ফাইল ঘুরছে ইউজিসি-মন্ত্রণালয়ে
শিক্ষা মন্ত্রণালয়-ইউজিসিতে ফাইল ঘুরলেও ভিসি-প্রোভিসি-ট্রেজারার পাচ্ছে না বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় © এআই সম্পাদিত ছবি
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের ভিসি ও ট্রেজারার পদ দুটিই দীর্ঘদিন ধরে শূন্য। ৭ মাস আগে গত ২২ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির ভিসি নিয়োগ দিতে একটি প্যানেলের ওপর মতামত পাঠানো হয়েছিল। একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার নিয়োগের প্যানেলের ওপর মতামত পাঠানো হয়েছিল ২০২৫ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরেই বিশ্ববিদ্যালয়টিতে কোনো ভিসি-ট্রেজারার নিয়োগ দেওয়া হয়নি মন্ত্রণালয় থেকে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে প্রো-ভিসির পদটিও শূন্য রয়েছে। অন্যদিকে, দুই মাস আগে গত ২৮ জুলাই ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের ভিসি নিয়োগ দিতে প্যানেলের ওপর মতামত ইউজিসি থেকে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু সেখানেও কোনো ভিসি নিয়োগ দেওয়া হয়নি।
শুধু এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ এবং ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক নয়, বর্তমানে দেশের ৪১টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নেই। প্রো-ভিসি নেই ৯৭টিতে। আর ট্রেজারার ছাড়াই চলছে ৪৯টি বিশ্ববিদ্যালয়। দেশের বিশ্ববিদ্যালগুলোর নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সর্বশেষ হালনাগাদ করা এক তালিকায় এমন চিত্র উঠে এসেছে। সংস্থাটি বলছে, হালনাগাদ তালিকাটি একটি চলমান প্রক্রিয়া, যা নিয়মিতভাবে আপডেট করা হয়। গত সপ্তাহে এই তালিকাটি প্রকাশ করা হয়।
ইউজিসির তথ্যমতে, বর্তমানে দেশে অনুমোদিত ১১৭টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে ১১৩টিতে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত করার মত পরিবেশ রয়েছে। বাকি চারটিতে (ইবাইস ইউনিভার্সিটি; দি ইউনিভার্সিটি অব কুমিল্লা; আমেরিকা বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি ও কুইন্স ইউনিভার্সিটি) শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
জানা যায়, সরকার আইন করে ১৯৯২ সাল থেকে দেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন দেওয়া শুরু হয়। বিগত প্রায় সাড়ে তিন দশকে দেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন পেয়েছে ১১৭টি। শুরুতে গ্রহণযোগ্য ও শিক্ষানুরাগী উদ্যোক্তারা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে রাজনৈতিক বিবেচনা ও তদবিরের ভিত্তিতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন দেওয়ার প্রবণতা শুরু হয়। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় অনুমোদন পাওয়া বেশিরভাগ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোক্তাদের অনেকে সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
এ বিষয়ে ইউজিসির সদস্য ও সংস্থাটির গণমাধ্যম মুখপাত্র অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, বিগত ১৭ বছরে এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনৈতিক প্রভাব ও দলীয়করণ করা হয়েছে। ফলে তারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে ছাড় পেয়েছে। আমরা এখন সব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে অডিটের আওতায় নিয়ে এসেছি। প্রাথমিকভাবে যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে, সেগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে ইউজিসির বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা কাজ শুরু করেছে। আমরা আশা করছি, এর মাধ্যমে আইনের ব্যত্যয় ঘটবে না। পাশাপাশি এসব বিশ্ববিদ্যালয়কে জবাবদিহিতার আওতায় আনা এবং তা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্ত্রণালয়ের কিছু প্রসেস ফলো করতে হয়। এর মধ্যে গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্ট আনতে সময় লেগে যায়। কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগের ক্ষেত্রে বিভিন্ন পর্যায়ে প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। বিলম্ব হওয়ার কারণ- এগুলোয় নানা রকমের সমস্যা থাকে। কোনোটাতে হয়তো সিকিউরিটি প্রবলেম আছে; অন্য সমস্যাও আছে। এজন্য কিছু কারেকশন করতে আবারও বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠিয়েছি। সেগুলো হয়তো পেন্ডিং আছে। পিএমও ও রাষ্ট্রপতির কার্যালয়েও কিছু ফাইল আছে।-মাহবুবুল হক পাটোয়ারী, অতিরিক্ত সচিব (বিশ্ববিদ্যালয়), শিক্ষা মন্ত্রণালয়
ভিসি (ভাইস-চ্যান্সেলর), প্রো-ভিসি (ভাইস-চ্যান্সেলর) ও ট্রেজারার— যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম সঠিকভাবে চলতে এই তিনটি পদ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী, এ তিন পদে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর। তবে প্রাথমিক কাজটি করে থাকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ইউজিসির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কাছ থেকে প্রস্তাব (প্যানেল) আসার পর তারাই সরকারের কাছে এসব পদে নিয়োগের জন্য প্রস্তাব পাঠায়। সেটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে যায়।
