© সংগৃহীত
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নর্থ সাউথ প্রাঙ্গণে আন্তবিশ্ববিদ্যালয় স্পোর্টস কার্নিভালের বিশেষ ট্রফি উন্মোচিত হয়েছে। সোমবার অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল ট্রফি উন্মোচন করেন।
আন্তবিশ্ববিদ্যালয় স্পোর্টস কার্নিভালের বিশেষ ট্রফি উন্মোচন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আতিকুল ইসলাম ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টির কয়েকজন সদস্য। ট্রফি উন্মোচন শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করেন সুরকার তপু।
২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের বৃহত্তম ইভেন্ট ‘এনএসইউ আন্তঃবেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্পোর্টস কার্নিভাল ২০২০’। এ ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় দেশের ৯৩টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অংশ নেয়। ক্রিকেট, ফুটবল, টেবিল টেনিস, ব্যাডমিন্টন এবং বাস্কেটবলে এ টুর্নামেন্টের আয়োজন করছে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি অ্যাথলেটিক্স ক্লাব।
প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল বলেন, আমি জেনে আনন্দিত হয়েছি যে, বাংলাদেশে এই প্রথমবারের মত নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজন করেছে দেশের সকল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ৫ টি খেলা ( ক্রিকেট, ফুটবল, টেবিল-টেনিস, বাস্কেটবল এবং ব্যাডমিন্টন) নিয়ে আন্তঃ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্পোর্টস কার্নিভাল-২০২০। যেটি কিনা ইতিমধ্যেই দেশের সকল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যেই আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
তিনি বলেন, মানসিক এবং শারীরিক বিকাশে , শৃঙ্খলাবোধ তৈরিতে, আদর্শ চরিত্র গঠনে, সম্প্রীতির বন্ধন তৈরিতে, জাতীয়তাবোধ তৈরিতে, বিশ্ব ভ্রাতৃত্ববোধ তৈরিতে, সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মাধ্যম হিসেবেও খেলাধুলা অপরিহার্য। তিনি নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির এ আয়োজনের সাধুবাদ জানান এবং তিনি তাঁর মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এই মহান আয়োজনের সার্বিক সহযোগিতা করবে বলে জানান। সেইসাথে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় তথা এনএসইউ এথলেটিক্স ক্লাবকে এধরনের বৃহৎ আয়োজন বার বার করার আহবান জানান।
উপাচার্য আতিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের মানসিক ও শারীরিক সুস্থতা সমান ভাবে গুরুত্বপূর্ণ। নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি তার শিক্ষার্থীদের জন্য গেমস এবং স্পোর্টসের অংশগ্রহণ এর উপর জোর দেয় এবং শিক্ষার্থীদের খেলাধুলায় অংশ নিতে উৎসাহিত করার জন্য এনএসইউতে একটি অ্যাথলেটিক্স ক্লাব রয়েছে।
তিনি বলেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মানসিক ও শারীরিক উভয় বিকাশের দায়িত্ব রয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি বিশ্বের যে কোনও জায়গায় কাজ করার উপযোগী করে তুলতে আমাদের শিক্ষার্থীদের মানসিক, নীতিগত ও শারীরিক সক্ষমতার দিক থেকে সমান ভাবে গড়ে তুলতে হবে।