পরীক্ষার হল ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের লোগো © সংগৃহীত
২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। একইসঙ্গে রুটিনে পরীক্ষার্থীদের জন্য ১১টি বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) বোর্ডের ওয়েবসাইটে রুটিন প্রকাশিত হয়েছে।
নির্দেশনাসমূহ:
১. পরীক্ষা শুরুর ৩০ (ত্রিশ) মিনিট পূর্বে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদেরকে পরীক্ষা কক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে।
২. প্রথমে বহুনির্বাচনি ও পরে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
৩. ৩০ নম্বরের বহুনির্বাচনি (MCQ) পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ৩০ মিনিট এবং ৭০ নম্বরের সৃজনশীল (CQ) পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। ব্যবহারিক বিষয় সম্বলিত পরীক্ষার ক্ষেত্রে ২৫ নম্বরের বহুনির্বাচনি (MCQ) পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ২৫ মিনিট এবং ৫০ নম্বরের সৃজনশীল (CQ) পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ২ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট।
পরীক্ষা বিরতিহীনভাবে প্রশ্নপত্রে উল্লেখিত সময় পর্যন্ত চলবে। বহুনির্বাচনি এবং সৃজনশীল উভয় অংশের পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না ।
সকাল ১০টায় শুরু হওয়া পরীক্ষার ক্ষেত্রে সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে উত্তরপত্র ও ওএমআর শিট বিতরণ করা হবে। সকাল ১০টায় এমসিকিউ প্রশ্নপত্র দেওয়া হবে এবং ১০টা ৩০ মিনিটে সৃজনশীল প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হবে। তবে ২৫ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষার ক্ষেত্রে সৃজনশীল অংশ শুরু হবে সকাল ১০টা ২৫ মিনিটে।
অন্যদিকে দুপুর ২টায় অনুষ্ঠেয় পরীক্ষার ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে উত্তরপত্র ও ওএমআর শিট বিতরণ করা হবে। দুপুর ২টায় এমসিকিউ প্রশ্নপত্র দেওয়া হবে এবং ২টা ৩০ মিনিটে সৃজনশীল অংশ শুরু হবে। ২৫ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষার ক্ষেত্রে এ সময় হবে দুপুর ২টা ২৫ মিনিট।
৪. প্রশ্নপত্রে উল্লিখিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে।
৫. পরীক্ষার্থীগণ তাদের প্রবেশপত্র নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান প্রধানের নিকট হতে অন্তত: ০৭ (সাত) দিন পূর্বে সংগ্রহ করবে।
৬. প্রত্যেক পরীক্ষার্থী সরবরাহকৃত উত্তরপত্রে তার পরীক্ষার রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিষয় কোড ইত্যাদি ওএমআর ফরমে যথাযথভাবে লিখে বৃত্ত ভরাট করবে। কোন অবস্থাতেই মার্জিনের মধ্যে লেখা কিংবা অন্য কোন প্রয়োজনে উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না।
৭. পরীক্ষার্থীকে তত্ত্বীয়, বহুনির্বাচনি ও ব্যবহারিক অংশে(প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) পৃথকভাবে পাস করতে হবে।
৮. প্রত্যেক পরীক্ষার্থী কেবল রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও প্রবেশ পত্রে উল্লিখিত বিষয়/বিষয়সমূহের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। কোন অবস্থাতেই অন্য বিষয়ের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না ।
৯. পরীক্ষার্থীরা কাটাযুক্ত (Non programmable) হাতঘড়ি ব্যবহার করতে পারবে।
১০. পরীক্ষার্থীগণ পরীক্ষায় শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত সাধারণ সাইন্টিফিক ক্যালকুলেটর (Non programmable ) ব্যবহার করতে পারবে। প্রোগ্রামিং ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে না।
১১. পরীক্ষা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না এবং কোন পরীক্ষার্থী পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন আনতে পারবে না।