ভূ-তত্ত্ববিদ অধ্যাপক হুমায়ুন

ভূগর্ভে ৮.২-৯ মাত্রার শক্তি জমা আছে, এটা বের হতেই হবে

২৪ নভেম্বর ২০২৫, ০২:০২ PM , আপডেট: ২৪ নভেম্বর ২০২৫, ০২:০২ PM
প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি © সংগৃহীত

দেশে ৩২ ঘণ্টায় ৪ ভূমিকম্পের পর এখনো আতঙ্ক কাটেনি মানুষের। ভূমিকম্প পরবর্তী আফটারশকের আশংকাও করছেন অনেক আবহাওয়াবিদ। বাংলাদেশ অংশে যে প্লেটটি রয়েছে তার ভূগর্ভে ৮.২-৯ মাত্রার শক্তি জমা আছে, আর এটা অবশ্যই বের হবে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এমনটি হলে সামনে অনেক বড় ভূমিকম্প হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-তত্ত্ব বিভাগের সাবেক অধ্যাপক সৈয়দ হুমায়ুন আখতার বিবিসি বাংলাকে বলেন, ভারতীয় প্লেটটি ধীরে ধীরে পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে বার্মা প্লেটের নিচে অর্থাৎ চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রামের নিচে তলিয়ে যাচ্ছে। আর এই তলিয়ে যাওয়ার কারণে একটা সাবডাকশান জোনের তৈরি হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘এই জোনের ব্যাপ্তি সিলেট থেকে টেকনাফ পর্যন্ত বিস্তৃত। পুরো চট্টগ্রাম অঞ্চল এর মধ্যে পড়েছে। এখানে বিভিন্ন সেগমেন্ট আছে। আমাদের এই সেগমেন্টে ৮.২ থেকে ৯ মাত্রার শক্তি জমা হয়ে আছে। এটা বের হতেই হবে’

অধ্যাপক সৈয়দ হুমায়ুন আখতার বলেন, ‘এখানে প্লেট লকড হয়ে ছিলো। এর অতি সামান্য ক্ষুদ্রাংশ খুললো বলেই শুক্রবারের ভূমিকম্প হয়েছে। এটিই ধারণা দেয় যে সামনে বড় ভূমিকম্প আমাদের দ্বারপ্রান্তে আছে‘ ।

মাধবদীর ভূমিকম্পের পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতাত্ত্বিক বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, একটি ভূমিকম্পের পর এ ধরনের শক স্বাভাবিক এবং মাধবদী ভূমিকম্পের পর যে তিনটি ‘আফটারশক’ হয়েছে তার মাত্রা ছিলো আগের দিনের ভূমিকম্পের চেয়ে কম।

তিনি আরও বলেন, ‘কোনো একটি জায়গায় ভূমিকম্প হলে স্বভাবতই পরে কয়েক মিনিটি, ঘণ্টা বা দিনের মধ্যে ছোটো ছোটো বা অল্প শক্তি সম্পন্ন কম্পন অনুভূত হয়। যে ফল্ট থেকে প্রথম ভূমিকম্প হয়েছে সেখানে এডজাস্টমেন্টের জন্য হওয়া এসব ছোটো কম্পনগুলো বোঝাচ্ছে যে সেখানে স্টেবল কন্ডিশনে আসতেছে।’

অধ্যাপক মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘ধরে নিতে পারি যে আপাতত কিছুটা হলেই ঝুঁকিমুক্ত। কিন্তু এর মানে এই নয় যে ভূমিকম্প হবে না। হতেও পারে। কিন্তু এ মুহূর্তে প্যানিক হওয়ার কিছু নেই। এই সোর্স (মাধবদী ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল) থেকে আপাতত বড় ভূমিকম্প হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। তবে অন্য উৎস থেকে হতেও পারে‘।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৫ দশমিক ৫ মাত্রার একটি ভূমিকম্প হলে তার ২৯০ দিনের মধ্যে ৫০ কিলোমিটার রেডিয়াসের মধ্যে ওই মাত্রার নীচের ভূমিকম্প হলে সেগুলো হবে ওই ভূমিকম্পের আফটারশক।

আবার এর তিন বছরের মধ্যে ১১০ কিলোমিটার রেডিয়াসের মধ্যে ৮ বা এর বেশি মাত্রার ভূমিকম্প হলে তখন আগেরগুলো হবে ফোরশক (বড় ভূমিকম্পের আগে হওয়া ছোটো ভূ কম্পন)।

অনুমোদন ছাড়া বিএসটিআইয়ের লোগো ব্যবহারে বেকারীতে সিলগালা
  • ০১ জুলাই ২০২৬
ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে যা বললেন হালান্ড
  • ০১ জুলাই ২০২৬
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বর্ধিত বাড়ি ভাড়া কার্যকর আজ থেকে
  • ০১ জুলাই ২০২৬
গলায় বাদাম আটকে প্রাণ গেল শিশু মানহার
  • ০১ জুলাই ২০২৬
বছরজুড়ে অনলাইনে দেওয়া যাবে আয়কর রিটার্ন, না দিলে বিপদে পড়বে…
  • ০১ জুলাই ২০২৬
পাবিপ্রবির কর্মচারীদের প্রশাসনিক শিষ্টাচার বিষয়ে দিনব্যাপী …
  • ০১ জুলাই ২০২৬