সরকারিতে বাড়লেও মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম কমেছে বেসরকারিতে

১০ ডিসেম্বর ২০২২, ০১:৫৫ PM , আপডেট: ২৮ আগস্ট ২০২৫, ০২:৪৭ PM
সরকারিতে বাড়লেও মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম কমছে বেসরকারিতে

সরকারিতে বাড়লেও মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম কমছে বেসরকারিতে © ফাইল ছবি

ডিজিটাল বাংলাদেশে প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা বা পাঠদানে সরকারের আগ্রহ থাকলেও প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে তার প্রতিফলন ঘটছে না। আশংকার বিষয় সামগ্রিক হিসেবে, দেশের মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষায়তনে কমছে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের সংখ্যা।  মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের সংখ্যা কমার হারে সরকারি প্রতিষ্ঠানের তুলনায় বেশি কমেছে বেসরকারি মাধ্যমিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে। 

পরিসংখ্যান বলছে, দেশের মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম নেই ৪ হাজার ৯৯৯টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। শতাংশের হিসেবে যে হার ২২ দশমিক ৪২ শতাংশ। এ তথ্য জানানো হয়েছে বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) এর বার্ষিক প্রতিবেদনে। তাদের তথ্য বলছে, দেশের মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম রয়েছে ১৬ হাজার ২৬১টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে; যা দেশের মোট বিদ্যালয়গুলোর ৭৭ দশমিক ৫৮ শতাংশ। তবে দেশের সরকারি মাধ্যমিকে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম বাড়লেও কমছে বেসরকারি বিদ্যালয়গুলোতে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, দেশে বর্তমানে সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ২০ হাজার ৯৬০টি। এরমধ্যে সরকারি প্রতিষ্ঠান ৬৮৪টি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২০ হাজার ২৭৬টি। এসব প্রতিষ্ঠানে পাঠদানে কর্মরত আছেন ২ লাখ ৬৬ হাজার ৫৬৮ জন শিক্ষাগুরু। পাশাপাশি দেশে মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা এক কোটি এক লাখ ৯০ হাজার ২২জন। এদের মধ্যে ছাত্রী সংখ্যা ৫৫লাখ ৭১ হাজার ৩৪৮ জন। দেশের ৬৮৪ টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম রয়েছে ৬৫৯টি। আর ২০ হাজার ২৭৬টি বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম রয়েছে ১৫ হাজার ৮৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। দেশের সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম সুবিধা পায় ৭৯ লাখ ৫ হাজার ২২ জন বিপরীতে এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে দেশের ২২ লাখ ৮৪ হাজার ৬০৩ জন শিক্ষার্থী।

আমাদের দক্ষ জনবলের অভাবের সুযোগ নিয়ে পার্শ্ববর্তী ভারত ও শ্রীলঙ্কার মতো দেশ আমাদের দেশ থেকে প্রায় ৫-৬ বিলিয়ন ডলার আয় করছে। সেজন্য এই অর্থনীতিবিদ মনে করেন শিক্ষা এবং দক্ষতার সম্মিলন ঘটাতে হবে। সেজন্য দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা বিশেষকরে তথ্য ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় হাতেকলমে শিখিয়ে আমাদের শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে—ড. কাজী খলীকুজ্জামান

ব্যানবেইসের প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়েছে, গত এক বছরে দেশের মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম না বেড়ে বরং কমেছে ১ দশমিক ৩৯ শতাংশ। বর্তমানে দেশের মাধ্যমিক মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম রয়েছে ৭৭. ৫৮ শতাংশ প্রতিষ্ঠানে। যা ২০২০ সালে ছিল ৭৮ দশমিক ৯৭ শতাংশ। এর আগে যা ছিল ২০১৯ সালে ৭৮দশমিক ৮৪  শতাংশ। সে হিসেবে দেশের মাধ্যমিক শিক্ষা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোতে কমছে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের সংখ্যা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রযুক্তিভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণ বিশেষ করে প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা-ব্যবস্থা বিনির্মাণে বাধা হিসেবে কাজ করছে বড় সংখ্যক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম না থাকা। তারা আরও বলছেন, ২০৪১ সালের মধ্যে দেশের সব স্কুলের সব শ্রেণিকক্ষের মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমে প্রবেশ ও দেশের শিক্ষা মাধ্যমে তখন 'চক-ডাস্টারের' শ্রেণীকক্ষ না রাখার এ উদ্যোগের সাফল্য আনতে শুধুমাত্র মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন করলেই হবে না বরং সার্বিক সাফল্য আনতে কাজ করতে হবে পরিকল্পিত দক্ষতার সাথে।

