সম্মানহানির ভয়ে অনেকে উপাচার্য হতে আগ্রহী হন না: শিক্ষামন্ত্রী

২৪ জুন ২০২৩, ০৫:১৮ PM , আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৫, ০৩:৩০ PM
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি © ফাইল ফটো

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, নিয়োগ, ঠিকাদারিসহ বহুমুখী অযাচিত চাপে থাকেন উপাচার্যরা। অনেক সময় সহকর্মীরাও তাদের অসহযোগিতা করেন। ফলে উপাচার্যদের পক্ষে কাজ করা কঠিন হয়ে যায়। এতে করে সম্মানহানির ভয়ে অনেকেই উপাচার্য হতে আগ্রহী হন না।

শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) ও দেশের ৪৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। 

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রতিষ্ঠানভেদে আর্থিক প্রয়োজনীয়তা ও খরচের ধরন ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবিদিহির মানদণ্ড সকল প্রতিষ্ঠানে একই হওয়া উচিত। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে সরকারের বিদ্যমান আর্থিক অনুশাসন যথাযথভাবে অনুসরণ করা হলে অর্থ সংক্রান্ত সকল বিতর্ক নিরসন করা সম্ভব হবে। তবে, আর্থিক বিষয় যারা দেখভাল করছেন তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি করাও এক্ষেত্রে খুবই জরুরি বলে তিনি জানান।

উপাচার্যদের কাজকে এগিয়ে নিতে সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আহবান জানিয়ে বলেন, উপাচার্যরা নিয়োগ, ঠিকাদারীসহ বহুমুখি অযাচিত চাপে থাকেন। অনেক সময় সহকর্মীরাও তাঁদের অসহযোগিতা করে থাকেন। ফলে উপাচার্যদের পক্ষে কাজ করা অনেক সময় কঠিন হয়ে ওঠে। ফলে সম্মানহানীর ভয়ে অনেকেই উপাচার্য হতে আগ্রহী হন না। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের এই অনভিপ্রেত চর্চা থেকে বেরিয়ে আসার অনুরোধ করেন। 

নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে জ্যেষ্ঠ শিক্ষক সংকটের বিষয় তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ে অভিজ্ঞ শিক্ষকদের দ্বারা শিক্ষাপ্রদান নিশ্চিত করতে ইউজিসি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষকদের নিয়ে একটি পুল গঠন করতে পারে। তারা সরাসরি বা ব্লেন্ডেড পদ্ধতিতে শিক্ষাদান করতে পারেন। ফরে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অভিজ্ঞ শিক্ষকদের পাঠদান গ্রহণের সুযোগ পাবে।

তিনি আরও বলেন, দেশের বিভিন্ন জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন হলে শিক্ষার মান কমবে বলে যে ধারণা প্রচলিত আছে তা যথার্থ নয়। শুরুতে কিছু সমস্যা থাকলেও সময়ের পরিক্রমায় ঠিকই শিক্ষার মান অর্জিত হয়। 

উচ্চশিক্ষা সুযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যার মেধা ও ইচ্ছা আছে এবং প্রতিযোগিতামূলক ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে পাশ করবে তার জন্য উচ্চশিক্ষা অধিকার। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও ফিজিক্যাল মাস্টার প্লান প্রণয়ন, ঠিক সময়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন, উদ্যোক্তা তৈরি, রিসার্চ ও ইনোভেশনে গুরুত্বারোপ, দক্ষ গ্রাজুয়েট তৈরি, একক ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ, ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সহযোগিতা, এনডাউনমেন্ট ফান্ড গঠন, রিসার্চ রেপোজিটরি গঠনের ওপর গুরত্বারোপ করেন। 

ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ- এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আলমগীর, অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ চন্দ, অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান । ইউজিসি সচিব ড. ফেরদৌস জামান অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন।

ইউজিসি সচিব ড. ফেরদৌস জামান ও সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর রেজিস্ট্রারবৃন্দ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

৭৬ জন থেকে পৌনে ৩ লাখ, ২৫ বছরে জিপিএ-৫ এর উত্থান-পতন
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ কমিটির হাতে গেলে ৬ লাখ শিক্ষক…
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
চলতি বছরে এসএসসি ফল প্রকাশে ভাঙছে ২০ বছরের রেকর্ড
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
গাজা নিয়ে ট্রাম্পের ১৫ দফা পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান ইসরায়েলের…
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
এসএসসির ফল প্রকাশ সকাল ১০টায়, জানা যাবে তিন উপায়ে
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
অশ্রুসিক্ত চোখে বাবাকে শেষ বিদায় জানালেন মেসি
  • ১০ আগস্ট ২০২৬