রুম্পার হত্যার বিচার চেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন বান্ধবী (ভিডিও)

০৭ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৪:০৪ PM

স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রুবাইয়াত শারমিন রুম্পার হত্যার প্রতিবাদে ও দোষীদের শাস্তি দাবিতে মানববন্ধন করছে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ। আজ শনিবার বিকালে শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে মানববন্ধনে অংশ নেন ডাকসু ভিপি নুরুল হক এবং যুগ্ম আহবায়ক মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন, ফারুক হোসেনসহ সংগঠনটির অন্যান্য নেতাকর্মীরা।

রুম্পা হত্যার শিকার হয়েছে বলে মানববন্ধনে দাবি করেন এক বান্ধবী। তিনি আরও বলেন, যদি রুম্পার হত্যার বিচার না হয়, তাহলে আমরাও একদিন এইভাবে হত্যার শিকার হতে পারি। তখন আবার হত্যার বিচার দাবিতে জাতীয় জাদুঘরের সামনে আসতে হবে।

ভিপি নুর রুম্পার হত্যাকারীদের দ্রুত বিচার চেয়ে বলেন, রাষ্ট্রীয় নির্যাতন, নিপীড়নমূলক শাসনতন্ত্রে কথা বলতে পারছে না জনণগ। আমাদের বোন ধর্ষণের শিকার হচ্ছে, সেখানেও প্রতিবাদ গড়ে তুলতে বাধার সম্মুখীন হতে হয়। রাষ্ট্রীয়ভাবে অতিদ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন না করলে এরকম ঘটনা ঘটতেই থাকবে। আমাদেরকে নিজ নিজ জায়গা থেকে সচেতন হতে হবে। এসময় এইসবের প্রতিবাদ-প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন বলেন, ‘প্রতিটা প্রতিষ্ঠানে ধর্ষণ,ইভটিজিংয়ের মত ঘটনা ঘটছে প্রতিনিয়ত। কিন্তু এসব অপকর্মের বিচার নাই, প্রতিকার নাই। যেখানে একজন পুলিশের মেয়ে নিরাপদ নয় সেখানে আমাদের মা বোন নিরপাদ নয়।’

ইডেন কলেজের শিক্ষার্থী ফাতেমা আক্তার বলেন, ‘যে দেশের প্রধানমন্ত্রী একজন নারী, সেদেশে আজকে ধর্ষণ নির্যাতন হয় অহরহ। নারী হয়েও এসব বন্ধ করতে না পারলে এ দেশে কখনো উন্নয়ন হবে না।’

সকালে স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ধানমন্ডি ও সিদ্ধেশ্বরী ক্যাম্পাসে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে রুম্পার সহপাঠি ও শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীদের দাবি, রুম্পা হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। কিন্তু ঘটনার তিনদিন পেরিয়ে গেলেও হত্যা রহস্যের কূলকিনারা করতে পারেনি সংশ্লিষ্টরা। এ হত্যার সঙ্গে জড়িত যারা আছেন তাদেরকে যেন দ্রুত আইনের আওতায় আনা হয়। পাশাপাশি এ আন্দোলন প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। যেন সকল শিক্ষার্থী ও নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।

এর আগে গত বুধবার রাতে সিদ্ধেশ্বরী এলাকার রাস্তা থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক তরুণীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরদিন রাতে স্বজনেরা রমনা থানায় লাশের ছবি দেখে শারমিনের পরিচয় শনাক্ত করেন। এক ভাই, এক বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন বড়। তাঁর বাবা রোকনউদ্দিন হবিগঞ্জের একটি পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক।

জানা য়ায়, শান্তিবাগে ভাড়া বাসায় মায়ের সঙ্গে থাকতেন শারমিন। এই বাসায় তাঁর চাচার পরিবারের সদস্যরাও থাকতেন। তিনি মারা গেলেন প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে সিদ্ধেশ্বরীতে। সেখানে তাঁর কোনো আত্মীয়স্বজনের বাসাও নেই। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়াতেই তাঁরা হত্যা মামলা নিয়েছেন।

পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, দুটি টিউশনি করে বুধবার সন্ধ্যায় শারমিন বাসার নিচে আসেন। ওপরে না উঠে তিনি মুঠোফোনে চাচাতো ভাইকে নিচে নামতে বলেন। তার কাছে আংটি, কানের দুল, মুঠোফোন, ব্যাগ দিয়ে দেন। এর পর পুরোনো এক জোড়া জুতা আনতে বলেন। চাচাতো ভাই জুতা নিয়ে আসার পরে সেই জুতা পরে তিনি চলে যান। রাতে আর বাসায় ফিরে আসেননি। স্বজনেরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তাঁর সন্ধান পাননি।

প্রার্থিতা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়ে বিএনপিতে যোগ দিলেন উপজেল…
  • ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
এনসিপির পর এবার বিএনপি প্রার্থীর প্রার্থীতা বাতিলের আবেদন জ…
  • ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ডিআইইউসাস বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড পেলেন দ্য ডেইলি ক্যাম্…
  • ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০ম বার্ষিক নাট্যোৎসব শুরু
  • ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বিএনপিকে সমর্থন দিয়ে সরে দাঁড়ালেন জামায়াত জোটের প্রার্থী
  • ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ডাকসুর উদ্যোগে ছাত্রী হলে বিনামূল্যে টিকাদান শুরু, একদিনেই …
  • ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