ছোটবেলায় হারান বাবাকে, মা-স্বজন-বন্ধুদের সহযোগিতায় পড়াশোনা করা দেবব্রত প্রথম চেষ্টাতেই হলেন জজ

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৬ AM , আপডেট: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৬ AM
১৮তম বিজেএসে সুপারিশপ্রাপ্ত দেবব্রত ভট্টাচার্য্য

১৮তম বিজেএসে সুপারিশপ্রাপ্ত দেবব্রত ভট্টাচার্য্য © টিডিসি সম্পাদিত

১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়ে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী দেবব্রত ভট্টাচার্য্য। প্রথমবার অংশ নিয়েই সারাদেশের মধ্যে মেধাক্রমে ১৭৭ তম স্থান অর্জন করেছেন তিনি। 

সম্প্রতি প্রকাশিত ফলাফলে এই অনন্য সাফল্য পান এ শিক্ষার্থী। ধারাবাহিক পরিশ্রম, একাডেমিক পড়াশোনার সঙ্গে সমন্বিত প্রস্তুতি এবং নিজের ওপর অটুট বিশ্বাসই ছিল তার সাফল্যের মূল চাবিকাঠি। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতির চেয়ে একাডেমিক জীবন থেকেই গুছিয়ে পড়াশোনা করাকেই তিনি বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। 

প্রথমবারেই সফল হতে পেরে দেবব্রত ভট্টাচার্য্য তার অনুভূতি প্রকাশ করে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘প্রথমবারেই সফল হতে পারাটা আমার জন্য সত্যিই দারুণ এবং একই সঙ্গে অবাক করার মতো একটি অনুভূতি। রিটেন পরীক্ষার পর থেকেই নিজের ফলাফল নিয়ে এক ধরনের অনিশ্চয়তার মধ্যে ছিলাম। কারণ, এর আগে এই পরীক্ষায় কেমন লিখলে কত নম্বর পাওয়া যায় সে বিষয়ে আমার কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা ছিল না। ভাইভা দেওয়ার পরও ফল প্রকাশের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত নিশ্চিত হতে পারিনি যে আমি সফল হব। ফল প্রকাশের পর যখন দেখলাম আমি সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছি, তখন আনন্দের চেয়েও বিস্ময়টাই বেশি কাজ করেছিল। সেই অনুভূতি আসলে ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। সবচেয়ে আনন্দের বিষয় ছিল, আমার এই সাফল্যে পরিবার, বন্ধু ও কাছের মানুষদের সবাইকে ভীষণ খুশি হতে দেখা।’

শিক্ষাজীবনে আইন বিষয় নিয়ে পড়ার কারণ সম্পর্কে দেবব্রত বলেন, ‘আইন পড়ার সিদ্ধান্তটা আসলে পরিকল্পিত ছিল না। আমি বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলাম এবং ছোটবেলা থেকে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা শিক্ষক হওয়ার কথাই ভাবতাম। মেডিকেলে ভর্তি হওয়ার চেষ্টা করেও সুযোগ হয়নি। এরপর কী নিয়ে পড়ব, তা নিয়ে কিছুটা দ্বিধায় ছিলাম। ইউটিউবে বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জানতে গিয়ে আইন পড়াশোনা ও পেশার সম্ভাবনা সম্পর্কে জানতে পারি। সেখান থেকেই আইনকে বেছে নেওয়া। তখন মেডিকেলে সুযোগ না পাওয়াকে হয়তো দুর্ভাগ্য মনে হয়েছিল, কিন্তু এখন মনে হয়-সেটিই আমার জন্য সৌভাগ্যই ছিল।’

এ সফলতায় সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আমার এ সফলতায় সবার আগে সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। আমার বাবা তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ার সময় মারা যান। এরপর মা-ই আমাকে ও আমার বোনকে বড় করেছেন। মা বাড়িতে অল্প কিছু হাঁস-মুরগি পালন করে সেখানে থেকে যা পেত আমাকে দিত। তেমন কোনো উপার্জনের উৎস না থাকার পরও আমাদের জন্য মায়ের যে ত্যাগ, তা কোনোভাবেই পরিমাপ করার মতো নয়। এছাড়া আত্মীয়-স্বজনদের অবদানও রয়েছে আমার এ সফলতার পেছনে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অবদানও অনেক বেশি। তারা শুধু পড়াশোনায় নয়, সবসময় মানসিকভাবেও আমাকে সাহস দিয়েছেন। রিটেন পরীক্ষা দেওয়ার পর অনেক সময় মনে হয়েছে পরীক্ষা ভালো হয়নি। তখন শিক্ষকদের ফোন করে হতাশার কথা বললে তারা আমাকে ঘাবড়ে না গিয়ে নিজের ওপর বিশ্বাস রাখতে বলেছেন। তারা বারবার বলেছেন, প্রথমবারের পরীক্ষা হিসেবে ভয় না পেয়ে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে যেতে হবে। তাদের এই উৎসাহ আমাকে অনেকটা আত্মবিশ্বাসী করেছে।’

