ফ্যাশন ডিজাইনার © সৌজন্যে প্রাপ্ত
প্রাইম ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসে ফ্যাশন ডিজাইন অ্যান্ড অ্যাপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের উদ্যোগে ‘অ্যাটেলিয়ার প্রাইম ফ্যাশন শোকেস (সিরিজ–১)’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে বিভাগের প্রথম ব্যাচের সাতজন শিক্ষার্থী নিজেদের ডিজাইন করা পোশাক নিয়ে ক্যাটওয়াকে অংশ নেন। তাদের উপস্থাপনায় ফুটে ওঠে স্বকীয় চিন্তা, আধুনিক নান্দনিকতা এবং টেকসই উপকরণ ব্যবহারের দক্ষতা। প্রতিটি ডিজাইনের পেছনের ভাবনা সংক্ষিপ্ত অডিও বর্ণনার মাধ্যমে তুলে ধরা হয়, যা দর্শকদের অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বোর্ড অব ট্রাস্টের সাবেক চেয়ারম্যান মীর শাহাবুদ্দিন, বোর্ড সদস্য ফিরোজ মাহমুদ হোসাইন ও মো. মামুন সোবহান, উপাচার্য প্রফেসর ড. কাজী দ্বীন মোহাম্মদ খসরু, ভারপ্রাপ্ত উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আব্দুর রহমানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
সাবেক চেয়ারম্যান মীর শাহাবুদ্দিন বলেন, ‘বাংলাদেশে সিএডি সফটওয়্যার ব্যবহারে দক্ষ ফ্যাশন ডিজাইনারদের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের সেই চাহিদা পূরণের জন্য প্রস্তুত করে।’
উপাচার্য প্রফেসর ড. কাজী দ্বীন মোহাম্মদ খসরু বলেন, ‘আমরা এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই, যেখানে শিক্ষার্থীরা শুধু পড়াশোনাতেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে পেশাজীবনে প্রবেশ করতে পারবে।’
বিভাগের প্রধান ড. ইঞ্জিনিয়ার মো. কামরুল হাসান বলেন, ‘ফ্যাশন ডিজাইন ও অ্যাপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং এমন একটি ক্ষেত্র, যেখানে সৃজনশীলতা ও প্রযুক্তি একসঙ্গে কাজ করে। আমাদের বিভাগ শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ, দেশের অন্যতম সেরা সিএডি সমন্বিত কারিকুলাম এবং ইন্ডাস্ট্রি-সংযোগের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারের জন্য প্রস্তুত করে তুলছে।’
তিনি আরও জানান, ‘অ্যাটেলিয়ার প্রাইম’ একটি ধারাবাহিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে চালু হয়েছে, যেখানে প্রতি সেমিস্টারে শিক্ষার্থীরা তাদের কাজ উপস্থাপনের সুযোগ পাবে। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বিকাশের পাশাপাশি নতুন শিক্ষার্থীদের জন্যও বিভাগটিকে একটি সম্ভাবনাময় পছন্দ হিসেবে তুলে ধরছে।
সুশৃঙ্খল এ আয়োজন বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও সৃজনশীল কার্যক্রমে নতুন মাত্রা যোগ করেছে এবং ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়েছে।