বিএনপির লোকেরা মানুষের শান্তি কেড়ে নিয়েছে: জামায়াত আমির

২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪২ PM
বক্তব্য রাখছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান

বক্তব্য রাখছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান © সংগৃহীত

বিএনপির লোকেরা দেশের মানুষের শান্তি কেড়ে নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। একই সঙ্গে ১৫০ টাকায় লাঞ্চের পরিবর্তে উপযুক্ত খাবার খেয়ে ঠান্ডা মাথায় দেশ চালাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি

আজ রবিবার (২৫ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে ‘জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরের বর্ষপূর্তি’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি ও ড. মো. রেজাউল করিম।

আলোচনা সভায় ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ইতোমধ্যে একই দিনে দুটি ভোট হয়েছে। একটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন আরেকটি গণভোট। কিন্তু আমাদের দাবি ছিল আগে গণভোট হবে, পরে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে। আমাদের আশঙ্কা ছিল দুটি একসঙ্গে করা হলে গুলিয়ে ফেলা হবে। আমাদের আশঙ্কা সত্যি প্রমাণিত হয়েছে। তারা শুরু থেকে চাতুর্যের আশ্রয় নিয়েছে। বিএনপির দাবি ছিল একই দিনে হোক। আর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাদের অযৌক্তিক দাবি মেনে নিয়ে একই দিনে দুটি ভোট দিলেন।

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, গণভোটে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী একবার হলেও ‘হ্যাঁ’ ভোট চাইলেন। কিন্তু জনগণ জানে ও বলে বিএনপি আসলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেয়নি। দেশে-বিদেশে নিজেদের লোকদের নির্দেশনা দিয়েছিল ‘না’ ভোট দেওয়ার জন্য। তবে জনগণের আকাঙ্ক্ষার কাছে ‘না’ ভেস্তে গেছে, প্রায় ৭০ ভাগ মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছে।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমাদের সন্তানেরা বলেছিল আমরা বৈষম্যের বাংলাদেশ দেখতে চাই না, উই ওয়ান্ট জাস্টিস। কিন্তু জাস্টিস প্রতিষ্ঠিত হয়নি, বৈষম্য আরও বেড়েছে। এখন বিএনপি সংবিধান খোঁজে কেন? সাড়ে ১৫ বছর তো সংবিধান মেনে মিছিল করে ফ্যাসিবাদ আপনারাও তাড়াতে পারেননি, আমরাও পারিনি। বিএনপির সিনিয়র নেতারাও ৪১ সাল পর্যন্ত দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা বলেছিলেন।

তিনি বলেন, সংবিধান মানলে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি কোনো নির্বাচন হতো না। ওই নির্বাচন না হলে বিএনপি সরকার হয় কীভাবে, আমরা বিরোধীদল হই কীভাবে? এই সংবিধানের নেশা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। এ সংবিধান শুধু ফ্যাসিবাদের জন্মই দেয়নি, স্থায়ী রূপ দিয়েছিল। সংবিধানের যে সমস্ত জায়গায় আমূল পরিবর্তন দরকার সেখানে বিএনপি নোট অব ডিসেন্ট দিয়ে রেখেছে। তারা যেগুলোতে নোট অব ডিসেন্ট দেয়নি এখন সেগুলোও এড়িয়ে চলছেন।

সংবিধান সংশোধন কমিটি প্রসঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, বিএনপি এখন ইনিয়ে-বিনিয়ে বলছে, সংবিধান সংশোধন কমিটি করেছি আসেন এখানে কথা বলেন। যদি নোট অব ডিসেন্ট থেকে কোনো সমঝোতা করতে হয়, তাহলে আমাদের সাথে কমিটিতে বসতে হবে। তারা মূলত ৭০ ভাগ জনগণের সাথে ধাপ্পাবাজি করেছে। তারা চায় বিরোধীদলও ধাপ্পাবাজি করুক— আমরা এটা মেনে নেবো না। জনগণের কাছে দেওয়া ওয়াদায় আমরা অটল। এই গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকব, ইনশাআল্লাহ। ইতোমধ্যে বহুবার সংবিধান সংশোধন হয়েছে। কিন্তু আদালতে গিয়ে সেটি প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। আমরা ওই প্রক্রিয়ায় যেতে চাই না। আমরা পণ্ডশ্রম করব না এবং অতীতের ভুল ধারায় চলতে অভ্যস্ত নই, রাজি নই— এজন্যই আমরা সংস্কার চাই।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি নির্বাচনের সময় ইনিয়ে-বিনিয়ে আওয়ামী লীগের কাছে ভোট ভিক্ষা চেয়েছে। এর রাজসাক্ষী জনগণ। শেখ হাসিনা তো বলেই দিয়েছে— হাতে-পায়ে ধরে ভোট নিল, এখন বেইমানি করে কেন? তার দলের আরেক কর্ণধার বলেছেন কমপক্ষে ৯৫টি আসনে হেরে যাওয়া বিএনপিকে আমরা জিতিয়ে দিয়েছি। এজন্য আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগকে সমাজের ও দলের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বসাচ্ছে বিএনপি।

