#স্কোপাস-ইনডেক্সড
দেশসেরা ঢাবি-বুয়েট-রাবি, শীর্ষ ২০-এ ড্যাফোডিল-নর্থ সাউথ-ব্র্যাকসহ ৮ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় © টিডিসি সম্পাদিত
গবেষণা প্রকাশনার ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের ৪৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা প্রকাশ করেছে এলসেভিয়ার পরিচালিত বিশ্বখ্যাত সাইটেশন ডেটাবেজ সংস্থা স্কোপাস-ইনডেক্সড। বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর এখন পর্যন্ত সর্বমোট প্রকাশিত গবেষণা অনুযায়ী তালিকার শীর্ষ তিনে রয়েছে যথাক্রমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি), বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি)। এ ছাড়াও শীর্ষ ২০-এর তালিকায় দেশের ১২টি সরকারি ও ৮টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে।
সম্প্রতি ‘বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি’স বাই স্কোপাস-ইনডেক্সড ডকুমেন্টস’ শিরোনামে এ তথ্য প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এতে পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশের ৪৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট স্কোপাস-ইনডেক্সড গবেষণা প্রকাশনার সংখ্যা ১ লাখ ৪৭ হাজার ৮০৮টি।
তথ্য অনুযায়ী, ১৮ হাজার ২৫৫টি গবেষণা প্রকাশনা নিয়ে শীর্ষে রয়েছে ঢাবি। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা বুয়েটের প্রকাশনা সংখ্যা ১৩ হাজার ৮০৭টি। এ ছাড়া ৯ হাজার ২৪৫টি প্রকাশনা নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে রাবি।
এ তালিকার চতুর্থ স্থানে জায়গা করে নিয়েছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। তাদরে প্রকাশনা সংখ্যা ৮ হাজার ২১টি এবং পঞ্চম জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশনা সংখ্যা ৭ হাজার ৭৭৩টি।
ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে দেশের অন্যতম স্বায়ত্তশাসিত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় । তাদের প্রকাশনা সংখ্যা ৬ হাজার ১৪৫টি। সপ্তম নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির প্রকাশনা ৫ হাজার ৮৫২টি এবং অষ্টম ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ৫ হাজার ৮১৩টি। তালিকার নবম অবস্থানে থাকা খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) প্রকাশনা ৫ হাজার ৭০৫টি। ৪ হাজার ৯০৯টি প্রকাশনা নিয়ে দশম স্থানে রয়েছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি)।
তালিকার ১১তম অবস্থানে রয়েছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়। তাদের প্রকাশনা ৪ হাজার ৬৭৬টি। ১২তম রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) ৪ হাজার ৫৪৩টি এবং ১৩তম চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) ৪ হাজার ৩৫৯টি। ৪ হাজার ২৩০টি প্রকাশনা নিয়ে ১৪তম অবস্থানে রয়েছে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি)।
১৫তম বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটির প্রকাশনা ৩ হাজার ৪৫২টি। ১৬তম অবস্থানে থাকা ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির প্রকাশনা ২ হাজার ৮৪৯টি। ২ হাজার ৮৪৭টি নিয়ে ১৭তম আহছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ২ হাজার ৮০৩টি নিয়ে ১৮তম ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ। তালিকার ১৯তম অবস্থানে রয়েছে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ বিজনেস এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি (আইইউবিএটি)। বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রকাশনা ২ হাজার ৫৬৩টি। ২০তম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশনা ২ হাজার ৫৫৩টি।
শীর্ষ ২০-এর পরবর্তী অবস্থানগুলোতেও রয়েছে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। সেগুলো হলো যথাক্রমে- ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি চট্টগ্রাম, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডুয়েট), সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক, সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্সেস, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি), বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজির (বিইউবিটি), গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস, বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি চট্টগ্রাম, স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ।
এছাড়া রয়েছে ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি, বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেন, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্সেস, ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটি, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড রিসার্চ, ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সেস, ইউনিভার্সিটি অব সাউথ এশিয়া, সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি এবং রাজশাহী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।