মেডিকেল ভর্তিতে সমতল কোটায় আবেদনকৃতদের ফল স্থগিত
- টিডিসি রিপোর্ট
- প্রকাশ: ২০ জানুয়ারি ২০২৫, ০৮:০৪ PM , আপডেট: ২০ জানুয়ারি ২০২৫, ০৮:০৬ PM

দেশের সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে ভর্তিতে সমতল কোটায় আবেদনকৃত শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফলাফল স্থগিত করে রাখা হয়েছে। এই কোটায় আবেদনকৃতদের মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ শেষে ফল প্রকাশ করা হবে বলে জানা গেছে।
স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি শিক্ষাবর্ষে সমতল কোটায় মোট আসন রয়েছে ৮টি। এই আসনগুলোর বিপরীতে বেশকিছু শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। তাদের মধ্যে অনেকেই ভর্তি পরীক্ষায় পাস নম্বর তুলেছেন। তবে আবেদনকৃতদের মধ্যে সবাই সমতল কোটায় ভর্তিযোগ্য নয়। অর্থাৎ সমতলে বসবাস না করেও এই কোটায় ভর্তির জন্য আবেদন করেছেন।
আরও পড়ুন: মেডিকেল ভর্তিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চান্স পাওয়া নাতি-নাতনিরা বাদ পড়বেন
ওই সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সমতল কোটায় আবেদনকৃত শিক্ষার্থীদের মধ্যে যারা ভর্তি পরীক্ষায় পাস নম্বর তুলেছেন, তাদের খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হবে। সেখানে তাদের সব ধরনের কাগজপত্র যাচাই করা হবে। এই প্রক্রিয়া শেষে আটজন শিক্ষার্থীকে সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. মহিউদ্দিন মাতুব্বর দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘সমতল কোটায় অনেকে ভুল করে আবেদন করেছেন, অনেকে আবার সমতল কোটার যোগ্য না হয়েও আবেদন করেছেন। এজন্য এই কোটার ফলাফল স্থগিত করে রাখা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা নিয়ে এরপর তাদের ফলাফল প্রকাশ করা হবে।’
সমতল কোটায় অনেকে ভুল করে আবেদন করে, অনেকে আবার সমতল কোটার যোগ্য না হয়েও আবেদন করেন। এজন্য এই কোটার ফলাফল স্থগিত করে রাখা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের ভাইভা নিয়ে এরপর তাদের ফলাফল প্রকাশ করা হবে।
প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) সারাদেশে একযোগে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদন করেছিলেন ১ লাখ ২৫ হাজার ২৬১ জন। পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১ লাখ ৩১ হাজার ৭২৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬০ হাজার ৯৫ জন ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। পরীক্ষায় পাসের হার ৪৫ দশমিক ৬২ শতাংশ। এর মধ্যে ছেলে পরীক্ষার্থী ছিল ২২ হাজার ১৫৯ জন যা উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীর ৩৬ দশমিক ৮৭ শতাংশ। উত্তীর্ণ মেয়ে পরীক্ষার্থী সংখ্যা ৩৭ হাজার ৯৩৬ জন যা উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীর ৬৩ দশমিক ১৩ শতাংশ।