টানা ছয় দিন ধরে কমছে তেলের দাম, নামল ৯৮ ডলারে

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৭ AM
বিশ্ববাজারে কমছে তেলের দাম

বিশ্ববাজারে কমছে তেলের দাম © সংগৃহীত

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম টানা ছয় দিন ধরে কমছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) এশিয়ার বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ কমে প্রতি ব্যারেল ৯৮ দশমিক ৪৩ ডলারে নেমে এসেছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শুরুর পর তেলের দাম দীর্ঘ সময় ধরে কমার রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ডব্লিউটিআই ক্রুডের দামও প্রতি ব্যারেল ৯০ ডলারের নিচে নেমেছে। গত পাঁচ দিনে এই তেলের দাম ১০ শতাংশের বেশি কমেছে।

মঙ্গলবার তেলের দাম কমার পেছনে সৌদি আরবের একটি ঘোষণাও ভূমিকা রেখেছে। দেশটি জানিয়েছে, ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন আবার চালু করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে লোহিত সাগর উপকূল থেকে অপরিশোধিত তেল রপ্তানি শুরুর প্রস্তুতিও চলছে।

এদিকে গত জুনের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান এই প্রথম আলোচনায় বসেছে। এর মধ্যে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের ওয়াশিংটন সফরের প্রস্তুতি চলছে।

চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং তিন দিনের সম্মেলনে যোগ দিতে ওয়াশিংটনে যাচ্ছেন। বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, এই বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে চলমান অস্বস্তিকর সমঝোতা বজায় থাকবে। তবে বড় ধরনের অগ্রগতির আশা তেমন একটা নেই।

ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠান এভারব্রাইট সিকিউরিটিজ ইন্টারন্যাশনালের কৌশলবিদ কেনি এনজি বলেন, ‘এই সম্মেলনের ফলাফলের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-চীন অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক, প্রযুক্তি খাতের প্রতিযোগিতা ও ভবিষ্যতের ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি অনেকটাই নির্ভর করবে।’

কেনি এনজি আরও বলেন, ‘বাজারের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখে বিনিয়োগকারীদের অন্ধভাবে বিনিয়োগ করা উচিত নয়। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠকে কী সিদ্ধান্ত হয়, সেই সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করা উচিত। এ ঘটনায় দুই দেশের নীতিগত অবস্থান আরও পরিষ্কার হবে।’

গোল্ডম্যান স্যাকসের বিশ্লেষকেরা বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে অপরিশোধিত তেল উৎপাদন ও রপ্তানির অবকাঠামোয় হামলা আরও বাড়তে পারে। এটিই এখন তেলের দাম বাড়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ঝুঁকি।

আন্তর্জাতিক বাজারে এক ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম ৯৮ দশমিক ৪৩ ডলার হলে প্রতি লিটারের দাম পড়ে প্রায় ৬২ সেন্ট। এক ডলারের দাম ১২৩ টাকা ধরলে বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রতি লিটার অপরিশোধিত তেলের দাম হয় প্রায় ৭৬ টাকা।

তবে এটি কেবল অপরিশোধিত তেলের আন্তর্জাতিক বাজারমূল্য। এর সঙ্গে পরিবহন, বিমা, বন্দর, পরিশোধন, সংরক্ষণ ও বিতরণ ব্যয় এবং সরকারের শুল্ক-কর যুক্ত হয়। সব খরচ বিবেচনায় নিয়েই দেশে তেলের চূড়ান্ত বাজারমূল্য নির্ধারণ করা হয়।

বাংলাদেশের তেল পরিশোধনের সক্ষমতাও সীমিত। দেশে বছরে প্রায় ১৫ লাখ টন তেল পরিশোধন করা যায়। অথচ বছরে প্রায় ৭০ লাখ টন তেল আমদানি করতে হয়। ফলে বিপুল পরিমাণ পরিশোধিত তেল আমদানি করতে হয়। দেশের বাজারে তেলের দাম নির্ধারণে এই বিষয়টিও বিবেচনা করা হয়।

লালন ফকির: ধর্মের সীমানা পেরিয়ে মানবতার সাধক
  • ১৭ অক্টোবর ২০২৬
পাবনা জেলা স্বীকৃতি লাভের ১৯৮ বছর পূর্তিতে কেক কাটা, মিষ্টি…
  • ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় কোনো ফি দিতে হবে না
  • ১৭ অক্টোবর ২০২৬
সুলতান’স ডাইনে চাকরি, কর্মস্থল ঢাকা, আবেদন ১৪ নভেম্বর পর্যন…
  • ১৭ অক্টোবর ২০২৬
‘পেনশন নিয়ে বাড়ি ফিরতে পারবেন না’—পুলিশ কর্মকর্তাকে ছাত্রলী…
  • ১৭ অক্টোবর ২০২৬
৬ ঘণ্টার ব্যবধানে ঝরে গেল ১৫ প্রাণ, দুই পরিবারেরই ১১ জন
  • ১৭ অক্টোবর ২০২৬