বন্ধুদের অবদানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমার বন্ধুরাও বিভিন্নভাবে পাশে থেকেছে। কেউ আর্থিকভাবে, কেউ মানসিকভাবে সহযোগিতা করেছে। এমনকি আমি যে টাই পরে ভাইভা দিয়েছি, সেটিও একজন বন্ধুর দেওয়া; ভাইভায় পরা শার্টটিও ছিল বন্ধুর উপহার। এখন যে পোশাকটি পরেছি, সেটিও এক বন্ধুর দেওয়া। এসব হয়তো ছোট ছোট বিষয়, কিন্তু আমার কাছে এগুলো তাদের ভালোবাসা ও পাশে থাকার বড় নিদর্শন। তাই এই সাফল্যের পেছনে পরিবার, শিক্ষক ও বন্ধুদের অবদান আমি কখনো অস্বীকার করতে পারব না।’

বিজেএসের প্রস্তুতি সম্পর্কে দেবব্রত ভট্টাচার্য্য বলেন, ‘নির্দিষ্ট সময় মেপে পড়াশোনা করতাম না; সময় ও পরিস্থিতি অনুযায়ী পড়ার পরিমাণ পরিবর্তিত হতো। তবে একজন আইন শিক্ষার্থীর প্রতিদিন অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা পড়াশোনা করা উচিত বলে মনে করি। আইন একটি জটিল বিষয়, একবার পড়ে সবকিছু মনে রাখা সম্ভব নয়। তাই নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি বারবার রিভিশন দেওয়াকেই আমি বেশি গুরুত্ব দিয়েছি। জুডিশিয়ারির জন্য আলাদা করে কোনো নির্দিষ্ট সময় থেকে প্রস্তুতি শুরু করিনি। দ্বিতীয় বর্ষে সিনিয়রদের কাছ থেকে জুডিশিয়ারি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারি এবং তখন থেকেই বিচারক হওয়ার ইচ্ছা তৈরি হয়। তবে আমি মনে করি, আমার একাডেমিক পড়াশোনা শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই জুডিশিয়ারির প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গেছে। একাডেমিক পড়াশোনা ও জুডিশিয়ারির প্রস্তুতিকে আমি আলাদা করে দেখিনি। যে সেমিস্টারে জুডিশিয়ারির সিলেবাসের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো কোর্স ছিল, তখন থেকেই সেগুলো ভালোভাবে পড়তাম।’

আরও দেখুন: সপ্তাহের সেরা ১৫ সরকারি চাকরি 

একাডেমিক পড়াশোনার সঙ্গেই জুডিশিয়ারির প্রস্তুতি নিয়েছিলেন তিনি। জুডিশিয়ারির সম্পর্কে বিস্তারিত জানার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে তার মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয় উল্লেখ করে তিনি জানান, একাডেমিক সিলেবাসে যখন জুডিশিয়ারির সিলেবাসের সঙ্গে মিল থাকা কোনো কোর্স পেয়েছি, তখন সেটি শুধু পরীক্ষার জন্য না পড়ে বিস্তারিত ও গভীরভাবে বোঝার চেষ্টা করেছি। এভাবেই ধীরে ধীরে একাডেমিক পড়াশোনার মধ্যেই জুডিশিয়ারির প্রস্তুতি তৈরি হয়েছে। আমার মাস্টার্স পরীক্ষা চলাকালীন প্রিলিমিনারি পরীক্ষা দিই। এরপর মাস্টার্স শেষ করে রিটেন এবং পরবর্তীতে ভাইভা দিই। ফলে আলাদা করে দীর্ঘ সময় বের করে প্রস্তুতি নেওয়ার প্রয়োজন হয়নি; একাডেমিক পড়াশোনার ধারাবাহিকতাই প্রস্তুতিতে সবচেয়ে বেশি কাজে দিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমি কখনো কোনো টপিককে কম গুরুত্বপূর্ণ মনে করে বাদ দিইনি। আইনের তুলনামূলক কম গুরুত্বপূর্ণ ধারাগুলোও গুরুত্ব দিয়ে পড়েছি, কারণ পরীক্ষায় কোন বিষয় থেকে প্রশ্ন আসবে, তা আগে থেকে বলা যায় না। শুরু থেকেই নোট করে পড়ার অভ্যাস ছিল। দিনের বড় একটা সময় লাইব্রেরিতে পড়তাম। লাইব্রেরিই ছিল আমার সবচেয়ে পছন্দের পড়ার জায়গা এবং সেখানেই দীর্ঘ সময় মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করেছি।’