আইন অনুযায়ী, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজ এই তিন পদে নিয়োগ দিতে একেকটি পদের বিপরীতে তিনজন অধ্যাপকের নামের প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠায়। সেগুলোর ইউজিসির মাধ্যমে যাচাই করে সরকারের উচ্চপর্যায়ে পাঠায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সেখান থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর হিসেবে রাষ্ট্রপতি একজনকে নিয়োগ দেন। অনেক সময় আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় কোনো বিশ্ববিদ্যালয় এক বছর, কোনোটি ১০ মাস থেকে ৬ মাস পর্যন্ত ফাইল আটকে থাকে।
ফলে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই পদ বছরের পর বছর শূন্য থাকছে। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, প্রো-ভিসি ও ট্রেজারার নিয়োগের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। এর মধ্যে গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদন সংগ্রহও রয়েছে। এ প্রতিবেদন পেতে সময় লাগায় কোনো কোনো নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হচ্ছে বলে জানা গেছে।
জানতে চাইলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বিশ্ববিদ্যালয়) মাহবুবুল হক পাটোয়ারী দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, আমাদের এখানে কিছু প্রসেস ফলো করতে হয়। আমাদের গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্ট আনতে হয়। এতে সময় লেগে যায়।
দীর্ঘ সময় ধরে কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ প্রক্রিয়া আটকে থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগের ক্ষেত্রে বিভিন্ন পর্যায়ে প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এর কারণ হলো এগুলো নিয়ে আমাদের কাছে নানান রকমের সমস্যা আছে। কোনোটাতে হয়তো সিকিউরিটি প্রবলেম আছে। কারও অন্য কোনো সমস্যা আছে। সেগুলো হয়তো কারেকশন করতে আবারও বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠিয়েছি। সেগুলো হয়তো ওদের কাছে পেন্ডিং আছে। কিছু পিএমওতে আছে। কিছু রাষ্ট্রপতির কাছে আছে। আমাদের এখানেও আছে।
নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, সবগুলোই প্রসেসের মধ্যে আছে। কবে নাগাদ এসব নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হতে পারেজানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি স্পেসিফিক বললে পারব না। কোনটার কী অবস্থা আছে। তবে আমরা প্রশ্নের মধ্যে রাখি। আমার এখান থেকে ফেলে রাখা হয় না।
ইউজিসি সূত্রে জানা গেছে, বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ-এর ভিসি প্যানেলের ওপর মতামত ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে পাঠানো হয়েছে। উত্তরা ইউনিভার্সিটি-এর ভিসি প্যানেলের ওপর মতামত পাঠানোর তারিখ হিসেবে মন্তব্যের ঘরে ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ উল্লেখ রয়েছে। প্রাইম ইউনিভার্সিটি-এর ক্ষেত্রে ১৫ জুলাই ২০২৬ তারিখে উপ-উপাচার্য ও ট্রেজারার প্যানেলের ওপর মতামত পাঠানোর তথ্য রয়েছে। নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ-এর ভিসি প্যানেলের ওপর মতামত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ এবং ট্রেজারার প্যানেলের ওপর ৮ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে পাঠানো হয়েছে। ইশাখা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ-এর ভিসি প্যানেলের ওপর মতামত পাঠানো হয়েছে ৩০ জুলাই ২০২৬।
এ ছাড়া ফারইস্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-এর ভিসি প্যানেলের ওপর মতামত ১১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে, রাজশাহী সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ইউনিভার্সিটি-এর ক্ষেত্রে ৩০ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে এবং ব্রহ্মপুত্র ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-এর ক্ষেত্রে ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-এর ভিসি প্যানেলের ওপর মতামত পাঠানো হয়েছে ৩০ জুলাই ২০২৬ এবং সিসিএন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি-এর ক্ষেত্রে ১০ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে।
নর্দার্ন ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি, খুলনা-এর ভিসি প্যানেলের ওপর মতামত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে পাঠানো হয়েছে। খুলনা খান বাহাদুর আহছানউল্লা বিশ্ববিদ্যালয়-এর ভিসি প্যানেলের ওপর মতামত পাঠানোর তারিখ ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫। ড. মমতাজ বেগম ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি-এর ক্ষেত্রে মতামত পাঠানো হয়েছে ১৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে। আর লালন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড আর্টস-এর ভিসি ও ট্রেজারার প্যানেলের ওপর মতামত ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
ভিসি নেই ৪১ বিশ্ববিদ্যালয়ে
