পাকিস্তানের বলারদের খেলতেই পারছিলেন না টাইগাররা © সংগৃহীত
ঠিক যেন এমনটাই হওয়ার কথা ছিল। একজন আউট হলে যেন খেই হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ। শান্তর আউটের পর যেন পথই খুজে পাচ্ছে না টাইগাররা। যেখানে ১০.৩ ওভার, ৭৩ রান, ১ উইকেট। এক সময় বাংলাদেশের স্কোর ছিল এমন। সেটিই ২০ ওভার শেষে গিয়ে দাঁড়াল ৮ উইকেটে ১২৭ রানে।
ডেথ ওভারে বাংলাদেশের ব্যাটিং আগের মতোই থেকে গেলো। বরাবরই ডেথ ওভারে ভালো বোলিং করে থাকে পাকিস্তানি বোলাররা।
লিটন শুরুতে ফিরলেও নাজমুল ও সৌম্যর জুটিতে বাংলাদেশ পেয়েছিল ভালো একটা ভিতই। শাহিন শাহ আফ্রিদির শর্ট বলে কাট করতে গিয়ে বিপদ ডেকে আনলেন লিটন। সরাসরি ক্যাচ গেছে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টের হাতে। লিটন ফিরে গেছেন ৮ বলে ১০ রান করে, ২১ রানে প্রথম উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ।
এরপর শাদাব খানকে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে এরপর ক্যাচ দেন সৌম্য। ৫২ রানের জুটি ভেঙেছে তাতে, সৌম্য ফিরেছেন ১৭ বলে ২০ রান করে। ঠিক পরের বলেই আম্পায়ারের বিতর্কিত সিদ্ধান্তে ফিরতে হয় সাকিবকে। অ্যাডিলেডে বাংলাদেশ পথ হারায় এরপর। শেষ ৯.৩ ওভারে ৫৩ রান তুলতেই ৭ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
নিজের দ্বিতীয় অর্ধশতকের পর ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে এসে খেলতে চেয়েছিলেন নাজমুল, তবে ইফতিখারের লেংথ ছিল শর্ট। বলের নাগাল না পেয়ে বোল্ড হন নাজমুল। তার পরের বলেই আম্পায়ারের বিতর্কিত সিদ্ধান্তে ফিরতে হয় সাকিবকে।
এর পরই আফ্রিদির রাউন্ড দ্য উইকেট থেকে ভেতরের দিকে ঢোকা ফুললেংথের বলে বোল্ড হন মোসাদ্দেক। ১০ বলে ৫ রান করে ফিরেন তিনি।
এরপর একবল পরেই মোহাম্মদ হারিসের হাতে ক্যাচ আউট হয়ে ফিরে যান নুরুল হাসান সোহনও। তুলে মারতে গিয়েছিলেন নুরুল, তবে লেংথ ছিল না অমন। কাভারে ধরা পড়েছেন কোনো রান না করেই। ওভারে আফ্রিদির দ্বিতীয় আঘাত।
এই ধারা অব্যহত রেখে ফিরে গেছেন তাসকিন আহাম্মেদ-নাসুম আহাম্মেদ। শাহিন আফ্রিদির বলে বোল্ড হওয়া থেকে বেচে গেলেও বাবর আজমের হাতে পরবর্তীতে ক্যাচ তুলে দেন তাসকিন।
২০ তম ওভারে এসে হারিস রাউফের বলে প্যাড থেকে হেভ-হো করার চেষ্টা করতে গিয়ে ডিপ মিড-উইকেটকে মোহাম্মদ ওয়াসিমের হাতে বল তুলে দেন নাসুম।
শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন আফিফ হোসেন ও মুস্তাফিজুর।