ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
© ফাইল ফটো
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ঘটনায় দেশরত্ন শেখ হাসিনা হলের আবাসিক শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও হাউস টিউটরের বক্তব্য শুনেছে হাইকোর্টের নির্দেশে গঠিত তদন্ত কমিটি।
এ তদন্ত কমিটিতে সদস্য হিসেবে আছেন, কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আ ন ম আবুজর গিফারী, কুষ্টিয়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদা সুলতানা এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শাহবুব আলম।
মঙ্গলবার (২১ ফেব্রুয়ারি) হল প্রভোস্টের অফিসে বসে কমিটির সদস্যরা তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এসময় অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেত্রী সানজিদা ও তাবাসসুম হলে ছিলেন। সকালেই তাদের হলে নিয়ে আসা হয়।
হল সূত্রে জানা গেছে, যে কক্ষে ফুলপরী খাতুনকে নির্যাতন করা হয় তদন্ত কমিটি তার আশপাশের কক্ষের কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলেছে।
আরো পড়ুন:
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী জানান, ঘটনার দিন পাশের কক্ষে কী ঘটেছিল, আমরা কিছু টের পেয়েছিলাম কিনা এবং ছাত্রলীগ নেত্রী সানজিদা চৌধুরী কেমন বা তিনি হলে সকলের সাথে কি ধরনের আচরণ করেন এ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে। ওই শিক্ষার্থী আরো জানান, 'তদন্ত কমিটি বার বার ওই রাতের ঘটনার কোনো প্রত্যক্ষদর্শী বা ঘটনার খুব কাছে ছিলেন এমন কাউকে খুঁজছিল।'
অপরদিকে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের করা তদন্ত কমিটির সদস্যরাও একইদিনে দেশরত্ন শেখ হাসিনা হলে যান। এ কমিটিও দ্বিতীয় দফায় ছাত্রলীগ নেত্রী সানজিদা ও তাবাসসুমের সঙ্গে কথা বলেছে। তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক রেবা মণ্ডল জানান, আমরা তদন্ত কাজ গুছিয়ে এনেছি। যথাসময়ে রিপোর্ট জমাদানের চেষ্টা করবেন।
উল্লেখ্য, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী গত ৮ ফেব্রুয়ারি প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরুর দিনে দেশরত্ন শেখ হাসিনা হলের এক আবাসিক ছাত্রীর রুমে উঠেন। এরপর ১২ ফেব্রুয়ারি রাতে তিনি নির্যাতনের শিকার হন।