বঙ্গোপসাগরে শক্তি সঞ্চার করেছে শক্তিশালী নিম্নচাপ, আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’

৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৫ PM , আপডেট: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৬ PM
বঙ্গোপসাগরে শক্তি সঞ্চার করেছে শক্তিশালী নিম্নচাপ

বঙ্গোপসাগরে শক্তি সঞ্চার করেছে শক্তিশালী নিম্নচাপ © সংগৃহীত

ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের প্রভাব কাটতে না কাটতেই বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হয়েছে নতুন একটি শক্তিশালী নিম্নচাপ। ক্রমেই শক্তি সঞ্চয় করা এই নিম্নচাপটি আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছে ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর (আইএমডি)। সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টির নাম হবে ‘মুরাসু’। এটি আগামী ৩ নভেম্বর সকালে ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ উপকূলে আঘাত হানতে পারে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) আইএমডির পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। পূর্বাভাসে বলা হয়, ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার পর এটি পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। আগামী ২ নভেম্বর সন্ধ্যার দিকে ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ উপকূলের কাছাকাছি পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টির নাম ‘মুরাসু’ প্রস্তাব করেছে ভারত। তামিল ভাষায় শব্দটির অর্থ ঢোল। ঘূর্ণিঝড়টি তৈরি হলে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৮০ থেকে ৯০ কিলোমিটার হতে পারে। দমকা হাওয়ার গতিবেগ ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠতে পারে।

ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র জানিয়েছেন, আগামী মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালে অন্ধ্র প্রদেশ উপকূলে আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড়টি। তবে এটি সাম্প্রতিক ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের তুলনায় কম শক্তিশালী হতে পারে।

এর আগে গত ২৮ অক্টোবর অন্ধ্র প্রদেশ ও উড়িষ্যা উপকূলে আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব। সে সময় ঝড়টির বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় প্রায় ১৫০ কিলোমিটার।

সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ভারতের কয়েকটি রাজ্যে ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে আইএমডি। সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ২ নভেম্বর অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং পুদুচেরির ইয়ানামে বিচ্ছিন্নভাবে অতি ভারি বৃষ্টি হতে পারে। পরদিন এসব এলাকায় ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

এ ছাড়া অন্ধ্র প্রদেশের রায়ালসীমা অঞ্চলে ২ ও ৩ নভেম্বর অতি ভারি বৃষ্টি হতে পারে। উড়িষ্যার উপকূলীয় এলাকাগুলোতে ৩ ও ৪ নভেম্বর ভারি বৃষ্টির সতর্কতা দেওয়া হয়েছে।

আইএমডির পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ১ নভেম্বর সন্ধ্যা থেকে অন্ধ্র প্রদেশ, উত্তর তামিলনাড়ু ও পুদুচেরি উপকূলে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। এ সময় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে।

আগামী ২ নভেম্বর বিকেল নাগাদ অন্ধ্র প্রদেশ উপকূলে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬৫ থেকে ৭৫ কিলোমিটার হতে পারে। দমকা হাওয়ার গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৫ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠতে পারে। পরে ওই দিন সন্ধ্যা থেকে ৩ নভেম্বর সকাল পর্যন্ত বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৮০ থেকে ৯০ কিলোমিটার থাকতে পারে। এ সময় দমকা হাওয়ার গতিবেগ ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

অন্যদিকে, দক্ষিণ উড়িষ্যা উপকূলে ২ নভেম্বর সন্ধ্যা থেকে ঝোড়ো হাওয়া শুরু হতে পারে। ৩ নভেম্বর ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার থাকতে পারে। এ সময় দমকা হাওয়ার গতিবেগ ঘণ্টায় ৭০ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠতে পারে।

৪ নভেম্বর থেকে পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ওই দিন সকালে বাতাসের গতিবেগ কমে ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটারে নেমে আসতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।

শ্রীলংকাকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তান
  • ৩১ অক্টোবর ২০২৬
তিনবার অস্ত্রোপচারের পরও দমে যাননি, জিপিএ-৫ পেলেন শান্তা, স…
  • ৩১ অক্টোবর ২০২৬
এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেলেন দৃষ্টিশক্তিহীন মৌমি
  • ৩১ অক্টোবর ২০২৬
কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে কত জিপিএ লাগবে, দেখে নিন একনজরে
  • ৩১ অক্টোবর ২০২৬
নীতিমালা লঙ্ঘন করে ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’ থেকে বঞ্চিতের …
  • ৩১ অক্টোবর ২০২৬
‘আওয়ামী লীগ যা করেছিল সেই জায়গায় ছাত্রদল-যুবদল বসেছে, শুধু …
  • ৩১ অক্টোবর ২০২৬