শেষ সময়ের প্রস্তুতি বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমি শুরু থেকেই প্রতিটি টপিকের ওপর নিজের নোট করে পড়তাম। তাই শেষ সময়ে নতুন করে সবকিছু পড়ার পরিবর্তে আমার মূল কাজ ছিল সেই নোটগুলো বারবার রিভিশন দেওয়া। আইন মনে রাখার জন্য রিভিশনের কোনো বিকল্প নেই - এটা আমি প্রস্তুতির সময় খুব ভালোভাবে বুঝেছি। একাডেমিক জীবনে আইনগুলো ভালোভাবে পড়া হয়ে যাওয়ায় শেষ সময়ে আমি জেনারেল সাবজেক্টগুলোর ওপর বেশি ফোকাস করেছি। তখন মূলত দুটি কাজ করেছি-জেনারেল সাবজেক্টগুলো ভালোভাবে পড়া আর আইনের নোটগুলো নিয়মিত রিভিশন দেওয়া। আমি মনে করি, প্রথমবারেই সফল হওয়ার পেছনে বড় একটা কারণ ছিল একাডেমিক জীবন থেকেই ধীরে ধীরে প্রস্তুতিটা গুছিয়ে রাখা।’

প্রথমবারেই সাফলতা পাওয়ার বিষয়ে তিনি জানান, আমার মনে হয়, প্রথমবারেই সফল হওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ হলো-আমি একাডেমিক পড়াশোনাকে কখনো জুডিশিয়ারির প্রস্তুতি থেকে আলাদা করে দেখিনি। দ্বিতীয় বর্ষ থেকেই ধীরে ধীরে প্রস্তুতি গুছিয়ে নিয়েছি। যে বিষয়গুলো জুডিশিয়ারির সিলেবাসের সঙ্গে মিল ছিল, সেগুলো একাডেমিক পড়ার সময়ই ভালোভাবে পড়েছি এবং নিজের নোট তৈরি করেছি। শেষ সময়ে তাই আমার ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়নি। তখন নতুন করে সবকিছু পড়ার পরিবর্তে নোটগুলো রিভিশন দিয়েছি এবং জেনারেল সাবজেক্টগুলোর ওপর বেশি গুরুত্ব দিয়েছি। এর সঙ্গে নিয়মিত পড়াশোনা, কোনো টপিক বাদ না দেওয়া এবং নিজের ওপর বিশ্বাস রাখাটাও গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সব মিলিয়ে আমার মনে হয়, শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতির চেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে ধারাবাহিকভাবে প্রস্তুতি নেওয়াটাই প্রথমবারের সাফল্যের মূল কারণ।

ভাইবা বোর্ডের অনুভূতি প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘ভাইবার অভিজ্ঞতা আমার কাছে খুবই ভালো ছিল। বোর্ডের স্যাররা অনেক আন্তরিক ছিলেন। একটি প্রশ্নের উত্তর প্রথমে দিতে পারছিলাম না। তখন একজন স্যার আমাকে সময় নিয়ে ভাবতে বললেন এবং বললেন, ‘তুমি পারবে।’ পরে সময় নিয়ে ভেবে প্রশ্নটির সুন্দরভাবে উত্তর দিতে পেরেছিলাম। সেই সময় আমার ডিপার্টমেন্টের শিক্ষকদের কথাও মনে পড়ছিল। তাঁরা সবসময় বলতেন, প্রথমবারের পরীক্ষা বা ভাইভা ভয় না পেয়ে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে দিতে হবে। এটা ছিল আমার দ্বিতীয় ভাইভা। এর আগে ব্যাংকের একটি ভাইভা দেওয়ার অভিজ্ঞতা ছিল, যেটিও এই ভাইভায় আমাকে আত্মবিশ্বাসী হতে অনেকটা সাহায্য করেছে।’

