শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবির প্রতি সহানুভূতি আছে, সমাধানে ন্যূনতম সময় প্রয়োজন: শিক্ষা উপদেষ্টা

৩০ অক্টোবর ২০২৪, ০১:১২ PM , আপডেট: ২০ জুলাই ২০২৫, ১২:৫৬ PM
ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ

ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ © সংগৃহীত

সাত কলেজ নিয়ে আলাদাভাবে স্বতন্ত্র পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবিতে কয়েক দিন ধরেই রাজধানীতে সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করছেন অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের আন্দোলন এবং অন্যান্য শিক্ষা সংশ্লিষ্ট আন্দোলন প্রসঙ্গে শিক্ষা ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বিবৃতি দিয়েছেন। 

বিবৃতিতে শিক্ষা উপদেষ্ট বলেন, শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবির প্রতি সহানুভূতি আছে অন্তর্বর্তী সরকারের। এ সমস্যা সমাধানের জন্য ন্যূনতম সময় প্রয়োজন বলে মনে করি।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর থেকেই বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্ররা এবং বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠন নানা দাবি নিয়ে আন্দোলন করে যাচ্ছেন। একটি সম্পূর্ণ বিশৃঙ্খল অবস্থার পাওয়া শিক্ষা খাতে শৃঙ্খলা ও স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য সরকার যথাসাধ্য চেষ্টা করছে। এ সব দাবি-দাওয়ার মধ্যে ন্যায্য-অন্যায্য এবং কিছুক্ষেত্রে পরস্পর বিরোধী দাবিও আছে। একটি বৈষম্য বিরোধী দাবি মানলে অন্যান্য ক্ষেত্রে বৈষম্য তৈরি হতে পারে। শিক্ষা খাতের যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের দাবিপূরণের সুদূরপ্রসারী প্রভাব থাকে এবং এর জন্য তাৎক্ষণিক সমাধান দেওয়া কঠিন। অথচ সব কয়টি দাবির পেছনের আন্দোলনকারীরা তাঁদের দাবিকেই সবচেয়ে অগ্রাধিকার হিসেবে দেখছেন এবং দাবিগুলোকে শুধু রাস্তায় আন্দোলন করে তাৎক্ষণিক সমাধানযোগ্য মনে করছেন। এতে একদিকে যেমন রাস্তা অবরোধের ফলে অপরিসীম জনদুর্ভোগ হচ্ছে; সরকারও দাবিগুলো যথাযথ বিবেচনার সুযোগ পাচ্ছে না। 

আরও পড়ুন: ঢাবি অধিভুক্ত সাত কলেজকে স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয় করার দাবির নেপথ্যে

এতে বলা হয়, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের দাবি বিবেচনার জন্য সরকার ইতোমধ্যেই সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করেছে যা সাত সপ্তাহের মধ্যে দ্রুত একটি প্রতিবেদন তৈরি করবে। সমস্যাটির শুরু হয়েছে কয়েক বছর আগে ঢাকার সাতটি কলেজকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতা থেকে বের করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তর্ভুক্ত করার একটি অবিবেচনাপ্রসূত সিদ্ধান্তের মাধ্যমে। এর ফলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং সাত কলেজের উভয় পক্ষেরই সমস্যা তৈরি হয়েছে। যে কারণে ঐ সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের নানা অসুবিধা ও বৈষম্যের শিকার হতে হয়েছে। সমস্যাগুলো জটিল এবং এগুলোর সুষ্ঠু সমাধান কী হতে পারে তা বিবেচনায় ন্যূনতম কিছু সময়ের প্রয়োজন।’

আরও পড়ুন: রাজধানীর সরকারি সাত কলেজ নিয়ে ঢাবি অধ্যাপকের নতুন প্রস্তাব

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘এরই মধ্যে একটি কলেজের শিক্ষার্থীরা নিজেদের প্রতিষ্ঠানকে এককভাবে বিশ্ববিদ্যালয় করার দাবি নিয়ে রাস্তায় আন্দোলন করেছেন। ইতোমধ্যে শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনাও হয়েছে। দেশের সমস্যাসঙ্কুল শিক্ষাব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবির প্রতি একজন আজীবন শিক্ষক হিসেবে অবশ্যই ব্যক্তিগতভাবে আমার সব সহানুভূতি আছে। কিন্তু মনে রাখতে হবে রাস্তায় শিক্ষার্থীদের অবরোধ, আন্দোলন ও আলটিমেটামের মাধ্যমে একটি নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ে গঠনের তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত দেওয়ার কোনো নজির কোথাও নেই। এমতাবস্থায় শিক্ষার্থীদের রাস্তায় জনদুর্ভোগ তৈরি না করে ধৈর্য ধরার ও নিজ নিজ শিক্ষাঙ্গনে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ করা হচ্ছে।’

জবিতে দুই দিনব্যাপী বৈশাখি মেলার আয়োজনের সিদ্ধান্ত
  • ০৭ এপ্রিল ২০২৬
স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান পেছাল
  • ০৭ এপ্রিল ২০২৬
ময়মনসিংহ মেডিকেলে হামের লক্ষণ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু
  • ০৭ এপ্রিল ২০২৬
জবির বৈশাখ উদ্‌যাপনে অংশ নিচ্ছে আশপাশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও
  • ০৭ এপ্রিল ২০২৬
৩১ বছরে পা দিল ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি
  • ০৭ এপ্রিল ২০২৬
বাইক কাণ্ডে সাময়িকভাবে সদস্যপদ হারালেন ঢাবির ছাত্র ইউনিয়ন ন…
  • ০৭ এপ্রিল ২০২৬
close