দেশের ক্যাম্পাসগুলোতে ছাত্রদলের হামলার প্রতিবাদে ছাত্রশিবিরের ‘ছাত্র গণজমায়েত’ © টিডিসি ছবি
জুলাই সনদ বাস্তবায়নসহ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ ও ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদলের ওপর হামলার প্রতিবাদে ‘ছাত্র গণজমায়েত’ কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।
বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল ৯টায় রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে কর্মসূচি শুরু হয়ে রাজু ভাস্কর্যে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। এতে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মী ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। এ সময় জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন ও ‘২৪ এর গণহত্যার বিচার নিশ্চিতের দাবি জানানো হয়।
সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি রফিকুল ইসলাম খান, শিবির কাওকে ভয় পাবেনা । হাসিনা পালিয়েছিল এই দিনেই। রোন্না করা ভাত খেয়ে যেতে পারেননি। বর্তমান সরকার ভালোভাবে দেখেছে। সুতারাং সতরর্ক হোন। গতকাল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসায় হামলা চালানো হয়েছে। আজকের মধ্যেই বিচার নিশ্চিত করতে হবে। যদি সন্ত্রাসীদের বিচার করতে না পারেন, তাহলে দেশবাসী ধরে নিবে, আমরা ধরে নিব এ হামলার পেছনে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর হাত রয়েছে। আজকের মধ্যে বিচার নিশ্চিত করুন।
ছাত্রদলকে উদ্দেশ্যে করে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, তোমরা যদি সন্ত্রসী কার্যক্রম করো, ক্যাম্পাসে আবার গণরুম-গেস্টরুম চালু করো , দখল দারিত্বের রাজনীতি করো তোমাদের আমরা ছাত্রলীগের মতো অবস্থা করবো।
ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, জুলাইয়ের সবচেয়ে বড় ফেনেসিয়ারি বিএনপি। তারা জুলাইয়ের সুবিধা নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে। এসে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করে জাতির কাছে বেইমানের পরিচয় দিয়েছে। গতকাল যারা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যাম্পাসে হামলা করেছে, তারা কেউ ছাত্র নয়। তারা সন্ত্রাসী। সব বহিরাগত ছিল। তাদের ছাত্রত্ব শেষ হয়েছে আরো ২০-২৫ বছর আগে হামলা করেছে। তাদের ছেলেরাও ছাত্রদল করার যোগ্যতা হারিয়েছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলায় কেরাণীগঞ্জ, নারায়নগঞ্জ থেকে লোক এনে ও সেখানের স্থানীয় এমপির মদদে এ হামলা হয়েছে। জবির ২য় ক্যাম্পাসের ১০ হাজার কোটি টাকার কাজ তারা সেনাবাহিনীকে দিতে চায় না। তারা আগের মতো লুটপাটের চিন্তায় মেতেছে। সেনাবাহিনীকে দিতে হবে এ দাবি জানানোর কারনেই গতকাল এই সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, আপনি ছাত্রদলের লাগাম টেনে ধরেন। যদি আপনি লাগাম টেনে ধরতে পারেন, ছাত্রশিবির প্রত্যেক সন্ত্রাসীর দাঁত উপড়ে নিবে। আপনারা ছাত্রশিবিরকে চিনেন। বিগত ১৭ বছরে আপনাদের দেখা যায় নি। এর আগে মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলায় তেজগাঁও কলেজে তারা সাকিবকে হত্যা করেছে।
ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি সিবগাতুল্লাহ এর সঞ্চালনায় এ সময় শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম বুলবুল, শফিকুল ইসলাম মাসুদ, শিবিরের অফিস সম্পাদক আজিজুর রহমান আজাদ, জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলামসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন।