চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগো © টিডিসি সম্পাদিত ছবি
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পর ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়। তবে বিপত্তি বেধেছে সামাজিক বিজ্ঞান সংশ্লিষ্ট একটি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে। দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ই একই দিনে এই ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করেছে। এতে বিপত্তিতে পড়েছেন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বি ইউনিটের (কলা ও মানবিক, সামাজিক বিজ্ঞান এবং আইন অনুষদ) ভর্তি পরীক্ষা ৬ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে। কুমিল্লার পাশাপাশি চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
এদিকে গত ২৩ আগস্ট ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সমাজবিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ৬ ফেব্রুয়ারি। ভর্তি পরীক্ষা চট্টগ্রাম (চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস), ঢাকা (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস) এবং রাজশাহী (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস) বিভাগীয় শহরে অনুষ্ঠিত হবে। তবে বি১, বি২ ও বি২ উপ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শুধু চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হবে।
ফারজানা অন্তী নামে ঢাকার এক ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী বলেন, আমার বাসা ঢাকায়। আমি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা কেন্দ্র হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আবেদন করব। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে তো কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্র নেই। তাহলে আমি কীভাবে কুমিল্লায় পরীক্ষা দেব?
এ বিষয়ে চবি উপ-উপাচার্য (অ্যাকাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল আমীন দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, এ বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নই। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেউ আমার সাথে এ বিষয়ে আলাপ করেনি। আর তাছাড়া একই দিনে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের একসাথে পরীক্ষা এটা হয় নাকি! আমি এখনই খোঁজ নিচ্ছি।
বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে কুবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আমজাদ হোসাইন সরকার দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, তাদের পরীক্ষা সকাল ১১টায় আর আমাদের পরীক্ষা বিকেল ৩টায় হবে। শিক্ষার্থীরা সেই পরীক্ষা দিয়েও এটাতেও অ্যাটেন্ড করতে পারবে
তবে এ বিষয়ে ভর্তি পরীক্ষা কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. নুরুল করিম চৌধুরী দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, আমরা আজকে প্রথম মিটিং করেছি। এই বিষয়টি আমরা মাথায় নিলাম। পরীক্ষার আরও ৫ মাস সময় আছে। পরবর্তীতে পরীক্ষার সময় ও কেন্দ্র পরিবর্তনও হতে পারে। গতবছরও পরীক্ষার আগে সময় পরিবর্তন করা হয়েছিল।