রোহিঙ্গা শিশুদের শিক্ষায় মেগাঋণ বিশ্বব্যাংকের

০৬ নভেম্বর ২০১৮, ০৫:১১ PM
পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ৬০ ভাগই শিশু

পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ৬০ ভাগই শিশু

রোহিঙ্গা শিশুদের ঝরে পড়া রোধে ২ কোটি ৫০ লাখ ডলার (২০৯কোটি ১৬ লাখ) ঋণ দিচ্ছে বহুজাতিক সংস্থা বিশ্বব্যাংক। দেশের প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে এই অর্থ ব্যায় হবে। ‘টেকসই বনায়ন এবং জীবিকায়ন’ শীর্ষক এক প্রকল্পের আওতায় ‘ঝরে পড়া শিশুদের স্কুলে ফিরিয়ে আনা’ কর্মসূচিতে এই ঋণ প্রদান করা হচ্ছে। 

জানা যায় , বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ৩ লাখ ৭০ হাজার রোহিঙ্গার বয়স ১৮ বছরের নিচে, যা মোট জনগোষ্ঠীর ৫৫ শতাংশ। কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ৭৩ শতাংশের কোনো অক্ষর জ্ঞান নেই। মূলত এ বিষয়টি মাথায় নিয়েই রোহিঙ্গা শিশুদের রক্ষায় কাজ করবে বিশ্ব ব্যাংক। সোমবার রাজধানীর শেরেবাংলানগরের এনইসি সম্মেলনকক্ষে এ সংক্রান্ত একটি চুক্তি সই হয়। চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) ভারপ্রাপ্ত সচিব মনোয়ার আহমেদ এবং বিশ্বব্যাংকের পক্ষে ঢাকায় নিযুক্ত সংস্থাটির আবাসিক প্রধান চিমিয়াও ফান সই করেন।

এ সময়, ‘টেকসই বনায়ন এবং জীবিকায়ন’ শীর্ষক একটি প্রকল্পের জন্য ১৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার এবং ‘ঝরে পড়া শিশুদের স্কুলে ফিরিয়ে আনা’ শীর্ষক প্রকল্পে অতিরিক্ত অর্থায়ন হিসেবে দুই কোটি ৫০ লাখ ডলার অর্থাৎ মোট ২০ কোটি টাকার অনুদান প্রদানে চুক্তি স্বাক্ষর করে বিশ্বব্যাংক।

চুক্তি সই অনুষ্ঠানে ইআরডি সচিব জানান, ঝরে পড়া শিশুদের স্কুলে ফিরিয়ে আনা প্রকল্পের আওতায় আড়াই কোটি ডলার অনুদান দেবে বিশ্ব ব্যাংক। যা কক্সবাজার এলাকার রোহিঙ্গা শরণার্থী শিশু ও তরুণদের অনানুষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগ করে দিতে ব্যবহার করা হবে। অনুদানের অর্থ দিয়ে পাঠ্যপুস্তক ও উপকরণ সামগ্রীর পরিকল্পনা, নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়ন, মহিলা শিক্ষক নিয়োগ এবং ক্যাম্পের মধ্যে নতুন শিক্ষাকেন্দ্র তৈরি করা হবে বলে তিনি জানান ।

সম্প্রতি সফরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যান জাতিসংঘ মহাসচিব ও বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট

 

জানা যায়, প্রকল্পটির বাড়তি অর্থায়ন হিসেবে আড়াই কোটি ডলার অনুদান কক্সবাজার জেলায় আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থায়। এ ক্ষেত্রে অনানুষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে পাঠ্যপুস্তক ও উপকরণ সামগ্রীর পরিকল্পনা, নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যবিধি ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, নারী শিক্ষক নিয়োগ, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের জন্য নতুন শিক্ষাকেন্দ্র  তৈরি করা হবে। এছাড়া বিদ্যমান শিক্ষাকেন্দ্রকে সহায়তা দেওয়া, ক্যাম্পের শিক্ষাকেন্দ্রের জন্য শিক্ষক ও প্রশিক্ষক নিয়োগ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের আবাসিক প্রধান চিমিয়াও ফান বলেন, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য বিশ্বব্যাংক অনুদান দিয়ে সহায়তা করছে। এসব সহায়তা শুধু রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী যে উপকার পাবেন তা নয়, স্থানীয় জনগোষ্ঠীও উপকৃত হবে।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি বাংলাদেশ সফরে এসে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে যান বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম। পরে সংস্থার এক বিবৃতিতে জিম ইয়ং কিম উল্লেখ করেন, রোহিঙ্গাদের স্বাস্থ্যসেবার পাশাপাশি তাদের শিক্ষার বিষয়টিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আনুমানিক ৩ লাখ ৭০ হাজার রোহিঙ্গা শিশু ও যুবকের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার সুযোগ দরকার। এ কারণেই তাদের শিক্ষায় অনুদান দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে বিশ্বব্যাংক।

গোপালগঞ্জে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত ১০ আসামি গ্রেপ্তার 
  • ০৭ নভেম্বর ২০২৬
জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই জামায়াত রাজনীতির সুযোগ পেয়েছে: ছাত্…
  • ০৭ নভেম্বর ২০২৬
জিয়াউর রহমানের ছবি না থাকায় ক্ষুব্ধ বিএনপি নেতাকর্মীরা, প্র…
  • ০৭ নভেম্বর ২০২৬
জিয়ার জনপ্রিয়তা সেনাবাহিনীতে ছিল আকাশচুম্বী
  • ০৭ নভেম্বর ২০২৬
তৎকালীন রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতার আলোকে ৭ নভেম্বরের তাৎপ…
  • ০৭ নভেম্বর ২০২৬
প্রাইম ইউনিভার্সিটিতে ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পা…
  • ০৭ নভেম্বর ২০২৬
×
NORTH SOUTH
UNIVERSITY Center of Excellence
UNDERGRADUATE
ADMISSION
SPRING 2027
APPLY NOW
APPLICATION DEADLINE
NOVEMBER 22, 2026
ADMISSION TEST
NOVEMBER 28, 2026
WORLD RANKINGS 2027#801-1000
WORLD RANKINGS 2027#901-950