দৌলতপুর কলেজ (দিবা-নৈশ), খুলনা © সংগৃহীত
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে ৪৭তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। নিয়ম অনুযায়ী বাংলা ও ইংরেজি ভার্সনে একই কোডে প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়ার কথা থাকলেও অভিযোগ উঠেছে খুলনার একটি কেন্দ্রে ইংরেজি ভার্সনে ভিন্ন কোডের প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
জানা গেছে, ৪৭তম বিসিএসে রক্তকোমল কোডের প্রশ্নে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে খুলনার দৌলতপুর কলেজে (দিবা-নৈশ) চন্দ্রমল্লিকা কোডে ভিন্ন প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। চাকরি প্রার্থীদের অভিযোগ, এই সেটের প্রশ্ন তুলনামূলক সহজ।
সৌরভী নামে এক চাকরিপ্রার্থী লিখেছেন, প্রশ্নের ভার্সন আলাদা বলে প্রশ্ন আলাদা হবে এটা কেমন প্রহসন রে ভাই। এর প্রতিবাদ না করলে কোনোভাবেই হবে না।
কবির হোসেন নামে আরেকজন লিখেছেন, যে কারণে রিটেনে বাংলা দুইটা এক্সাম দিতে হয়, যাতে বৈষম্য না হয়; তাহলে এইটা কী?
নয়ন শিকদার নামে একজন চন্দ্রমল্লিকা কোডের প্রশ্ন শেয়ার করে লেখেন, ৪৭তম বিসিএসে ইংরেজি ভার্সনের প্রশ্ন বাংলা ভার্সন থেকে তুলনামূলক অনেক সহজ। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী বাংলা, ইংরেজি ভার্সন আলাদা হলেও প্রশ্ন একই থাকার কথা ছিল।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে দৌলতপুর কলেজের অধ্যক্ষ বলেন, আমাদের কাছে ম্যাসেজ এসেছে রক্তকোমল কোডের প্রশ্নে পরীক্ষা হবে। ম্যজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে আমরা তো রক্তকোমলের ট্রাঙ্ক থেকেই প্রশ্ন নিয়েছি। রক্তকোমলের ট্রাঙ্কে তো আর চন্দ্রমল্লিকার প্রশ্ন থাকার কথা না। পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর আমরা সব পাঠিয়ে দিয়েছি। আমাদের কাছে কিছু অবশিষ্ট নেই।
অভিযোগের বিষয়টি অসত্য কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেটা বলতে পারি না। কী বিষয়, কী অভিযোগ আমি এটা দেখিও নাই, আমি জানিও না। আমাদের কাছে এ বিষয়ে অথেনটিক কোনো তথ্য নেই।
এ বিষয়ে জানতে পিএসসিতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো সাড়া মেলেনি।