প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর লোগো © সংগৃহীত ও সম্পাদিত
জাতীয়করণ থেকে বাদ পড়া ৪১৫৯টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে দ্রুত জাতীয়করণের আওতায় আনা এবং ২০২৩ সালের নিবন্ধন নীতিমালার বাধ্যবাধকতা থেকে মুক্ত রাখার দাবিতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে বাংলাদেশ বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি।
আজ বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সমিতির সভাপতি মো. মামুনুর রশীদ খোকন, মহা-সচিব মো. ফিরোজ উদ্দিন এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নেছার উদ্দিন নাছির স্বাক্ষরিত এক স্মারকলিপিতে এ আবেদন জানানো হয়।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, ২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি ঘোষিত নীতিমালা অনুযায়ী ২০১২ সালের ২৭ মে-র পূর্বে প্রতিষ্ঠিত, জমি দলিলকৃত এবং পাঠদানের অনুমতির জন্য আবেদনকৃত স্কুলগুলো জাতীয়করণের যোগ্য ছিল। সারাদেশে প্রায় ৩১ হাজার বিদ্যালয়ের মধ্যে জেলা ও উপজেলা পর্যায় থেকে ২৬,১৯৩টি বিদ্যালয়ের তথ্য পাঠানো হলে সেগুলোকে সরকারি করা হয়। তবে যাচাই-বাছাই শেষে মন্ত্রণালয়ের সুপারিশ থাকা সত্ত্বেও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে প্রায় ৪,১৫৯টি বিদ্যালয় জাতীয়করণ থেকে বঞ্চিত হয়।
সমিতির নেতারা স্মারকলিপিতে বলেন, এসব বিদ্যালয়ের জমি ইতোমধ্যে সরকারের নামে নামজারি (.৩৩ শতাংশ) করা হয়েছে। ২০০৯ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত বিদ্যালয়গুলো নিজস্ব কোডে (ধরন কোড ০৩) প্রাথমিক সমাপনী ও বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে আসছে। অথচ ২০২৩ সালের নতুন নিবন্ধন নীতিমালায় ‘ধরন কোড ০৩’-এর অন্তর্ভুক্ত বিদ্যালয়গুলোর কোনো স্পষ্ট উল্লেখ নেই। তা সত্ত্বেও মাঠপর্যায়ের কিছু উপজেলা শিক্ষা অফিসার এসব বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নতুন করে নিবন্ধনের জন্য চাপ দিচ্ছেন।
এ অবস্থায় ৪১৫৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে নিবন্ধনের জটিলতা থেকে বাইরে রেখে জাতীয়করণের দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিয়মিত খাজনা-রাজস্ব প্রদানের সুযোগ দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানিয়েছে সংগঠনটি।