সাবেক উপাচার্যের নিয়োগ-দুর্নীতি খুঁজতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নতুন কমিটি

১০ জুলাই ২০২১, ০৪:৪৯ PM
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় © ফাইল ছবি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুস সোবহানের বিদায় দিনে দেওয়া নিয়োগে অস্বচ্ছতা, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও অনৈতিক লেনদেন তদন্তে নতুন কমিটি গঠন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. দিল আফরোজ বেগমকে আহ্বায়ক করে চার সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কমিটির অপর তিন সদস্য হলেন- বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশরের সদস্য অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ যুগ্মসচিব ড. মো.জাকির হোসেন আখন্দ ও মোহাম্মদ জামিনুর রহমান, পরিচালক (পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়), ইউজিসি।

এদিকে, গত ২৮ জুন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের উপসচিক মো. মাহমুদুল আলম স্বক্ষরে গঠিত কমিটির একটি পত্র আজ শনিবার (১০ জুলাই) বাংলাদেশ প্রতিদিনের কাছে এসেছে।

সেই পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এম. আব্দুস সোবহানের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের বিষয়ে ইতোপূর্বে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন কর্তৃক তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। তার প্রতিবেদনে উপাচার্যের বিরুদ্ধে নিয়োগ কার্যক্রমসহ আনীত অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২০২০ সালের ১০ ডিসেম্বর ৩৭,০০,০০০,০৭৯.২৭, ০৫৯,৯০, ২৪৬নং পত্রের মাধ্যমে প্রশাসনিক কারণে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ধরণের নিয়োগ কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত স্থগিত রাখার জন্য উপাচার্যকে অনুরোধ করা হয়েছিল।

কিন্তু উপাচার্য চলতি বছরের ৬ মে অর্থাৎ তার শেষ কর্মদিবসে মন্ত্রণালয়ের উক্ত অনুরোধ উপেক্ষা করে বিভিন্ন পদে জনবল নিয়োগ প্রদান করেছেন মর্মে মন্ত্রণালয় অবহিত হয়েছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে, যা অনভিপ্রেত।

পত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, বিদায়ী উপাচার্য কর্তৃক জনবল নিয়োগের ক্ষেত্রে 'অস্বচ্ছতা, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও অনৈতিক আর্থিক লেনদেন'-এর বিভিন্ন অভিযোগে উত্থাপিত হওয়ায় এ বিষয়ে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য উল্লেখিত কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে নির্দেশক্রমে কমিটি পুনর্গঠন করা হলো।

গঠিত এই কমিটিকে নিয়োগের ক্ষেত্রে উত্থাপিত অভিযোগসমূহের সত্যতা যাচাইয়ের পর অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে কমিটি উল্লিখিত নিয়োগ প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে দায় দায়িত্ব নিরূপণপূর্বক প্রতিবেদন পেশ ও কমিটিকে আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে সুপারিশসহ প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক দিল আফরোজ বেগম গণমাধ্যমকে জানান, কমিটি গত ২৮ তারিখে গঠিত হয়েছে। ৭ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হলেও করোনার কারণে এখনও তদন্ত কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। তবে করোনার কারণে কবে তদন্ত শুরু হবে সে বিষয়ে তিনি সুনির্দিষ্ট কিছু বলেননি।

চাকরিতে প্রবেশের বয়স অস্থায়ী ৪০, স্থায়ীভাবে ৩৫ বছর চেয়ে আল্…
  • ০৪ এপ্রিল ২০২৬
বানিয়াচঙ্গে বিষপানে এক বোনের মৃত্যু, অপরজন আশঙ্কাজনক
  • ০৪ এপ্রিল ২০২৬
‘বড় রাজনৈতিক ক্রাইসিস না থাকলে শিবির নেতা-কর্মীদের পড়াশোনা …
  • ০৪ এপ্রিল ২০২৬
সন্ধ্যার মধ্যে যেসব জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টির আভাস
  • ০৪ এপ্রিল ২০২৬
সাটিফিকেট সংশোধনসহ মূল সনদ উত্তোলনে নতুন পরিকল্পনা জাতীয় বি…
  • ০৪ এপ্রিল ২০২৬
এসএসসিতে নকল ঠেকাতে কঠোর যশোর শিক্ষা বোর্ড
  • ০৪ এপ্রিল ২০২৬