বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সার্জিক্যাল কিট বক্স বিতরণ করা হয় © টিডিসি
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ভবিষ্যৎ ভেটেরিনারি চিকিৎসকদের ব্যবহারিক দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ভেটেরিনারি অনুষদের ৬১তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সার্জিক্যাল কিট বক্স বিতরণ করা হয়েছে। এ বছর কিট বক্সে নতুন পাঁচটি সরঞ্জাম সংযোজন করা হয়েছে।
সোমবার (১৫ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে সার্জারি ও অবস্টেট্রিক্স বিভাগ এবং স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসির এগ্রোভেট বিভাগের সহযোগিতায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে ৬১তম ব্যাচের সাতজন বিদেশি শিক্ষার্থীসহ মোট ১৭৭ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে সার্জিক্যাল কিট বক্স বিতরণ করা হয়।
সার্জারি ও অবস্টেট্রিক্স বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল আলমের সভাপতিত্বে এবং অধ্যাপক ড. রুখসানা আমিন রুনার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. জি এম মুজিবুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান।
এ ছাড়া ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হক, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম, অধ্যাপক ড. মাহমুদুল আলমসহ অনুষদের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। স্বাগত বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মাহমুদুল আলম শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান বলেন, একজন দক্ষ ভেটেরিনারি চিকিৎসক হতে হলে শুধু তাত্ত্বিক জ্ঞান নয়, মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতাও প্রয়োজন। বাস্তব অভিজ্ঞতা ছাড়া কখনোই একজন ভালো সার্জন হওয়া সম্ভব নয়। রোগী সামলানোর দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে নিজেদের আরও যোগ্য করে গড়ে তুলতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল আলম বলেন, এবারের কিট বক্সে বেশ কয়েকটি নতুন ও উন্নত সরঞ্জাম যুক্ত করা হয়েছে। বিদেশি শিক্ষার্থীদেরও প্রয়োজনীয় কিট প্রদান করা হয়েছে। তবে সার্জিক্যাল কিটের বর্তমান মূল্য অনেক বেড়ে গেছে। এ জন্য কিট ক্রয়ের বরাদ্দ বৃদ্ধির বিষয়ে প্রশাসনের সহযোগিতা প্রয়োজন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. জি এম মুজিবুর রহমান বলেন, ডিভিএম ডিগ্রি দেশে ও বিদেশে অত্যন্ত সম্মানজনক এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি পেশাগত ডিগ্রি। বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে নিজেদের দক্ষতা, জ্ঞান ও ব্যবহারিক অভিজ্ঞতা বাড়িয়ে একজন যোগ্য পেশাজীবী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।