আরও পড়ুন: ৫৭ শতাংশ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কম্পিউটার নেই, পাঠ্যবইয়ে সীমাবদ্ধ প্রযুক্তি শিক্ষা

যদিও জাতীয় শিক্ষানীতিতে বলা হয়েছিল, দেশের শিক্ষার্থীদের তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষা ও প্রযুক্তি মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মান ও গুণ সম্পন্ন করে শিক্ষিত ও প্রশিক্ষিত জনবল তৈরির প্রচেষ্টা চালানো হবে তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক মাধ্যমকে শিক্ষার প্রসারে কাজে লাগানোর মাধ্যমে। সেজন্য তথ্যপ্রযুক্তিকে শুধুমাত্র কম্পিউটার বিজ্ঞানের মাঝে সীমিত না রেখে মোবাইল ফোন, রেডিও, টেলিভিশন, নেটওয়ার্কিং কিংবা সকল তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণের ব্যাপক অর্থে ব্যবহার করার জন্য শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে শেখানো হবে প্রযুক্তিমাধ্যম। যার প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা করবে সরকার তথা শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানগুলো।

জাতীয় শিক্ষানীতিতে আরও স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, মাধ্যমিক পর্যায়ে প্রবেশের আগেই সকল শিক্ষার্থীকে তথ্যপ্রযুক্তি ও তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে শিক্ষিত করা হবে। একইসঙ্গে, শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান ও গণিত বিষয়ের সঙ্গে কম্পিউটার বিষয় নিয়ে পড়াশোনা সুযোগ করে দেয়া হবে; যা হবে হাতে-কলমে। আর শেখানোর এ কাজকে সহজ করতে যা করা হবে ভিজ্যুয়াল(অডিও, ভিডিও এবং সচিত্র) মাধ্যমে অর্থাৎ মাল্টি-টাস্কিং সুবিধা-সম্পন্ন মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমে। কিন্তু, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম না থাকা, দক্ষ শিক্ষক না থাকা, অবকাঠামো ও ইন্টারনেটসহ নানা সীমাবদ্ধতার কারণে সম্ভব হচ্ছে না শিক্ষার্থীদের মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের মাধ্যমে পাঠদানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে গড়ে তোলার প্রচেষ্টা।

আমাদের কারিকুলামের যথাযথ বাস্তবায়ন, সবার অংশগ্রহণ, শিক্ষক স্বল্পতা দূরীকরণ ও তাদের যথাযথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে গড়ে তোলা এবং সামগ্রিক বিষয়কে তদারকি করতে পারলে সাফল্য আসবে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের মাধ্যমে পাঠদানের লক্ষ্যমাত্রায়। পাশাপাশি, যারা এ সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে তাদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থার মাধ্যমে তাদের প্রযুক্তিতে দক্ষ করার মাধ্যমে সাফল্য আসবে প্রযুক্তিভিত্তিক বা মাধ্যমের শিক্ষায় দক্ষ জনশক্তি তৈরি করার প্রচেষ্টায়—অধ্যাপক মো. শাহনেওয়াজ খান চন্দন

সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে ‘এটুআই’ প্রকল্পের আওতায় এ প্রকল্প চালু করা হয় ২০১১ সালে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১২ সালের মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের উদ্বোধন করেন। ওই প্রকল্পের আওতায় দেশে ২০ হাজার ৫০০ স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় একটি করে কম্পিউটার ল্যাব ও মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন করা হয়েছিল। প্রতিষ্ঠানগুলোতে একটি ল্যাপটপ, ইন্টারনেট মডেম, স্ক্রিনসহ মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর এবং সাউন্ড সিস্টেম প্রদান করা হয়েছিল।

এরপর ২০১৫ সালে প্রকল্পটি শেষ হলে 'আইসিটি ফেজ-২' প্রকল্প হাতে নেয় সরকার। ২০১৬ সালে নেয়া ওই প্রকল্পের লক্ষ্য ছিল দেশের ৩১ হাজার ৩৪০টি ডিজিটাল ক্লাসরুম চালু করা। এ প্রকল্পটি যাত্রা শুরু করে ২০১৭ সালে এবং প্রকল্পটি সরকারি খাতে স্থানান্তর করা হয় ২০২০ সালে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন উইং এর বাস্তবায়ন ও মনিটরিং এ দায়িত্ব পায় তখন। তবে ২৫ হাজারের বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাল্টিমিডিয়া উপকরণের কোনো অস্তিত্ব বা হদিস পাওয়া যায়নি সরকারি খাতে হস্তান্তরের আগে প্রকল্পের অধীন চালু করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে। আর এ কার্যক্রমকে সফল করতে ও সক্রিয় রাখতে করা হয়েছিল সমন্বিত মনিটরিং কমিটি; যাতে দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল জেলা প্রশাসক ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে।

দেশের মাধ্যমিক স্তরের যেসব প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম  রয়েছে তার থেকেও সাফল্য আনা যাচ্ছে না দক্ষ শিক্ষক না থাকার কারণে। পর্যবেক্ষণ বলছে, মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষক ছাড়াও নিরবিছিন্ন বিদ্যুৎ, ধীরগতির ইন্টারনেট বা ইন্টারনেট না থাকা, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো এবং সার্বিক দক্ষতার অভাবে প্রাতিষ্ঠানিক সাফল্য আসছে না। যদিও সরকারের লক্ষ্য, দেশে ২০৪১ সালের মধ্যেই ই-বুক যুগ অর্থাৎ কাগুজে বইয়ের বিকল্প চিন্তার বাস্তবায়ন করা। সেজন্য শ্রেণিকক্ষে শতভাগ শিক্ষার্থীদের জন্য পাঠদান পদ্ধতি মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের মাধ্যমে সম্পন্ন করার লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে।

এ বিষয়ে অর্থনীতিবিদ, উন্নয়ন চিন্তাবিদ ও জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়ন কমিটির কো-চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জমান দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, শিক্ষার্থীদের হাতেকলমে শেখানোর ক্ষেত্রে বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম থাকাটা অপরিহার্য। আমাদের বিভিন্ন বিদ্যালয় থেকে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম না থাকার বিষয়টি একটি বড় সীমাবদ্ধতা। একইসঙ্গে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম আছে কিন্তু যন্ত্রপাতি ও উপকরণ নেই, দক্ষ জনবল নেই, ইন্টারনেট নেই কিংবা অবকাঠামো নেই-এমন সব সমস্যারও সমাধান করা দরকার।

আরও পড়ুন: বিজ্ঞানের ল্যাব নেই ৩০ শতাংশ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে

ড. কাজী খলীকুজ্জমান মনে করেন, এতে শিক্ষায় বৈষম্য তৈরি হচ্ছে; পাশাপাশি প্রচলিত শিক্ষায় সমান সুবিধা না পাওয়া একজন শিক্ষার্থী শিক্ষিত হতে পারছে না পরিপূর্ণভাবে। তিনি বলেন, আমরা প্রচলিত শিক্ষায় প্রয়োজনভিত্তিক দক্ষ জনবল তৈরি করতে পারছি না। একজন শিক্ষার্থী কোনও কিছু না শিখতে পারলে সে অদক্ষ হয়ে বা না শিখে বড় হবে। যার প্রভাব তার পরবর্তী জীবন ও কর্মে পড়বে। এতে দেশের আগামীর অর্থনীতিতে যার প্রভাব পড়বে। তিনি বলেন, দক্ষ জনবল না থাকলে তো আপনি কাজ করতে পারবেন না। 

