ভোক্তাদের অস্থিরতায় যশোরে জ্বালানি তেলের চাপ বাড়ছে

২৬ মার্চ ২০২৬, ১০:৩১ PM
একটি পাম্প স্টেশনে তেলের জন্য ভীড় করেছেন ভোক্তরা

একটি পাম্প স্টেশনে তেলের জন্য ভীড় করেছেন ভোক্তরা © টিডিসি

 নাগরিকদের অসচেতনতা এবং প্রয়োজনের অতিরিক্ত জ্বালানি তেল মজুদের ফলে যশোরে তীব্র তেল সংকট দেখা দিয়েছে। আতঙ্কিত হয়ে ব্যক্তিগত যানবাহন চালকরা প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত তেল সংগ্রহ করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

অন্যদিকে, পাম্প মালিকদের দাবি, চাহিদা অনুযায়ী ডিপো থেকে তেলের সরবরাহ মিলছে না। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সরেজমিনে দেখা যায়, যশোরের অধিকাংশ ফিলিং স্টেশনে ঝোলানো হয়েছে ‘তেল নেই’ সাইনবোর্ড। যে কয়েকটি পাম্পে তেল পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে মোটরসাইকেল চালকদের দীর্ঘ লাইন। তেলের খোঁজে অনেক চালককে ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হচ্ছে। দীর্ঘ পথ ঘুরেও চাহিদা অনুযায়ী তেল পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন অনেকে। তবে এই সংকটের মূল কারণ হিসেবে নাগরিকদের অসচেতনতা ও আতঙ্ককেই দায়ী করছেন সচেতন ভুক্তভোগীরা।

শহরের বেজপাড়া এলাকার বাসিন্দা ও এনজিও কর্মী মাহবুবুর রহমান জানান, পেশাগত কারণে তাকে প্রতিদিন দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হয়। সপ্তাহে তার গড়ে ১০ লিটার তেলের প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ‘আগে যার ২০০ টাকার তেল লাগতো, এখন সে এক হাজার থেকে দেড় হাজার টাকার তেল কিনছেন। অনেকে পাম্প থেকে তেল নিয়ে গিয়ে বাড়িতে বোতলজাত করে রাখছেন। এভাবে আমরা নিজেরাই সংকট তৈরি করছি’।

একই সুরে কথা বলেন আরেক চালক আতিয়ার বিশ্বাস। তিনি বলেন, ‘স্বাভাবিক সময়ে আমরা যেভাবে তেল কিনতাম, এখনো যদি সেই নিয়ম মানতাম তবে এই সংকট হতো না। সবার অস্থিরতার কারণেই চাপ বাড়ছে’।

এদিকে পাম্প মালিকরা জানিয়েছেন, ডিজেলের সরবরাহ মোটামুটি থাকলেও পেট্রোল ও অকটেনের তীব্র ঘাটতি রয়েছে। শহরের মনির উদ্দীন ফিলিং স্টেশনের স্বত্বাধিকারী এস এম খালিদ বলেন, ‘প্রতিদিন আমাদের ১৩ হাজার লিটার ডিজেলের চাহিদার বিপরীতে নয় থেকে দশ হাজার লিটার পাচ্ছি। কিন্তু অকটেন ও পেট্রোলের চাহিদা ছয় হাজার লিটার হলেও আমরা পাচ্ছি মাত্র অর্ধেক’।

যাত্রিক ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক ইকরাম হোসেন অভিযোগ করেন, চাহিদামতো তেল না পাওয়ার পাশাপাশি অনেক চালক দিনে ৩-৪ বার করে তেল নিয়ে যাচ্ছেন। অপ্রয়োজনে এই বাড়তি সংগ্রহের কারণেই সাধারণ মানুষ তেল পাচ্ছে না।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানে রয়েছে জেলা প্রশাসন। যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান জানান, জেলায় জ্বালানি তেলের প্রকৃত কোনো সংকট নেই। আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত সংগ্রহের ফলে একটি কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, ‘কোন পাম্পে ডিপো থেকে কত লিটার তেল আসছে এবং তা কীভাবে বিক্রি হচ্ছে, আমরা তা নিবিড়ভাবে মনিটরিং করছি।’

জেলা প্রশাসক আরো জানান, অতিরিক্ত তেল মজুত ঠেকাতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ সমন্বিতভাবে কাজ করছে। আজ থেকেই শহরে অবৈধ মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হচ্ছে। হেলমেট ও কাগজপত্রবিহীন সব গাড়ি জব্দ করা হবে। পাশাপাশি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তেল মজুদের প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

হামে মৃত্যু থামছেই না, আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে একদিনে ঝরল আর…
  • ০৭ মে ২০২৬
প্রশিক্ষণ শেষে চার-ছয় মাসের মধ্যে শ্রেণিকক্ষে ফিরবেন প্রাথম…
  • ০৭ মে ২০২৬
নারিকেল পারাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ১০
  • ০৭ মে ২০২৬
সীমান্তবর্তী এলাকায় পড়ে ছিল অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ
  • ০৭ মে ২০২৬
জুনিয়র অফিসার নিয়োগ দেবে মেঘনা গ্রুপ, আবেদন শেষ ১৩ মে
  • ০৭ মে ২০২৬
ময়মনসিংহ মেডিকেলে হাম উপসর্গে শিশুর মৃত্যু
  • ০৭ মে ২০২৬
X
UPTO
100%
MERIT BASED
SCHOLARSHIP
ADMISSION OPEN FOR
SUMMER 2026
Application Deadline Wednesday, May 13, 2026
Apply Now

Programs Offered

  • BBA
  • Economics
  • Agriculture
  • English
  • CSE
  • EEE
  • Civil
  • Mechanical
  • Tourism & Hospitality
01810030041-9