জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

‘প্রশাসন উন্নয়ন প্রকল্পকে দুর্নীতি বাণিজ্যে পরিণত করেছে’

© টিডিসি ফটো

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তী এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেছেন, প্রশাসন উন্নয়ন প্রকল্পকে দুর্নীতি বাণিজ্যে পরিণত করেছে। ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ এই ব্যানারে লুটপাট, অ-পরিকল্পনা ও প্রকৃতি ধ্বংসের বিরুদ্ধে এবং পূর্বঘোষিত তিন দফা হলের স্থান পুননির্ধারণ করে দ্রুত কাজ শুরু, উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ-দুর্নীতির বিচার বিভাগীয় তদন্তসহ আলোচনার ভিত্তিতে মহাপরিকল্পনার পুনর্বিন্যাসের দাবিতে এ বিক্ষোভ মিছিল করে ‘শিক্ষক-শিক্ষার্থী ঐক্যমঞ্চ’।

রবিবার (২৫ শে আগস্ট) পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী দুপুর দুইটায় সমাজবিজ্ঞান অনুষদের সামনে থেকে শুরু করে বিক্ষোভ মিছিলটি ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ স্থান সমূহ প্রদক্ষিণ করে কলাভবন সংলগ্ন মুরাদ চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। মিছিল শেষে সেখানে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন শিক্ষক শিক্ষার্থীরা।

প্রশাসনকে উন্নয়ন বাণিজ্যে পরিণত করার অভিযোগ তুলে দর্শন বিভাগের অধ্যাপক রায়হান রাইন বলেন, ‘প্রকল্পের পরিকল্পনাটি আসলে একটি মহা অপরিকল্পনা বলা যায়। প্রশাসন সেটিকে সংশোধন না করে তা উন্নয়ন দুর্নীতির বাণিজ্যে পরিণত করেছে’।

সমাবেশে নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক প্রশাসনের বিরুদ্ধে গোড়ামির অভিযোগ তুলে বলেন, প্রশাসন উন্নয়ন প্রকল্পে সকল অংশীদারদের পরামর্শ না নিয়ে নিজ ইচ্ছায় কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি আশিকুর রহমান উন্নয়ন প্রকল্পে টাকা ভাগাভাগির নামে প্রহসন এবং প্রশাসনের ছাত্রলীগকে দুই কোটি দেওয়ার ইঙ্গিত করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় একটি মহলকে উন্নয়ন প্রকল্প নির্বিঘ্নে বাস্তবায়ন করার স্বার্থে অসুদপায়ে ২ কোটি টাকা দিয়েছে। উন্নয়নের নামে প্রশাসন প্রহসন করছে। অন্যদিকে উপাচার্যের আশ্বাসেও নির্মাণ কোম্পানি গাছ কাটা বন্ধ করেনি।’ এসময় সাধারণ শিক্ষার্থীরা এসব মেনে নেবেনা বলেও হুশিয়ারি করেন তিনি।

উপাচার্যের বিরুদ্ধে বারবার মিথ্যাচারের অভিযোগ তুলে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের (মার্ক্সবাদী) সাধারণ সম্পাদক বলেন,‘ উপাচার্য উন্নয়ন প্রকল্পের নামে বারবার মিথ্যাচার করেছেন। এর আগে ছাত্রদের দাবির মুখে তিনি পর্যালোচনা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি তা না করে উন্নয়নের নামে ভাগ-বাটোয়ারার পসরা সাজিয়েছেন।’

এসময় সংক্ষিপ্ত সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন জাবি শাখা সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ, ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্রফ্রন্ট ও জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ।

প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে এই বিক্ষোভ মিছিলে শিক্ষক শিক্ষার্থীরা তাদের দাবি আদায়ে চমৎকার চমৎকার সব যৈাক্তিক স্লোগানে ক্যাম্পাস মুখরিত করে। ‘হল চাই হল হবে পরিবেশও রক্ষা হবে’, ‘ছি ছি প্রশাসন, টাকার জন্য মরণপণ’, ‘এসো ভাই এসো বোন, গড়ে তুলি আন্দোলন’, ‘একসাথে চার হল, ঘুম হবে কেমনে বল’।

এর আগে গত শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে দাবি আদায়ের লক্ষ্যে শিক্ষক শিক্ষার্থী ঐক্যমঞ্চ তিনদিন ব্যাপী কর্মসূচী ঘোষণা করে। তারই প্রেক্ষিতে আগামীকাল সোমবার দিনব্যাপী গণসংযোগ, গণস্বাক্ষর সংগ্রহ সন্ধ্যায় ট্রান্সপোর্ট চত্বরে পাবলিক টক এবং মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাতটায় মশাল মিছিল করার কথা আছে।

মহাকাশযাত্রায় প্রথমবারের মতো স্মার্টফোন ব্যবহারের অনুমতি ন…
  • ০৬ এপ্রিল ২০২৬
সমালোচকরাও বুঝতে পারছেন, আমাদের প্রণীত আইনগুলো ভালো ছিল: আস…
  • ০৬ এপ্রিল ২০২৬
রাজবাড়ীতে রিকশার চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে বৃদ্ধার মৃত্যু
  • ০৬ এপ্রিল ২০২৬
সরকারের প্রথম একনেক সভা শুরু, অনুমোদনের অপেক্ষায় ১৭ প্রকল্প 
  • ০৬ এপ্রিল ২০২৬
পে স্কেল চেয়ে দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচিতে সরকারি কর্মচারীরা, প…
  • ০৬ এপ্রিল ২০২৬
নওগাঁয় চলন্ত ট্রেন থেকে নামতে গিয়ে পুলিশ সদস্যের ২ পা বিচ্ছ…
  • ০৬ এপ্রিল ২০২৬