ইউজিসির তথ্য অনুযায়ী, ১১৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৪১টিতে বর্তমানে ভিসি নেই। এগুলো হলো— ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক, দ্য পিপলস ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অলটারনেটিভ, স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, সাউদার্ণ ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি, নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, ইশাখা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটি খুলনা, নটরডেম বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ, ফারইস্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, রাজশাহী সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ইউনিভার্সিটি, ব্রহ্মপুত্র ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল, আর.পি. সাহা বিশ্ববিদ্যালয়, জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, সিসিএন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, আর্মি ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি সৈয়দপুর, বাংলাদেশ আর্মি ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি কাদিরাবাদ, বাংলাদেশ আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি কুমিল্লা, কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, নর্দার্ন ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি, রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয়, রূপায়ণ এ কে এম শামসুজ্জোহা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা খান বাহাদুর আহছানউল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব স্কিল এনরিচমেন্ট অ্যান্ড টেকনোলজি, মাইক্রোল্যান্ড ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, ড. মমতাজ বেগম ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, বাংলাদেশ আর্মি ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি খুলনা, লালন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড আর্টস, জাস্টিস আবু জাফর সিদ্দিকী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়, ইকো ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি।
এছাড়া মালিকানা দ্বন্দ্ব ও স্থায়ী ক্যাম্পাস না থাকায় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন ৪টি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রেখেছে। ইবাইস ইউনিভার্সিটি, দি ইউনিভার্সিটি অব কুমিল্লা, আমেরিকা বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি ও কুইন্স বিশ্ববিদ্যালয়েও নেই কোনো ভিসি।
প্রো-ভিসি আছেন মাত্র ২০টিতে
১১৭টির মধ্যে মাত্র ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রো-ভিসি রয়েছেন। এগুলো হলো— নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি, ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি, আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ, ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অলটারনেটিভ, সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, সিটি ইউনিভার্সিটি, গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ, বরেন্দ্র ইউনিভার্সিটি, জেডএইচ সিকদার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নটরডেম বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ এবং জেডএনআরএফ ইউনিভার্সিটি অব ম্যানেজমেন্ট সায়েন্সেস। এর বাইরে ৯৭ বিশ্ববিদ্যালয়েই পদটিতে কেউ নেই।
৪৯ বিশ্ববিদ্যালয়ে ট্রেজারার নেই
সেগুলোর মধ্যে রয়েছে— আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি), ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি, দ্য পিপলস ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, লিডিং ইউনিভার্সিটি, স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, সাউদার্ণ ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, পুন্ড্র ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, দ্য মিলেনিয়াম ইউনিভার্সিটি, ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি, প্রাইমএশিয়া ইউনিভার্সিটি, রয়েল ইউনিভার্সিটি অব ঢাকা, অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরেন্দ্র ইউনিভার্সিটি, হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ, নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, ইশাখা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, চিটাগং ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, নটরডেম বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ, কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি চট্টগ্রাম, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ, রূপায়ণ এ কে এম শামসুজ্জোহা বিশ্ববিদ্যালয়, জেডএনআরএফ ইউনিভার্সিটি অব ম্যানেজমেন্ট সায়েন্সেস, আহছানিয়া মিশন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা খান বাহাদুর আহছানউল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়, শাহ মখদুম ম্যানেজমেন্ট ইউনিভার্সিটি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব স্কিল এনরিচমেন্ট অ্যান্ড টেকনোলজি, মাইক্রোল্যান্ড ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, ড. মমতাজ বেগম ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, আরটিএম আল কবির টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ আর্মি ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি খুলনা, লালন বিশ্ববিদ্যালয় অব সায়েন্স অ্যান্ড আর্টস, জাস্টিস আবু জাফর সিদ্দিকী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অফ সাইন্স এন্ড টেকনোলজি, গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়, ইকো ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি।
এছাড়া মালিকানা দ্বন্দ্ব ও স্থায়ী ক্যাম্পাস না থাকায় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন ৪টি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রেখেছে। ইবাইস ইউনিভার্সিটি, দি ইউনিভার্সিটি অব কুমিল্লা, আমেরিকা বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি ও কুইন্স বিশ্ববিদ্যালয়েও নেই কোনো ভিসি।