বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী ও ঢাবি এসএম হল ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক মোস্তাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে হাইকোর্টের গেট থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
হাইকোর্টের সামনে গাড়ি ভাঙচুর ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে শাহবাগ থানায় দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রমনা জোনের এডিসি এইচ এম আজিমুল হক।
মোস্তাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন ও সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল ।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘এই অবৈধ সরকার জোর করে ক্ষমতায় থাকার জন্য একের পর এক ঘৃন্য চক্রান্ত করে যাচ্ছে। বিনা কারনে ছাত্রদল নেতাদের গ্রেফতার উস্কানি ছাড়া কিছুই নয়। এই অবৈধ সরকার আন্দোলন সংগ্রাম তো দুরের কথা বিরোধী দল ও মতের কাউকে বাধাহীন ঘুরতে দিতেও নারাজ। তারা যে কোন মুল্যে একদলীয় শাসন কায়েম করতে চায়। সে জন্য দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে অন্যায় ভাবে কারান্তরীণ করে রেখেছে।’
‘নেতৃদ্বয় আরো বলেন, মোস্তাফিজুর রহমান ছাত্রদলের একজন তরুন উদীয়মান নেতা। তার নামে যখন কোন গ্রেফতারী পরোয়ানা ছাড়াই গ্রেফতার করা হয় তখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে দেশের সাধারন ছাত্র-জনতার মধ্যে।’
‘নেতৃদ্বয় অবিলম্বে মোস্তাফিজুর রহমান সহ আটক সকল নেতা-কর্মীর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন।’
এর আগে বিএনপির যুগ্মমহাসচিব ও ডাকসুর সাবেক জিএস খায়রুল কবির খোকন ও বিএনপি'র ভাইস চেয়ারম্যান মেজর হাফিজ উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের নেতাকর্মীরা গত মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের সামনে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায়। এক পর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে তাদের ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুরের শিকার হয়।
ওই ঘটনায় সরকারি কাজে বাধা দেওয়া, অগ্নিসংযোগ ও গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ এনে শাহবাগ থানায় মামলা করে পুলিশ। ১৫ থেকে ২০ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ৫০০ অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকে আসামি করা হয় সেখানে।