শাহবাগ থানায় ঢাবি সাংবাদিকদের ওপর হামলা, ছাত্রদলের ৫ নেতাকর্মীর সংশ্লিষ্টতা পেল তদন্ত কমিটি

০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩৬ PM , আপডেট: ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪০ PM
শাহবাগ থানায় ঢাবি সাংবাদিকদের ওপর হামলা, ঢাবি ও ছাত্রদলের লোগো

শাহবাগ থানায় ঢাবি সাংবাদিকদের ওপর হামলা, ঢাবি ও ছাত্রদলের লোগো © ফাইল ফটো

রাজধানীর শাহবাগ থানায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সদস্যদের ওপর ছাত্রদলের হামলার ঘটনার প্রতিবেদন জমা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের গঠিত তদন্ত কমিটি। ঘটনার পর তিন কার্য দিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা থাকলেও ৫ মাসের বেশি সময় পর আজ মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে এটি জমা দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদন জমা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম। পরে তিনি বলেছেন, আজকে তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। আগামী সিন্ডিকেট সভায় তদন্ত কমিটির সুপারিশের ওপর ভিত্তি করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গত ২৩ এপ্রিল পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় শাহবাগ থানায় সাংবাদিকদের ওপর হামলা করেন ছাত্রদলের একদল নেতাকর্মী। এ ঘটনায় অন্তত ১০ সাংবাদিক আহত হন। হামলার পর সহকারী প্রক্টর মাহবুব কায়সারকে আহ্বায়ক করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, তদন্ত কমিটি যাচাই-বাছাই করে জড়িতদের খুঁজে বের করেছেন। সমিতির পক্ষ থেকে ৩০ থেকে ৪০ জন ছাত্রদলের নেতাকর্মী এ ঘটনায় জড়িত থাকার কথা জানানো হলেও তদন্ত কমিটি ৫ জনকে খুঁজে পেয়েছে। তবে জড়িতদের নাম-পরিচয়ের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেউ গণমাধ্যমে সরাসরি মুখ খোলেননি।

এদিন বিকেলে উপাচার্যের কার্যালয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের সঙ্গে সাংবাদিক সমিতির প্রতিনিধিরা সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাৎ শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মো. মানজুর হোছাঈন মাহি বলেন, আমাদের ওপর হামলার প্রায় ৫ মাস পর আজকে আমরা দেখতে পেয়েছি যে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্তৃক গঠিত তদন্ত কমিটি তাদের রিপোর্ট জমা দিয়েছে। আমরা ধারণা করছি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলার পর দেশব্যাপী যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে, সেই চাপের কারণেই হয়তোবা তদন্ত কমিটি এই প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

দীর্ঘ ৫ মাসেও কেন তদন্ত শেষ হয়নি সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক লিটন ইসলাম বলেন, তদন্ত কমিটি একাধিক পক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণ ও সমন্বয়ের অজুহাত দিলেও আমরা মনে করি, প্রশাসনের সদিচ্ছা ও তৎপরতার অভাব ছিল। যদি প্রশাসন শুরুতেই তৎপর হতো, তবে এক থেকে দেড় মাসের মধ্যেই বিচার সম্পন্ন হতে পারত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সাংবাদিকদের ওপর হামলার বিচার দ্রুত হলে পরবর্তীতে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকদের ওপর এ ধরনের হামলা করার সাহস কেউ পেত না। তাই এই বিচারহীনতার সংস্কৃতির জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও দায় এড়াতে পারে না।

বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে ‘রাস্তার মেয়ে’ বললেন প্রভোস্ট, অভিযো…
  • ০৬ অক্টোবর ২০২৬
বই ছাপার মান যাচাইয়ে এবার ঢাকার বাইরের প্রেস পরিদর্শনে শিক্…
  • ০৬ অক্টোবর ২০২৬
পুলিশের নতুন মুখপাত্র কামারুম মুনিরা
  • ০৬ অক্টোবর ২০২৬
রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৬তম গ্রেডে চাকরি, আবেদন ২৯ …
  • ০৬ অক্টোবর ২০২৬
শাহবাগ থানায় ঢাবি সাংবাদিকদের ওপর হামলা, ছাত্রদলের ৫ নেতাকর…
  • ০৬ অক্টোবর ২০২৬
আট মাস পর উৎপাদনে ফিরল যমুনা সার কারখানা
  • ০৬ অক্টোবর ২০২৬