বাকৃবিতে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০২:১৮ PM
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া © টিডিসি

যথাযোগ্য মর্যাদায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হয়েছে। প্রভাতফেরি, পুষ্পস্তবক অর্পণ, শপথ গ্রহণ, আলোচনা সভাসহ নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী এ আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটি।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) প্রথম প্রহরেই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি আবাসিক হলের শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা হয়। সকাল আটটায় ঈশা খাঁ হল-সংলগ্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া।

এরপর উপাচার্যের নেতৃত্বে বৈশাখী চত্বর থেকে প্রভাতফেরি বের হয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়। প্রভাতফেরিতে জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির সভাপতি ও ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক মো. শহীদুল হক, প্রক্টর অধ্যাপক মো. আবদুল আলীম, রেজিস্ট্রার মো. হেলাল উদ্দীন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. হুমায়ূন কবিরসহ বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তারা অংশ নেন।

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শিক্ষক সমিতির ব্যবস্থাপনায় এবং সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো. আসাদুজ্জামান সরকারের সঞ্চালনায় আবারও পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এ সময় উপাচার্য বলেন, পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী জানত বাংলা ভাষাভাষী মানুষ কখনও মাতৃভাষার প্রশ্নে আপস করবে না। শোষণ ও নিপীড়নের মাধ্যমে তারা বাংলার মানুষকে দমাতে চেয়েছিল, কিন্তু পারেনি। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি শিক্ষার্থী থেকে শ্রমজীবী মানুষ—সকলেই রাজপথে নেমে এসে আত্মত্যাগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা করেছেন বাংলা ভাষার অধিকার।  বিশ্বের বুকে ভাষার জন্য জীবনদানকারী একমাত্র জাতি হিসেবে বাঙালির এ গৌরব অনন্য।

উপাচার্য আরও বলেন, ‘আমরা মাতৃভাষায় কথা বললেও শিক্ষা ও দাপ্তরিক কার্যক্রমের সর্বোচ্চ স্তরে বাংলা এখনো প্রত্যাশিত মর্যাদা পায়নি। তবে সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গঠিত সরকার সর্বস্তরে প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক ক্ষেত্রে বাংলা ভাষা চালু করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।’

পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল, ছাত্র ও রাজনৈতিক সংগঠন এবং অভ্যন্তরীণ স্কুল-কলেজের পক্ষ থেকে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হয়। উপাচার্যের নেতৃত্বে উপস্থিত সবাই শপথবাক্য পাঠ করেন।

দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগে ‘একুশের চেতনা ও নতুন প্রজন্মের স্বদেশ ভাবনা’ শীর্ষক আলোচনা আয়োজন করা হয়েছে। এ ছাড়া বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের সব মসজিদ, মন্দির ও অন্যান্য উপাসনালয়ে ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনার আয়োজন করা হবে।

যবিপ্রবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদ দিবস পালন
  • ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
যবিপ্রবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদ দিবস পালন
  • ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মধ্যরাতে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে ক্লাব প্রতিনিধিদের অবস্থ…
  • ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
অস্ট্রিয়ার ডকুমেন্ট লিগালাইজেশন করবেন যেভাবে
  • ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ভাষার অধিকার থেকে স্বাধীনতার পথ: একুশের অমলিন শিক্ষা
  • ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ভাষা শহীদদের স্মরণে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ডিআইইউর শ্রদ্ধাঞ্…
  • ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