প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ আরও পিছিয়ে যাচ্ছে, সর্বশেষ যা জানা গেলো

২৮ জুন ২০২৬, ০৫:৩৪ PM , আপডেট: ২৮ জুন ২০২৬, ০৫:৩৭ PM
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর লোগো

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর লোগো © সংগৃহীত ও সম্পাদিত

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রায় ৬ লাখ ৪০ হাজার শিক্ষার্থীর ফলাফলের অপেক্ষা আরও দীর্ঘ হচ্ছে। চলতি সপ্তাহে ফল প্রকাশের পরিকল্পনা থাকলেও তা সম্ভব হচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আশা, আগামী জুলাইয়ের দ্বিতীয় সপ্তাহে ফল প্রকাশ করা হতে পারে।

রোববার (২৮ জুন) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

অধিদপ্তরের প্রশাসন বিভাগের সহকারী পরিচালক মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, “চলতি সপ্তাহে ফল প্রকাশের চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে তা সম্ভব হচ্ছে না। দ্রুতই কার্যক্রম শেষ হবে বলে আশা করছি।”

উপপরিচালক (সংস্থাপন) এ. এস. এম. সিরাজুদ্দোহা বলেন, “এ সপ্তাহে ফল প্রকাশ হচ্ছে না। আমরা চেষ্টা করছিলাম, কিন্তু আরও কিছু সময় লাগবে। জুলাইয়ের দ্বিতীয় সপ্তাহে ফল প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে।”

এর আগে গত ২৫ জুন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী জানিয়েছিলেন, বৃত্তি পরীক্ষার ফল দ্রুত প্রকাশের লক্ষ্যে কাজ চলছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের বৃত্তি পরীক্ষায় মোট ৬ লাখ ৪০ হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় সাড়ে ৫ লাখ এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ের প্রায় ৯০ হাজার শিক্ষার্থী।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রণীত বৃত্তি বণ্টন নীতিমালা অনুযায়ী, সরকারি বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় মোট বৃত্তির ৮০ শতাংশ সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এবং ২০ শতাংশ বেসরকারি ও কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

এ বছর মোট ৮২ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী বৃত্তি পাবে। এর মধ্যে মেধাবৃত্তি পাবে ৩৩ হাজার এবং সাধারণ বৃত্তি পাবে ৪৯ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী।

মেধাবৃত্তির ক্ষেত্রে সরকারি বিদ্যালয়ের জন্য ২৭ হাজার ৫০০টি এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ের জন্য ৫ হাজার ৫০০টি বৃত্তি নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে সাধারণ বৃত্তির ক্ষেত্রে সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ৪১ হাজার ২৫০টি এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ৮ হাজার ২৫০টি বৃত্তি বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

মেধাবৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা এককালীন ২২৫ টাকা এবং মাসিক ৩০০ টাকা করে ভাতা পাবে। সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদেরও এককালীন ২২৫ টাকা দেওয়া হবে এবং তারা মাসিক ২২৫ টাকা হারে ভাতা পাবে। আগামী বছর বৃত্তির অর্থের পরিমাণ বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে বলে জানিয়েছে সরকার।

নীতিমালা অনুযায়ী, বৃত্তি দেওয়া হবে দুটি ক্যাটাগরিতে—‘ট্যালেন্টপুল’ ও ‘সাধারণ’। উভয় ক্যাটাগরিতেই ছাত্র ও ছাত্রীর জন্য ৫০ শতাংশ করে কোটা সংরক্ষিত থাকবে। ট্যালেন্টপুল বৃত্তির ক্ষেত্রে উপজেলা বা থানাভিত্তিক এবং সাধারণ বৃত্তির ক্ষেত্রে ইউনিয়ন বা ওয়ার্ডভিত্তিক মেধাক্রম অনুসারে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে।

উল্লেখ্য, দেশের ৬১ জেলায় গত ১৫ এপ্রিল বাংলা বিষয়ের পরীক্ষার মাধ্যমে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা শুরু হয়। ১৮ এপ্রিল বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এবং প্রাথমিক বিজ্ঞান বিষয়ের পরীক্ষা শেষে কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। এছাড়া তিন পার্বত্য জেলা—রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়িতে ১৭ থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। চলতি বছর প্রথমবারের মতো বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষার্থীরাও এ পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পায়।

বিশ্বমঞ্চে কোয়ান্টাম কম্পিউটিং সেশনের চেয়ার ঢাবি অধ্যাপক হা…
  • ২৮ জুন ২০২৬
কৃষিবিদ পারভেজের ওপর হামলা, শাস্তির দাবিতে হাবিপ্রবিতে প্রত…
  • ২৮ জুন ২০২৬
অভাবেও থামেনি স্বপ্ন, ভর্তিচ্ছু ছাত্রীর পাশে ছাত্রদল নেতা ত…
  • ২৮ জুন ২০২৬
সিদ্ধেশ্বরী কলেজে ছাত্রদলের মারধরে শিবিরের ৫ নেতাকর্মী আহত
  • ২৮ জুন ২০২৬
প্রক্টরের কাছে পাল্টা ‘নিরাপত্তাহীনতার’ অভিযোগ ঢাবির সেই হল…
  • ২৮ জুন ২০২৬
প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ আরও পিছিয়ে যাচ্ছে, সর্বশ…
  • ২৮ জুন ২০২৬