শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জের ঘটনা ভিডিওসহ চিত্রিত করলেন ফাইয়াজ

২৯ আগস্ট ২০২৫, ০৬:০৪ PM , আপডেট: ২৯ আগস্ট ২০২৫, ০৯:৫০ PM
আবরার ফাইয়াজ

আবরার ফাইয়াজ © টিডিসি ফটো

প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের গত বুধবারের  ‘লং মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচিতে পুলিশ লাঠিপেটা ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করেছে। ঐ দিনের ঘটনার বিবরণ দিয়েছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবরার ফাইয়াজ।

শুক্রবার (২৯ আগস্ট) সামজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে ৪টি পয়েন্ট উল্লেখ করে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জের ঘটনার ব্যাখা দিয়েছেন।

আবরার ফাইয়াজের পোস্টটি দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো-

'গত পরশুদিন যে হামলা হয়েছিলো পুলিশের পক্ষ থেকে তা নিয়ে এখন অনেককেই ডিফেন্ড করতে দেখতেছি। কিন্তু পুরো ঘটনাই ঘটেছে দায়িত্বরত পুলিশের গাফিলতি ও আনপ্রফেশনালিজম এর কারণে। নিচের পয়েন্ট গুলো ও কমেন্টের ভিডিওগুলো দেখলেই প্রমাণ পেয়ে যাবেন:

১. মিন্টুরোডে প্রবেশের মুখে পর্যাপ্ত পুলিশ ছিলো না। রাস্তার এক লেনে ব্যারিকেড থাকলেও আরেক লেন ছিলো সম্পূর্ণ ফাকা। শাহবাগে ৪-৫ হাজার শিক্ষার্থী বসে আছে, যারা সচিবালয় বা যমুনা যেকোনো দিকে যেতে পারে অথচ ব্যারিকেড দেওয়ার মতো পুলিশ নাই। আমাদের কথা ছিলো আমরা ইন্টারকন্টিনেন্টাল এর সামনে ৩টা পর্যন্ত অপেক্ষা করবো কিন্তু যেয়ে দেখি রাস্তায় ব্যারিকেডই নাই। আমরা হাত দিয়ে স্লো করলাম, পুলিশে ব্যারিকেড রেইনফোর্স না করে পোলাপানরে কিল-ঘুষি দিতে লাগলো। ফলাফল পোলাপান রেগে মিন্টুরোডে ঢুকে গেলো। ( ভিডিও-১ কমেন্টে)

২. আপনি চাইতেছেন না শিক্ষার্থীরা যমুনার দিকে যাক, তাহলে আপনি স্টুডেন্টদের সামনে টিয়ারশেল সাউন্ড গ্রেনেড মারবেন যেনো সামনে অগ্রসর না হয়। কিন্তু পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড মারলো স্টুডেন্টদের মাঝে। ফলাফল সামনে থাকা স্টুডেন্টরা ভয় পেয়ে দৌড়ে দিলো সামনের দিকেই। (ভিডিও-২ কমেন্টে)

৩. সাউন্ড গ্রেনেড মারার পরেও স্টুডেন্টদের থামানো হলো। ডিসি মাসুদ নিজে দেখলেন স্টুডেন্টরা আর আগাচ্ছে না। পুলিশও যথেষ্ট দূরে অবস্থান নিলো স্টুডেন্টদের থেকে। কিন্তু যারা বসে গেছে, তাদের পায়ের কাছে মারা হলো সাউন্ড গ্রেনেড। যারা হাত দিয়ে ব্যারিকেড বানিয়ে রেখেছিলো তাদের একজন মাটিতে পড়ে গেলো আঘাতে। মূলত তাদেরই যেনো টার্গেট করা হলো। (ভিডিও-৩ কমেন্টে)

৪. মিন্টু রোড থেকে যাওয়ার পরে শাহবাগ মেট্রোর নিচে পর্যন্ত যাকেই একা পেয়েছে তাকেই পিটিয়েছে পুলিশ। বাংলাদেশের কোন আইনে তা করা হলো? ওই এলাকায় তো ১৪৪ ধারা নাই।

আমাদের দোষ ছিলো না এমন না, কিন্তু একই দোষে কেউ পায় স্প্রে ক্যাননের পানি আর কেউ পায় জলকামানের পানি। এই যে একের পর এক উস্কানি দিয়ে ভয়ানক পরিস্থিতি সৃষ্টি করলো, এই দক্ষতা সম্পন্ন পুলিশ যদি দেশের প্রধানের বাড়ির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকে তাহলেই ভাবেন কী অবস্থা।'

চাঁদপুরের পাঁচ আসনে ৩৫ প্রার্থীর মধ্যে একমাত্র নারী প্রার্থ…
  • ২২ জানুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন, মুনাফা পাবেন ৫ ব্যাংক…
  • ২২ জানুয়ারি ২০২৬
বিশ্বকাপ ইস্যুতে মুখ খুলছে না বিসিবি, কী আছে ভাগ্যে?
  • ২২ জানুয়ারি ২০২৬
মতলবে গ্যাস সিলিন্ডারের সংকট চরমে, দিশেহারা সাধারণ মানুষ
  • ২২ জানুয়ারি ২০২৬
কারিগরি শিক্ষা আধুনিকায়ন করা হবে: তারেক রহমান
  • ২২ জানুয়ারি ২০২৬
ক্যাশলেস সিস্টেমে প্রবেশ করতে যাচ্ছে যবিপ্রবি
  • ২২ জানুয়ারি ২০২৬