রাবি ছাত্রীর আত্মহত্যা

ইয়ার ড্রপ ছিলো সাদিয়ার, কয়েকমাস ধরে ফেসবুকও ডিএকটিভ

আত্মহত্যা
  © টিডিসি ফটো

মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ছাত্রী সাদিয়া আক্তার। মঙ্গলবার (১০ মে) নিজ বাসায় এ আত্মহননের পথ বেঁছে নেন তিনি। মৃত সাদিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভু-তত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। 

জানা যায়, সাদিয়ার গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার মাওহা ইউনিয়নের বিশমপুরে৷ তিনি অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য ফারুক মিয়ার মেয়ে।

সাদিয়ার সহপাঠীদের ভাষ্য, ব্যক্তিগত কিছু কারণে বেশ কিছুদিন যাবত মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন তিনি। যার ফলে এবছর ইয়ার ড্রপও দিয়েছেন সাদিয়া। তাছাড়া কয়েকমাস ধরে ফেসবুক আইডিও ডিএকটিভ রেখেছিলেন তিনি। এদিকে, তার অকাল মৃত্যুত গভীর শোক প্রকাশ করেছেন সহপাঠীরা। 

গৌরীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাইনুল রেজা জানান, সাদিয়া স্বপরিবারে ময়মনসিংহ শহরে বসবাস করেন। ঈদের আগে গ্রামের বাড়িতে আসেন তারা। দুপুরের পর নিজ ঘর দরজা বন্ধ করে অবস্থান করেন সাদিয়া। পরে তাকে অনেক ডাকাডাকির করলেও দরজা না খোলায় তা ভেঙে ভিতরে ঢুকলে ঝুলন্ত মৃতদেহ দেখতে পান পরিবারের লোকেরা।

তিনি আরও বলেন, পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরিছি, মাঝে বেশকিছু দিন সাদিয়ার লেখাপড়া বন্ধ ছিল। এ কারণে হয়তো তিনি অবসাদে ভুগছিলেন। এ কারণে তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন।

মৃতহদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।


x