তিনি দেশের বেসরকারি খাতের উদাহরণ দিয়ে বলেন, আমাদের দক্ষ জনবলের অভাবের সুযোগ নিয়ে পার্শ্ববর্তী ভারত ও শ্রীলঙ্কার মতো দেশ আমাদের দেশ থেকে প্রায় ৫-৬ বিলিয়ন ডলার আয় করছে। সেজন্য এই অর্থনীতিবিদ মনে করেন শিক্ষা এবং দক্ষতার সম্মিলন ঘটাতে হবে। সেজন্য দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা বিশেষকরে তথ্য ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় হাতেকলমে শিখিয়ে আমাদের শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে।

দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম না থাকার ফলে মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীরা মারাত্মক বৈষম্যের শিকার হচ্ছে জানিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের সহকারী অধ্যাপক মো. শাহনেওয়াজ খান চন্দন দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে জানান, আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা অনেকটা শিক্ষক নির্ভর অর্থাৎ আমাদের শিক্ষকরা যা বলেন তাই শিখতে হবে। এমন ধারা থেকে বের হতে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য পাঠদানকে আনন্দময় করতে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম করা হয়েছে। যা আমাদের নতুন শিক্ষানীতিতেও বলা হয়েছিল এবং আমি আশাবাদী এ নীতি বাস্তবায়ন করতে পারলে আমাদের শিক্ষার্থীরা তথ্য ও প্রযুক্তিতে দক্ষ হয়ে উঠবে।

সমস্যা সমাধানে তিনি মনে করেন আমাদের কারিকুলামের যথাযথ বাস্তবায়ন, সবার অংশগ্রহণ, শিক্ষক স্বল্পতা দূরীকরণ ও তাদের যথাযথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে গড়ে তোলা এবং সামগ্রিক বিষয়কে তদারকি করতে পারলে সাফল্য আসবে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের মাধ্যমে পাঠদানের লক্ষ্যমাত্রায়। পাশাপাশি, যারা এ সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে তাদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থার মাধ্যমে তাদের প্রযুক্তিতে দক্ষ করার মাধ্যমে সাফল্য আসবে প্রযুক্তিভিত্তিক বা মাধ্যমের শিক্ষায় দক্ষ জনশক্তি তৈরি করার প্রচেষ্টায়—যুক্ত করেন মো. শাহনেওয়াজ খান চন্দন।

অনুমোদন পেল মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির ১৫৮ কোটি টাকার একাডেমিক …
  • ১২ জানুয়ারি ২০২৬
‘ইরানে চলমান বিক্ষোভে নিহত পাঁচ শতাধিক’
  • ১২ জানুয়ারি ২০২৬
১৯ দিনেও সন্ধান মেলেনি মাদ্রাসাছাত্র ফারহানের
  • ১২ জানুয়ারি ২০২৬
কুমিল্লা পলিটেকনিক শিবিরের নেতৃত্বে রিফাত-আসিফ
  • ১২ জানুয়ারি ২০২৬
ডুয়েটে শহীদ ওসমান হাদির নামে প্রস্তাবিত গবেষণা ভবনের নামকরণ
  • ১২ জানুয়ারি ২০২৬
কর্মজীবী মা ও সন্তানের আবেগঘন গল্পে নাটক ‘মা মনি’
  • ১২ জানুয়ারি ২০২৬
X
UPTO
100%
MERIT BASED
SCHOLARSHIP
ADMISSION OPEN FOR
SPRING 2026
Application Deadline Wednesday, 21 January, 2026
Apply Now

Programs Offered

  • BBA
  • Economics
  • Agriculture
  • English
  • CSE
  • EEE
  • Civil
  • Mechanical
  • Tourism & Hospitality
01810030041-9