যেসব ভূমিকম্প কাঁপিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ

২১ নভেম্বর ২০২৫, ০৭:৫১ PM
প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি © সংগৃহীত

বাংলাদেশ ভূমিকম্প ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর একটি। ভারতীয়, ইউরেশীয় ও বার্মা (আরাকান) প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থান করার কারণে এই অঞ্চলে যেকোনো সময় বড় ধরণের ভূমিকম্পের সম্ভাবনা বিদ্যমান। অতীতে কয়েক দফা ভূমিকম্প এ ভূখণ্ডে ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতি ডেকে এনেছে। ইতিহাসের সেই ধ্বংসাত্মক ভূমিকম্পগুলো মানুষকে এখনও স্মরণ করিয়ে দেয় প্রাকৃতিক দুর্যোগের সামনে মানবসভ্যতা কতটা অসহায়।

১৮৯৭ সালের ‘গ্রেট আসাম ভূমিকম্প’
১২ জুন ১৮৯৭ সালে ভারতের আসামে ৮.৭ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পে পুরো পূর্ববঙ্গ কেঁপে ওঠে। ঢাকার বহু ভবন ধসে পড়ে, রেললাইন বেঁকে যায়, নদীর চর-ভূমি পরিবর্তন হয়। বাংলাদেশের ইতিহাসে এটিই সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প হিসেবে বিবেচিত। মৃত্যুর সংখ্যা কয়েক হাজার ছাড়িয়ে যায়।

১৯১৮ সালের সিলেট ভূমিকম্প
৮ জুলাই ১৯১৮ সালে সিলেটে ৭.৬ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। চা-বাগান এলাকা, রাস্তাঘাট ও বহু গ্রামীণ বসতি ধসে পড়ে। অন্তত শতাধিক মানুষের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়।

১৯৩০ সালের তেতুলিয়া ভূমিকম্প
এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭.১। পঞ্চগড়-রংপুর-দিনাজপুর এলাকায় শতাধিক ঘরবাড়ি ধসে পড়ে। বহু স্থাপনা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।

১৯৪১ সালের আন্দামান ভূমিকম্প
২৬ জুন ১৯৪১ সালে বঙ্গোপসাগর-আন্দামান অঞ্চলে ৮.১ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। ফলে বাংলাদেশের কক্সবাজার–চট্টগ্রাম উপকূলে অস্বাভাবিক জলোচ্ছ্বাস দেখা দেয় এবং ঘরবাড়ির ব্যাপক ক্ষতি হয়।

১৯৫০ সালের আসাম ভূমিকম্প
১৫ আগস্ট ১৯৫০ সালে ৮.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে ভারতের আসাম কেঁপে ওঠে। এর অভিঘাত পড়ে সিলেট ও ময়মনসিংহসহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলে। নদীর গতিপথ বদলে যায়, ভূমিধস হয়, যোগাযোগব্যবস্থা ভেঙে পড়ে।

১৯৯৭ সালের বান্দরবান–চট্টগ্রাম ভূমিকম্প
২২ নভেম্বর ১৯৯৭ সালে ৬.১ মাত্রার ভূমিকম্পে চট্টগ্রাম-বান্দরবান জেলায় ২৩ জন নিহত হন। বন্দরনগরীতে শত শত ভবনে ফাটল ধরে এবং বহু ভবন বসে যায়।

২০০৩ সালের সিলেট ভূমিকম্প
৩ জুলাই ২০০৩ সালে ৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে সিলেটে শতাধিক ভবনে ফাটল ধরে। আতঙ্কে বহু মানুষ রাতভর খোলা জায়গায় অবস্থান করেন।

২০১৫ সালের নেপাল ভূমিকম্পের প্রভাব বাংলাদেশে
নেপালের ৭.৮ মাত্রার ঐ ভূমিকম্পে বাংলাদেশে প্রায় ৪ জন নিহত হন এবং হাজারো ভবনে ফাটল দেখা দেয়, বিশেষত ঢাকা, রাজশাহী এবং রংপুরে।

২০২২ সালের সিলেট–মৌলভীবাজার ভূমিকম্প
২০২২ সালে সিরিজ ভূমিকম্পে সিলেট, সুনামগঞ্জ ও মৌলভীবাজার এলাকায় শত শত ঘরে ফাটল ধরে এবং বহু ভবন ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হয়। যদিও তেমন বড় ধরনের প্রাণহানি হয়নি, তবুও এটি ছিল ভয়াবহ সতর্কবার্তা।

সাড়ে তিন মাসে ১০৩টি কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে: রাকসুর ভিপি
  • ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সনদপত্র যাচাই, শিক্ষককে শুনানির জন্য ডাকল এনটিআরসিএ
  • ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
‎প্রকৌশল ক্ষেত্রে বৈষম্য নিরসনে ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারীদের বাধা…
  • ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নানা নাটকীয়তার পর আসনটিতে ফিরছে ‘দাঁড়িপাল্লা’
  • ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
একজন দলে ফেরালেও ৪ জনকে বহিষ্কার করল বিএনপি
  • ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
৪৮তম বিশেষ বিসিএসে ৩২৬৩ চিকিৎসকের যোগদান
  • ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