ক্যানেজিয়া
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
ড. ইউনূসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে নোটিশ আইনজীবী আশরাফুলের
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
বিবাহবার্ষিকীর দিনে বাবার বাড়িতে যাওয়ার পথে ট্রাকচাপায় প্রা…
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
অন্য এক গাড়ির পেছনে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কা, চালক নিহত
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
যে ৪ শর্ত মানলে দিল্লি যাবেন প্রধানমন্ত্রী
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
এসএসসির ফলের পর আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের ৭০ শতাংশই ছাত্রী
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
nextjobzimage