নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনরত ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের পাশে থাকতে না পারায় নিজের ব্যর্থতা ও সীমাবদ্ধতার কথা জানিয়ে হাতজোড় করে ক্ষমা চেয়েছেন 'টেন মিনিট স্কুলে'র উদ্যোক্তা আয়মান সাদিক।
শুক্রবার দিবাগত রাত ২টার দিকে নিজ ফেসবুকে পেজে লাইভে এসে তার ভক্তদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন আয়মান সাদিক।
গত ২৯ জুলাই ঢাকায় বাসচাপায় দুই কলেজ শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার পর থেকে শিক্ষার্থীরা সড়কে আন্দোলনে নামেন। এ সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই আয়মান সাদিকের সমালেচনা করেন।
তারা বলেন, এ ধরণের একটা যৌক্তিক আন্দোলনে আয়মান সাদিক, সালমান মুক্তাদির আর সুলাইমান সুখনরা পাশে থাকে না। তারা এখন কই? জাতি আজ অন্ধ প্রায়। এখন জাতিকে মোটিভেশন দিতে হবে না? নাকি অন্ধ জাতিকে মোটিভেশন দিয়ে ব্যাবসা জাঁকজমাক করার ধান্দায় চুপচাপ বসে আছেন?
ফেসবুক লাইভে আয়মান সাদিক বলেন, ‘আমার সকল স্টুডেন্টের কাছে হাতজোড় করে ক্ষমা, কারণে এই মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনার ২য় ও ৩য় দিনে আমার ফেসবুক থেকে একটি করে স্ট্যাটাস আসে, আর ফাইনালি ৪র্থ দিনে সবার সঙ্গে আমি রাস্তায় গিয়ে একত্রিত হয়। এতো দেরি হওয়াতে আমার স্টুডেন্টরা অনেক কষ্ট পেয়েছে।
আমার ব্যর্থতা আর কিছু সীমাবদ্ধতার কারণে যে সাহায্যটুকু করতে পারিনি, তার জন্য আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী। পারলে মাফ করে দিও।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের সবার উদ্দেশ্য হচ্ছে আমাদের পরিবর্তন আনা এবং নিরাপদ সড়কের যে দাবি উঠেছে সেটা আদায় করা। এটার জন্য তোমরা এতো সুন্দরভাবে যে কাজ করে যাচ্ছ, তাতে আমি স্যালুট জানায়। আমরা এটা কল্পনাও করতে পারিনি। আমরা নিরাপদ সড়ক চাই।’
আয়মান সাদিকের সেই ভিডিওটি দেখতে ক্লিক করুন