বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকলেও কমেনি ব্যয়

১৭ জুন ২০২১, ০৯:৪৯ AM
ক্যাম্পাস বন্ধেও ব্যয় কমেনি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে

ক্যাম্পাস বন্ধেও ব্যয় কমেনি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে © সংগৃহীত

করোনা সংক্রমণের কারণে এক বছরের বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। ক্যাম্পাস বন্ধ থাকায় এ সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কর্মযজ্ঞ বন্ধই ছিল। এসময় চলেনি পরিবহন পুলের অধিকাংশ গাড়ি, বন্ধ ছিল পরীক্ষা কার্যক্রম, সশরীরে আয়োজন করা হয়নি সভা, সেমিনার কিংবা জাতীয় বা আন্তর্জাতিক সম্মেলনের মতো একাডেমিক অনুষ্ঠান।

বেশিরভাগ গবেষণাগারেই বছরজুড়ে তালা ঝুলেছে। আবাসিক হল বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের খাবার কিংবা কোনো উদযাপনে ভর্তুকির প্রয়োজন পড়েনি। ঘটা করে উদযাপন করা হয়নি কোনো দিবস-উৎসব। একইভাবে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির মতো পরিষেবা খাতগুলোতেও সেই অর্থে স্বাভাবিক সময়ের মতো ব্যয় হয়নি।

তবুও সরকারের ব্যয় কমেনি। উল্টো ২০২০-২১ অর্থবছরে অর্থাৎ করোনাকালে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পেছনে সরকারের ব্যয় বেড়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) তথ্যমতে, চলতি অর্থবছরের শুরুতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অনুন্নয়ন খাতে ব্যয়ের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয় ৫ হাজার ৪৫৪ কোটি টাকা। যদিও সংশোধিত হিসাবে সে ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৬৩৬ কোটি টাকা। উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম প্রায় বন্ধ থাকলেও চলতি অর্থবছরে দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ব্যয়ের পরিমাণ বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের বাজেটেও অনুন্নয়ন বরাদ্দের আকার গত অর্থবছরের চেয়ে ৫ শতাংশ বাড়ানো হয়েছিল।

করোনার প্রাদুর্ভাবের মধ্যে সীমিত পরিসরে কার্যক্রম পরিচালনা সত্ত্বেও ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়টিকে অযৌক্তিক বলে মনে করছেন উচ্চশিক্ষা সংশ্লিষ্টরা। এ বিষয়ে ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আলমগীর বলেন, করোনার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কার্যক্রমের পরিধি আগের তুলনায় অনেক কম ছিল। তাই এ সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ব্যয় বৃদ্ধি কোনোভাবেই কাম্য নয় বলে আমি মনে করি। যদিও ঠিক কী কারণে ব্যয় বাড়ল, সেটি নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়। তবে ব্যয়ের পরিমাণ একবার কমালে পরবর্তী সময়ে বরাদ্দ কমে যেতে পারে—এমন আশঙ্কায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খাত সমন্বয়ের মাধ্যমে ব্যয় বাড়িয়েছে বলে মনে করেন খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এ উপাচার্য।

ইউজিসির আর্থিক বিষয়গুলো দেখভাল করেন কমিশনের পূর্ণকালীন সদস্য ড. মো. আবু তাহের। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যয় বেড়ে যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে এর কয়েকটি কারণ তুলে ধরেন তিনি। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের এ অধ্যাপক বলেন, করোনার মধ্যেও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অ্যাডহক ও মাস্টাররোলে নিয়োগ বন্ধ ছিল না। নতুন করে শিক্ষক ও কর্মকর্তাও নিয়োগ দেয়া হয়েছে। অনেক শিক্ষককে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। আবার অনেক শিক্ষককে নিয়ম না থাকলেও আপার গ্রেডে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। করোনাকালে বিশেষ কিছু খাতে অর্থ ব্যয় করা লেগেছে। এসব কারণেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ব্যয় বেড়েছে।

এদিকে আগামী অর্থবছরেও বরাদ্দ বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। ২০২১-২২ অর্থবছরে অনুন্নয়ন খাতের ব্যয় বাবদ ৭ হাজার ৪১৩ কোটি টাকার চাহিদার কথা ইউজিসিকে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো, যা চলতি অর্থবছরের সংশোধিত অনুন্নয়ন বরাদ্দের চেয়ে ১ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকা বেশি। এর মধ্যে বেতন পরিশোধ বাবদ ৩৩২ কোটি ও ভাতাদি বাবদ ৫৩৬ কোটি টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো।

চাহিদা পর্যালোচনা করে এরই মধ্যে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আগামী অর্থবছরের ব্যয় নির্বাহের জন্য বাজেট প্রণয়ন করেছে ইউজিসি। ২০২১-২২ অর্থবছরে দেশের ৪৯ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ৫ হাজার ৮৭৫ কোটি টাকার অনুন্নয়ন বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রস্তাবিত এ বাজেট আজ ইউজিসির ১৬০তম পূর্ণ কমিশন সভায় চূড়ান্ত করার জন্য উত্থাপন করা হবে।

এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র বিতরণের তারিখ ঘোষণা
  • ২২ মার্চ ২০২৬
কাতারের জলসীমায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, চলছে উদ্ধার অভিযান
  • ২২ মার্চ ২০২৬
টানা পাঁচ দিনের বজ্রসহ শিলাবৃষ্টির পূর্বাভাস, আছে যেসব জেলা
  • ২২ মার্চ ২০২৬
জিয়া উদ্যানে তরুণের আত্মহত্যার চেষ্টা
  • ২২ মার্চ ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিতে ইরানের হামলায় ৮০ কোটি ডলারের ক্ষয়ক্ষ…
  • ২২ মার্চ ২০২৬
সুদানে হাসপাতালে হামলায় নিহত ৬৪
  • ২২ মার্চ ২০২৬
×
  • Application Deadline
  • April 1, 2026
  • Admission Test
  • April 4, 2026
APPLY
NOW!
UNDERGRADUATE ADMISSION
SUMMER 2026!
NORTH SOUTH UNIVERSITY
Center of Excellence