মনের কথা মাকে চিঠিতে জানিয়ে পুরস্কার পেল ১৫ শিক্ষার্থী

০৪ মে ২০২১, ০৯:১২ AM
প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া কয়েকজন শিক্ষার্থী

প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া কয়েকজন শিক্ষার্থী © সংগৃহিত

পৃথিবীতে আমাদের সবার সবচেয়ে বড় আপনজন মা। জন্মের পর থেকে আমাদের পথ চলায় মায়ের অবদানই সবচেয়ে বেশি বলায় যায়। আমাদের আবদার, অনুরোধ, অনুযোগ সবই প্রায় মায়ের কাছেই করে থাকি। এবার সেই মাকে নিজের মনের না বলা কথা মাতৃভাষায় চিঠির মাধ্যমে জানিয়ে পুরস্কৃত হয়েছে ১৫ শিক্ষার্থী।

সোমবার (৩ মে) সন্ধ্যায় ভাষার প্রদীপ নামে একটি সংগঠন আয়োজিত ‘মায়ের ভাষায় মাকে লিখি’ চিঠি লেখা প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ১৫ জনকে পুরস্কৃত করা হয়েছে। সংগঠনটির ১৪ বছর পদার্পণ উপলক্ষে আয়োজিত ভার্চুয়াল মিটিংয়ে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়।

জানা গেছে, মাতৃভাষার প্রতি ভালোবাসার টানে ১৩ বছর আগে ফাহাদ বিন বেলায়েত ভাষার প্রদীপ নামে সংগঠনটি গড়ে তোলেন। সংগঠনের পক্ষ থেকে ৮ বছর ধরে মায়ের ভাষায় মাকে চিঠি লেখা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। প্রতিযোগীরা সেসব চিঠিতে মাকে না বলতে পারা কথাগুলো দরদ আর আকুতি দিয়ে প্রকাশ করে।

গত ১ ফেব্রুয়ারি লক্ষ্মীপুরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে তিন ভিক্ষুক মাকে অতিথি করে এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়। এর মধ্যে একজনকে বিকেবি ক্লাবের সহেযাগিতায় একটি সেলাই মেশিন উপহার দেওয়া হয়। এবার দেশের ২৪৭ জন শিক্ষার্থী এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছেন। এতে ১৫ জনকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। এ ছাড়া বিশেষ মূল্যায়নে আরও ২৫ জনকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

বিজয়ীরা হলো- ফাহাদ হোসেন ফাহিম, ফাইজা জান্নাত, স্মৃতি মিয়াজি তামান্না, মুন্নি আক্তার, জীবন চন্দ্র শীল, সামিয়া ইসমাইল, সামিন, সূচনা আক্তার আইজি, আনোয়ারা আক্তার, ইরফান কবির রূপম, তাহসিন, জান্নাতুল নাঈম, হাফিজ মাহমুদ সিয়াম, রিপা আক্তার ও আকলিমা আক্তার।

ভাষার প্রদীপের প্রধান সমন্বয়ক ফাহাদ জানান, ভাষার প্রদীপ হচ্ছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মেঘ ফাউন্ডেশনের সহযোগী সংগঠন। শুদ্ধ বাংলা চর্চা এবং সর্বত্র বাংলা ভাষাকে ছড়িয়ে দিতেই এ উদ্যোগ গ্রহণ করি। এখন লক্ষ্মীপুরসহ সারাদেশ থেকে শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করছে।

ভার্চুয়াল মিটিংয়ে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ও সংগঠনটির প্রধান উপদেষ্টা একেএম টিপু সুলতান।

সংগঠনের প্রধান সমন্বয়ক ফাহাদ বিন বেলায়েতের সভাপতিত্বে মিটিংয়ে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক অতিরিক্ত পরিচালক এম. শামসুল আমিন, লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক মাইন উদ্দিন পাঠান, চলচ্চিত্র অভিনেতা আহমেদ শরীফ, লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি হোসাইন আহমেদ হেলাল ও বাংলাদেশ সিভিলিয়ান ফোর্সের কো-ফাউন্ডার এহসানুল হক ফয়সাল।

শুধু ডিগ্রি থাকলেই মিলবে না চাকরি, বদলে যাচ্ছে নিয়োগের মানদ…
  • ০৩ আগস্ট ২০২৬
কলেজছাত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় বাড়িওয়ালা, ধরিয়ে দিলেন স…
  • ০৩ আগস্ট ২০২৬
চুরি ও অনিয়মের অভিযোগে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩ গবেষণাপত…
  • ০৩ আগস্ট ২০২৬
আদালতে আসামিকে দেওয়া পাউরুটির ভেতরে মিলল ইয়াবা-গাঁজা
  • ০৩ আগস্ট ২০২৬
বৃষ্টি নিয়ে আজ যে বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস
  • ০৩ আগস্ট ২০২৬
চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, দুই যাত্রী আহত
  • ০৩ আগস্ট ২০২৬