এসএসসি পরীক্ষা

নওগাঁর ১৯ প্রতিষ্ঠান থেকে পাশ করতে পারেনি কোনো পরীক্ষার্থী 

১২ আগস্ট ২০২৬, ০৬:৩১ PM , আপডেট: ১২ আগস্ট ২০২৬, ০৬:৪৫ PM
নওগাঁ জেলার শিক্ষা ভবন

নওগাঁ জেলার শিক্ষা ভবন © সংগৃহীত

নওগাঁর ১১টি উপজেলার মধ্যে ৭টি উপজেলার মোট ১৯টি প্রতিষ্ঠান থেকে এসএসসি পরীক্ষায় পাশ করতে পারেনি কোন পরীক্ষার্থী। জেলার শিক্ষা অফিস থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এ তথ্য জানা যায়। শতভাগ ফেলের মধ্যে রয়েছে মাধ্যমিক, মাদ্রাসা ও ভোকেশনাল এর এমপিওভুক্ত ও নন এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান। 

জানা যায়, জেলার বদলগাছী উপজেলার ৩টি প্রতিষ্ঠান থেকে কেউই পাশ করেনি। শতভাগ ফেইল করা সেই প্রতিষ্ঠানগুলো হলো গোবরচাপা হাট আকতার হামিদ সিদ্দিকী দাখিল মাদ্রাসা। এই মাদ্রাসা থেকে ১ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিলেও সে পাশ করেনি। এ উপজেলার শতভাগ ফেইলের তালিকায় রয়েছে জোলাপাড়া ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসা। এ প্রতিষ্ঠান থেকে ৩ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন কিন্তু একজনও পরীক্ষার্থী পাস করেনি। এছাড়াও উপজেলার খাদাইল দাখিল মাদ্রাসা থেকে কোন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেননি। 

জেলার পত্নীতলা উপজেলার চকনোদবাটি ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসাথেকে ১৯ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিলেও কেউ করেনি। সাপাহার উপজেলার ভাবুক নইমুদ্দিন দাখিল মাদ্রাসাথেকে ১৩ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিলেও কেউ পাশ করেনি। জেলার মান্দা উপজেলার চকদেবীরাম-চকভোলাই আলিম মাদ্রাসা থেকে এবারের দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৫ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে কেউ পাশ করেনি। 

এছাড়াও এই উপজেলার কুসুম্বা শাহী দাখিল মাদ্রাসা থেকে ৯ জন, রামনগর দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১৩ জন, চকরঘুনাথ দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১৩ জন এবং এলেঙ্গা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ৬ জন পরীক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিলেও কেউই পাশ করেনি। জেলার পোরশা উপজেলার বড় গুন্দইল দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১৬ জন, গাঙ্গরিয়া ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১৩ জন, অনন্তপুর দাখিল মাদ্রাসা থেকে ৯ জন ও কালিনগর সরাইগাছী মহিলা দাখিল মাদ্রাসা থেকে ৬ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিলেও একজন পরীক্ষার্থীও পরীক্ষায় পাস করেননি।

নিয়ামতপুর উপজেলার বরিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১৫ জন, পৈলানপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৯ জন, নিমদিঘী কারিগরি স্কুল ও কলেজ থেকে ৭ জন এবং বরিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১৫ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে তাদের কেউই পাস করতে পারেনি। এবং আত্রাই উপজেলা সুদরানা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৪ জন এবং আটগ্রাম ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল। কিন্তু তাদের কেউই পাশ করেননি। 

শতভাগ ফেইলের বিষয়ে জানতে চাইলে মান্দা উপজেলার চকদেবীররাম চকভোলাই আলিম মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. জালাল উদ্দিন বলেন, আমাদের মাদ্রাসা থেকে এবার ১৫ শিক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। কিন্তু হঠাৎ করে পরীক্ষার কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরার সম্মুখে পড়ে শিক্ষার্থীরা ভীত ও বিহ্বল হয়ে পড়ে। ফলে পরীক্ষা ভালো করতে পারেনি। এবং করোনাকালীন দুর্বলতাও এর পেছনে প্রভাব ফেলেছে।

এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. শাহাদাৎ হোসেন বলেন, শতভাগ ফেল করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধানদের সাথে দ্রুত বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষার মান উন্নয়নে সকল প্রচেষ্টা আগামীতে অব্যাহত থাকবে।

অনন্য মাইলফলক ছোঁয়ার অপেক্ষায় মুশফিক
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষায় জাইমা, বললেন- ‘ফিটনেসবিহীন গাড…
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
গাকৃবি হাই স্কুলে পাস ৯৮.১১ শতাংশ, জিপিএ-৫ পাওয়া ৮ জনই বালি…
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
ইভ্যালির রাসেল-শামীমা দম্পতির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
ছাত্রদলের চার কমিটি বিলুপ্ত
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
কুয়েট অধ্যাপকের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন
  • ১২ আগস্ট ২০২৬