তিনি বলেন, ‘আমার সবচেয়ে বড় মোটিভেশন ছিল-আমি বিশ্বাস করতাম, পরিশ্রম করলে সৃষ্টিকর্তা তার ফল দেবেন। এই বিশ্বাস থেকেই নিয়মিত পরিশ্রম করে গেছি। আমার বন্ধুরাও সবসময় আমাকে পড়াশোনার জন্য উৎসাহ দিত, যা মনোযোগ ধরে রাখতে অনেক সাহায্য করেছে। কখনো পড়তে ইচ্ছা করত না, তখন আমার অসুস্থ মায়ের কথা ভাবতাম। মায়ের প্রতি নিজের দায়িত্ববোধ থেকেই আবার পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ তৈরি হতো। আমার ডিপার্টমেন্টের শিক্ষকরাও নিয়মিত খোঁজখবর নিতেন, বিভিন্নভাবে সহযোগিতা ও উৎসাহ দিতেন। আর একটা বিষয় খুব গুরুত্বপূর্ণ-নিজেকে ডিসিপ্লিনের মধ্যে রাখা। আমার মনে হয়, আপনি যদি নিজের জন্য একটা নিয়ম তৈরি করে সেটার মধ্যে থাকতে পারেন, তাহলে মনোযোগ ধরে রাখাটা অনেক সহজ হয়ে যায়।’

জুডিশিয়ারির প্রস্তুতি কখন থেকে শুরু করা উচিত এ বিষয়ে দেবব্রত ভট্টাচার্য্য বলেন, ‘আমার মনে হয়, অন্য চাকরির প্রস্তুতি গ্র্যাজুয়েশন শেষ করার পর শুরু করা গেলেও জুডিশিয়ারির প্রস্তুতি সেভাবে নেওয়া যায় না। আইন বিভাগে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই একাডেমিক পড়াশোনার সঙ্গে জুডিশিয়ারির প্রস্তুতিও শুরু করা উচিত। আমি একাডেমিক জীবনে যে কোর্সগুলো জুডিশিয়ারির সিলেবাসের সঙ্গে মিলে যায়, সেগুলো খুব গভীরভাবে ও বিস্তারিতভাবে বুঝে পড়েছি। যারা এখন প্রস্তুতি নিচ্ছে, তাদেরও বলব-জুডিশিয়ারির সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো শুধু পরীক্ষার জন্য না পড়ে ভালোভাবে বুঝে, প্রয়োজনে রিসার্চ করে পড়তে হবে। শুরু থেকেই একাডেমিক পড়াশোনাকে গুরুত্ব দিয়ে প্রস্তুতি নিলে পরবর্তীতে আলাদা করে চাপ নেওয়ার প্রয়োজন অনেকটাই কমে যায়।’

যারা প্রস্তুতি নিচ্ছে এমন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দেবব্রত পরামর্শ দিয়ে বলেন, ‘যারা এখন প্রস্তুতি নিচ্ছে বা ভবিষ্যতে নেবে, তাদের বলব - প্রথমে বেসিক বিষয়গুলো খুব ভালোভাবে বুঝে পড়তে হবে। কোনো টপিক বাদ দিয়ে বা না বুঝে সামনে এগোনো যাবে না। পাশাপাশি একাডেমিক পড়াশোনায়ও মনোযোগ দিতে হবে। কারণ আমার মনে হয়, একাডেমিক জীবনটাই জুডিশিয়ারির প্রস্তুতি নেওয়ার সবচেয়ে ভালো সময়। অনার্স শেষ করার পর নানা ধরনের চাপ চলে আসে, তখন নতুন করে সবকিছু গুছিয়ে প্রস্তুতি নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। তাই একাডেমিক জীবন থেকেই যদি ধীরে ধীরে প্রস্তুতিটা গুছিয়ে নেওয়া যায়, তাহলে পরবর্তীতে চাপ অনেক কম থাকে। আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলব, শুরু থেকেই নিয়মিত ও গুছিয়ে পড়লে সফল হওয়া অনেক সহজ হয়।’

মেরিন ড্রাইভে চান্দের গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছে ধাক্কা, ১ …
  • ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আইকন প্লেয়ার হিসেবে দল পাননি মোস্তাফিজ-তাসকিন, যা বললেন তাম…
  • ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কোনো ম্যাচ না খেলেই যেভাবে সেমিফাইনালে ভারত-পাকিস্তান
  • ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
এসএসসির খাতা দেখায় অবহেলা করা পরীক্ষকদের তালিকা হচ্ছে: শিক্…
  • ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বুটেক্সের আবাসিক হলে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ফগিং ও পরিচ্ছন্নতা কা…
  • ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দেশের ১০০ গুণী শিক্ষককে সম্মাননা দেবে সরকার
  • ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