এ সময় চাঁদাবাজি, অস্ত্র, মাদক ও দখলদারিত্ব নিয়েও বিএনপির সমালোচনা করেন ডা. শফিকুর রহমান। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন নিজের মন্ত্রণালয় দেখার সুযোগ না পেলেও ধর্মমন্ত্রণালয়সহ সব মন্ত্রণালয় দেখার যোগ্যতা রাখেন। তার নিজ দলীয় সংসদ সদস্য বলেছেন, মাদক বন্ধ হচ্ছে না, কারণ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এলাকা দিয়ে সবচেয়ে বড় মাদকের চালান আসে। সংবিধান সংশোধনের নামে জনগণকে ধোঁকা না দিয়ে নিজের দায়িত্বের প্রতি মনোযোগ দিন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্দেশ্যে ‘উপযুক্ত লাঞ্চ খেয়ে ঠান্ডা মাথায় দেশ চালানোর’ আহ্বান জানান বিরোধীদলীয় নেতা। তিনি বলেন, জনগণ বলেনি আপনি ১৫০ টাকায় লাঞ্চ করেন। বরং জনগণের মুখে দুমুঠো ভাত স্বস্তিতে তুলে দেন। শান্তিতে থাকতে দেন। বিএনপির লোকেরা মানুষের শান্তি কেড়ে নিয়েছে।

তিনি সতর্ক করে বলেন, আগামী ৩১ তারিখের লংমার্চকে ঘিরে কোনো ষড়যন্ত্র করবেন না। যদি কোনো ষড়যন্ত্র করা হয়, তাহলে ১৯৯৮ সালে আওয়ামী ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে আমাদের যৌথ লংমার্চের কাফেলা যেভাবে সবকিছু মোকাবিলা করে চট্টগ্রাম গিয়েছিল; এবারও আমরা জনগণের জন্য একইভাবে গন্তব্যে পৌঁছাব, কোনো বাধা আমাদের আটকাতে পারবে না। কোনো ষড়যন্ত্রের কাছে মাথানত করব না। আমরা ন্যায়ের পথে আছি।

আলোচনা সভায় লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর বিক্রম বলেন, দেশে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান কমছে, কলকারখানা বন্ধ হচ্ছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে এবং নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাচ্ছে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। অতীতের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে সরকারকে বিরোধী দলের সঙ্গে সংঘাতের পথ পরিহার করতে হবে। জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলা এবং জনগণের স্বার্থে দ্রুত জুলাই সনদ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে হবে।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন এমপি বলেন, জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি নিশ্চিত না হলে সংস্কার প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়িত না হওয়ার আশঙ্কা থেকেই তাদের দল শুরুতে এ বিষয়ে জোর দিয়েছিল। বর্তমানে সনদে স্বাক্ষর ও গণভোট সম্পন্ন হওয়ার পরও সংস্কার বাস্তবায়নে সরকারের অনীহা সেই আশঙ্কাকে আরও স্পষ্ট করেছে।

তিনি বলেন, পুলিশ সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠা এবং সংসদের স্থায়ী কমিটিতে বিরোধী দলের প্রতিনিধিদের সভাপতিত্বের মতো বিষয়ে বিএনপির আপত্তি না থাকা সত্ত্বেও এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়নি। এতে সরকারের সংস্কার-প্রতিশ্রুতি নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। জুলাই সনদ প্রণয়ন, স্বাক্ষর, বাস্তবায়ন আদেশ জারি এবং গণভোটের মধ্য দিয়ে সংস্কারের পক্ষে ধারাবাহিক অগ্রগতি হয়েছে। এখন পেছনে ফিরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তিনি একতরফাভাবে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ বাতিল করে গণভোটের গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের মাধ্যমে চলমান সংকটের সমাধান করার দাবি জানান তিনি।

আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) জেনারেল সেক্রেটারি ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের প্রশ্নকে কেবল সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখে রাজনৈতিক সংস্কারের দাবি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থান, জুলাই সনদে স্বাক্ষর এবং গণভোটের মাধ্যমে যেসব রাজনৈতিক প্রশ্নের মীমাংসা হয়েছে, সেগুলোকে নতুন করে বিতর্কিত করা উচিত নয়। জুলাই সনদ ও গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের উদ্দেশ্য হলো রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কার, দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং ভবিষ্যতে ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা। তাই জনগণের রায় উপেক্ষা না করে অবিলম্বে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাসিনুর রহমান বীর প্রতীক বলেন, জুলাইয়ে এত রক্ত দিয়েও জাতি মুক্তি পায়নি। আওয়ামী লীগ যেভাবে দেশ পরিচালনা করেছে একইভাবে বিএনপিও দেশ পরিচালনা করছে। বিএনপি এখনো সেই ২০০১ সালের অবস্থানে রয়েছে। তারা সময়ের সঙ্গে-সঙ্গে নিজেদের পরিবর্তন করতে পারেনি। এই অপরিবর্তনের কারণে আওয়ামী লীগের মতোই বিএনপিকেও পালাতে হতে পারে। গণভোটের রায় মেনে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করে বিএনপি জাতির সঙ্গে যেই বিশ্বাসঘাতকতা করেছে এর ফলাফল বিএনপির জন্য শুভ হবে না। 

নেক্সাস ডিফেন্স অ্যান্ড জাস্টিসের সভাপতি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ হাসান নাসির বলেন, বিএনপি গণভোটের রায় মেনে জুলাই সনদ অক্ষরে-অক্ষরে পালন করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতা গ্রহণের পর গণভোটের রায় মেনে নেয়নি। জনগণের সঙ্গে করা প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করে বিএনপি জাতিকে ধোঁকা দিয়েছে।

সাবেক রাষ্ট্রদূত সাকিব আলী বলেন, দুর্নীতিতে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান নিয়োগ দিয়ে সরকার মূলত মাঠপর্যায়ে বার্তা দিয়েছে দুর্নীতি চালিয়ে যাও! যেই বিএনপি দুর্নীতি আর দলীয়করণে ব্যস্ত সেই বিএনপি কখনোই রাষ্ট্র সংস্কার করবে না। আর এজন্যই বিএনপি গণভোটের রায় মেনে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করে সংবিধান সংশোধনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এমপি, সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক চেয়ারম্যান ড. আব্দুল মজিদ, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ড. দিলারা চৌধুরী, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ, অ্যাডভোকেট মোয়াযযম হোসাইন হেলাল, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন এমপি ও মোবারক হোসাইন, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান, শহীদ জাবের ইব্রাহিমের মা রোকেয়া বেগম এমপি, সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী শিশির মোহাম্মদ মনির ও আইনজীবী ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন, জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি মোহাম্মদ কামাল হোসেন এমপি, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি এলাহী নেওয়াজ খান সাজু, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সভাপতি আবু সালেহ আকন এবং জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ ব্যক্তিবর্গ ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

ছাত্রলীগ–যুবলীগের মিছিল থেকে পুলিশের গাড়িতে হামলা, গ্রেপ্তা…
  • ২৫ অক্টোবর ২০২৬
অ্যাসোসিয়েট অফিসার নিয়োগ দেবে আয়েশা আবেদ ফাউন্ডেশন, আবেদন ৩…
  • ২৫ অক্টোবর ২০২৬
তেলাপোকা, আঁশটে পোকা, মুরগির পচা মাংস —কী নেই ডিআইইউর ক্যান…
  • ২৫ অক্টোবর ২০২৬
তিশার সঙ্গে বিচ্ছেদের গুঞ্জন, মুখ খুললেন ফারুকী
  • ২৫ অক্টোবর ২০২৬
আব্বাসিকে আইনি নোটিশ দিয়ে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে
  • ২৫ অক্টোবর ২০২৬
বদলির ফল প্রকাশের দাবিতে বড় আন্দোলনের প্রস্তুতি শিক্ষকদের
  • ২৫ অক্টোবর ২০২৬