মহাসমাবেশে বাধা, সমাপনী পরীক্ষা বর্জনের হুমকি প্রাথমিক শিক্ষকদের

২৩ অক্টোবর ২০১৯, ১১:২২ AM

© সংগৃহীত

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড এবং সহাকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড দেওয়ার এক দফা দাবিতে রাজধানীতে জড়ো হয়েছেন শিক্ষকরা। বেতন বৈষম্য নিরসনে এক দফা দাবিতে আজ বুধবার ঢাকায় মহাসমাবেশ করবেন তারা। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকদের মোট ১৪টি সংগঠন মিলে গঠিত হওয়া ‘বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদ’-এর ডাকে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, দেশের ৫৬ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাড়ে তিন লাখ শিক্ষকের মধ্যে অন্তত এক লাখ শিক্ষককে এ সমাবেশে হাজির করা তাদের টার্গেট।

ঐক্য পরিষদের একাধিক নেতা সাংবাদিকদের জানান, প্রাথমিক শিক্ষকদের মর্যাদা নিশ্চিত করা ও বেতন বৈষম্য নিরসন করা না হলে তারা আগামী মাসে অনুষ্ঠিতব্য প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা-২০১৯ বর্জনের ডাক দিতে পারেন। আজকের মহাসমাবেশে শিক্ষকদের চাওয়া বুঝে তারপর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

জানা গেছে, আজ বুধবার সকাল ১১টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পূর্বঘোষিত মহাসমাবেশ করার কথা ছিলো প্রাথমিক শিক্ষকদের। তবে পুলিশি বাধায় তা সম্ভব হয়নি। পরে তাঁরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দোয়েল চত্বর এলাকায় অবস্থান নেন।

সেখানে দাবি পূরণ করার জন্য আগামী ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছেন তারা। এরমেধ্যে বেতন বৈষম্যের নিরসন না করা হলে এবং প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের ব্যবস্থা না করলে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা বর্জন করার হুমকি দেন তারা।

আগামী ১৭ নভেম্বর থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এরমধ্যে দাবি পূরণ না হলে বার্ষিক পরীক্ষাও বর্জন করবেন। তারপর বিদ্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেবেন তারা। ঐক্য পরিষদের সদস্যসচিব মোহাম্মদ শামসুদ্দিন মাসুদ নতুন কর্মসূচির কথা জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘দোয়েল চত্বরে পরিষদের আহবায়ক আনিসুর রহমান কর্মসূচি ঘোষণা করে আজকের কর্মসূচি শেষ করেন। তবে এই ঘোষণার পরেও অনেক শিক্ষক ওই এলাকায় এখনো বিক্ষিপ্তভাবে রয়ে গেছেন।’

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বেতন ১১তম গ্রেড এবং প্রধান শিক্ষকদের বেতন ১০ম গ্রেডে উন্নীত করার দাবিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন। কিছুদিন আগে তারা বিদ্যালয়ে কর্মবিরতিও পালন করেছেন।

বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রশিক্ষণ পাওয়া প্রধান শিক্ষকেরা ১১তম গ্রেডে এবং প্রশিক্ষণবিহীন প্রধান শিক্ষকেরা ১২তম গ্রেডে বেতন পান। আর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকরা ১৪তম গ্রেডে ও প্রশিক্ষণবিহীন শিক্ষকরা ১৫তম গ্রেডে বেতন পাচ্ছেন।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ২৫ পদে নিয়োগ দেবে কর্মকর্তা-কর্মচ…
  • ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের ভাইভা কবে, যা বলছে মন্ত্রণালয়
  • ১১ আগস্ট ২০২৬
খুবি ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, নৌপরিবহন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে …
  • ১১ আগস্ট ২০২৬
ইসলামী ব্যাংকের উপশাখাগুলোর অর্ধবার্ষিক ব্যবসায় উন্নয়ন সম্ম…
  • ১১ আগস্ট ২০২৬
জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ছুরিকাঘাতে চাচাতো ভাইয়ের মৃত্যু
  • ১১ আগস্ট ২০২৬
সিরিয়ার পলাতক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের মৃত্যুদণ্ড
  • ১১ আগস্ট ২০২৬