জেএসসি-জেডিসির ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণে ৯৫ হাজার আবেদন

১৩ জানুয়ারি ২০১৯, ০৭:০৮ PM

© ফাইল ফটো

জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণে জন্য আবেদন পড়েছে প্রায় ৯৫ হাজার। প্রত্যাশিত ফলাফল না পাওয়ায় খাতা পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করে পরীক্ষার্থীরা। ফলাফল প্রকাশের পরদিন ২৫ ডিসেম্বর থেকে ২ জানুয়ারি পর্যন্ত আবেদনের সুযোগ ছিল। বিষয়ভিত্তিক আবেদনের র্শীষে রয়েছে গণিত, ইংরেজি ও বিজ্ঞান বিষয়। বিষয়ভিত্তিক ৭৮ বা ৭৯ নম্বর পেয়েও কয়েক হাজার পরীক্ষার্থী আবেদন করেছে বলে জানা যায় শিক্ষা বোর্ড সূত্রে। 

অভিভাবক ও পরীক্ষার্থীদের ধারণা পুনঃনিরীক্ষণে এক বা দুই নম্বর বাড়লেই ফেল থেকে পাস করবেন। আবার অনেকে জিপিএ-৫ বা সব বিষয়ে জিপিএ-৫ পাবেন। তবে বোর্ড কর্মকর্তারা দাবি করেন, সব বিষয়ে নম্বর দেখার সুযোগ করে দেয়ার কারণেই আবেদনের সংখ্যা বেড়েছে। পাশাপাশি এবার চতুর্থ বিষয় যোগ না হওয়ায় জিপিএ-৫ কমে গেছে। এ কারণে আবেদন বেশি এসেছে। ২৪ জানুয়ারি পুনঃনিরীক্ষণে ফল প্রকাশ করা হবে বলে বোর্ড সূত্রে জানা গেছে। আবেদন করতে প্রতি বিষয়ে পরীক্ষার্থীদের ১২৫ টাকা করে ফি দিতে হয়েছে। এতে বোর্ডগুলোর অন্তত আড়াই কোটি টাকা বাড়তি আয় হয়েছে। গত ২৫ ডিসেম্বর থেকে ২ জানুয়ারি পর্যন্ত অনলাইনে ফল পুনঃনিরীক্ষণের এসব আবেদন এসেছে।

২০১৮ শিক্ষাবর্ষের জেএসসি-জেডিসির বাংলা ও ইংরেজি বিষয়ের দুটি পত্রকে একত্রিত করা হয়। এ কারণে বাংলা ২য় পত্র ও ইংরেজি ২য় পত্র বিষয়ের আলাদাভাবে পরীক্ষা হয়নি। তবে প্রায় সব বোর্ডে বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ বিজ্ঞানে বেশি পুনঃনিরীক্ষণে আবেদন এসেছে।

ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক তপন কুমার সরকার বলেন, যারা প্রত্যাশা অনুযায়ী জিপিএ-৫ পায়নি বা ফেল করেছে তারাই আবেদন করেছে। বিগত বছরের তুলনায় ঢাকা বোর্ডে আবেদনের সংখ্যা বেশি নয়। তিনি আরও বলেন, প্রথা অনুযায়ী ফল প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে পুনঃনিরীক্ষণের ফলাফল প্রকাশিত হয়। সে অনুযায়ী ২৪ জানুয়ারির মধ্যে পুনঃনিরীক্ষণের ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

বিভিন্ন শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকরা জানান, পুনঃনিরীক্ষণে সাধারণত চারটি বিষয় দেখা হয়। এগুলো হলো- উত্তরপত্রে সব প্রশ্নের সঠিকভাবে নম্বর দেয়া হয়েছে কি-না, প্রাপ্ত নম্বর গণনা ঠিক হয়েছে কি-না, প্রাপ্ত নম্বর ওএমআর শিটে উঠানো হয়েছে কি-না এবং প্রাপ্ত নম্বর অনুযায়ী ওএমআর শিটে বৃত্ত ভরাট সঠিকভাবে করা হয়েছে কি-না। এসব বিষয় পরীক্ষা করেই পুনঃনিরীক্ষার ফল দেয়া হয়।

বোর্ড কর্মকর্তারা বলেন, কোনো শিক্ষার্থীর উত্তরপত্র পুনরায় মূল্যায়ন হয় না। পুনঃনিরীক্ষণে যেসব ফল পরিবর্তন হয় তা মূলত; পরীক্ষকদের ভুলের কারণে। দেখা গেছে, একজন পরীক্ষার্থী ৮২ নম্বর পেয়েছে সেটাকে পরীক্ষক ওএমআর শিটে ২৮ পূরণ করেছে। ফলে শিক্ষার্থী ফেল করে।

প্রসঙ্গত, গত ২৪ ডিসেম্বর জেএসসি-জেডিসির ফলাফল প্রকাশিত হয়। উভয় পরীক্ষার ফলাফলের পাসের হারে কিছুটা বাড়লেও সবগুলো সূচকেই গতবারের তুলনায় খারাপ হয়েছে। ২০১৮ সালে মেয়েদের পাসের হার ৮৬ দশমিক ৪৩ শতাংশ এবং ছেলেদের ৮৫ দশমিক ১২ শতাংশ। যা গত বছর ছিল যথাক্রমে ৮৩ দশমিক ৭৩ শতাংশ এবং ৮৩ দশমিক ৫৬ শতাংশ ছিল।

বিএনপি নেত্রীদের বাইরে পেতে যাচ্ছেন জোট শরীকরাও
  • ০৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন সহায়তাকেন্দ্র স্থাপনে ডিপিডিটি–ড্যাফোডি…
  • ০৮ এপ্রিল ২০২৬
চিকিৎসক-শিক্ষার্থী দ্বন্দ্বে ঢামেক হাসপাতালে জরুরি বৈঠক শুরু
  • ০৮ এপ্রিল ২০২৬
বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজের সময় পরিবর্তন
  • ০৮ এপ্রিল ২০২৬
লেবাননে হামলা অব্যাহত রাখলে যুদ্ধবিরতি থেকে বের হয়ে যাবে ইর…
  • ০৮ এপ্রিল ২০২৬
স্বাস্থ্যখাতে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে প্রয়োজন বিজ্ঞানভিত্…
  • ০৮ এপ্রিল ২০২৬
close