চবিতে সশরীরে ক্লাস শুরু

প্রথম দিনেই শাটলের ভোগান্তিতে নবীন শিক্ষার্থীরা

২২ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১১:২৫ AM

© টিডিসি ফটো

অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো ১ মাসেরও বেশি সময় পর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থীরা সশরীরে ক্লাসে ফিরেছে। আর তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন প্রথম বর্ষের নবীন শিক্ষার্থীরাও। তবে ক্যাম্পাস জীবনের প্রথম দিনেই শাটল ট্রেনের ভোগান্তিতে পড়েছেন ২০২০-২১ সেশনের এসব নবীন শিক্ষার্থী।

জানা যায়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শহর থেকে চবি ক্যাম্পাস ও ক্যাম্পাস থেকে শহরে যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম শাটল ট্রেন। সাধারণত শহর থেকে আসা সকালের শাটলে থাকে না বসার জায়গা। তবে এখন ক্যাম্পাসে নবীন শিক্ষার্থীদের আগমনে শাটলে পা রাখার মতো জায়গা অবশিষ্ট না থাকায় ঝুঁকি নিয়ে শাটলের উপরেও বসতে হচ্ছে। এছাড়াও বিকেলে শিক্ষার্থীদের একটি অংশ ক্যাম্পাস থেকে শাটল ট্রেন যোগে শহরে এসে টিউশন করেন।

তিন জোড়া শাটল বন্ধ থাকায় তারা পড়ছেন সংকটে। আবার ক্যাম্পাসে ফিরার পথে এক নম্বর গেইট থেকে স্মরণ চত্বর পর্যন্ত সড়ক অনিরাপদ হওয়ায় ভোগান্তির শেষ নেই।

শাটল ট্রেনের ভোগান্তির বিষয়ে চবির এইচআরএম বিভাগের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ শরীফ হোসাইন বলেন, আমাদের ৯টা থেকে ভাইভা শুরু কিন্তু সাড়ে ৭টার ট্রেন অফ থাকায় আমাদের যেতে হয় ৮টার শাটলে। ট্রেন যেতে যেতে ৯টা বেজে যায়। ফ্যাকাল্টিতে যেতে যেতে আরো ১০ মিনিট। তার মানে প্রথম দিকে যাদের ভাইভা তাদের জন্য ৮ শাটলে গেলে কষ্ট হয়ে যাবে। আর না হয় তাদের কে বাসে যেতে হবে। আমার কথা হচ্ছে আমাদের শাটল থাকতে বাসে কেন যেতে হবে?

রাজনীতি বিজ্ঞানের নবীন শিক্ষার্থী ওবায়েদুর রহমান আকিব তার প্রথম দিনে শাটলের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে বলেন, শাটলের এমন অভিজ্ঞতা হবে কল্পনাও করিনি কখনো। ভেবেছিলাম ভেতরে বসে আসবো। তবে দুঃখজনক হলেও সত্যি ট্রেনের ছাঁদে বসে আসতে হয়েছে।

সমাজতত্ত্বের নবীন ছাত্রী আফরিনা আক্তার তামান্না মনে করছেন, ষোলশহর থেকে ভীড় বেড়ে যাওয়ায় ধাক্কাধাক্কি বেশি হয় যা খুবই বিব্রতকর। তিনি দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, একটি শাটল হওয়ায় ব্যাপক সমস্যা হয়েছে। বিশেষ করে মেয়েদের দাড়িয়ে আসতে সমস্যা হয়েছে। এছাড়াও ধাক্কাধাক্কিতে অবস্থা খারাপ।

শাটলের বিব্রতকর এ সমস্যা আগামীকাল বুধবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সমাধান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভূঁইয়া। তিনি বলেন, রেলওয়েকে আমরা আজকে চিঠি পাঠাবো। আশা করছি বিষয়টি সমাধান হবে তাড়াতাড়ি।

উল্লেখ্য, গত ২৬ জানুয়ারি থেকে মাইলেজ ইস্যুতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চলাচল করা সাত জোড়া ট্রেনের মধ্যে তিন জোড়া শাটল ট্রেন অনির্দিষ্টকালের জন্য না চালানোর সিদ্ধান্ত নেয় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। ফলে ২৬ জানুয়ারি থেকে বন্ধ থাকে ১৩১ / ১৩২, ১৩৫ / ১৩৮ ও ১৪১ / ১৪২ নম্বরধারী তিন জোড়া শাটল ট্রেন।

কিন্তু বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে গত ৩০ জানুয়ারি লোকো মাস্টাররা কর্মবিরতি স্থগিত করার পর থেকে সারাদেশের রেল চলাচল স্বাভাবিক হয়। তবে সারাদেশের রেল চলাচল স্বাভাবিক হলেও এখনো পর্যন্ত আটকে আছে বন্ধ হওয়া চবির তিন জোড়া শটল।

তুরস্ক-সৌদি-পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দিতে পারে মিসর:…
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
ইতিহাস গড়তে ৫৭ রান দরকার বাংলাদেশের
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
বর্ষাকে বিদায় জানিয়ে এল শরৎকাল
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
বেরোবি শিক্ষকের নামে ফেসবুকে ভুয়া আইডি, থানায় জিডি
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
তাসকিনের আঘাত সামলে গ্রিনের সেঞ্চুরি, অপেক্ষা বাড়ছে বাংলাদে…
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
মেসির দুঃখগাথা যেন শেষ হচ্ছেই না
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