ককরোচদের আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে শাহবাগে যুব ফ্রন্ট ও ছাত্র ফ্রন্টের মশাল মিছিল

১১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৭ PM
শাহবাগে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট ও যুব ফ্রন্টের মিছিল

শাহবাগে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট ও যুব ফ্রন্টের মিছিল © সংগৃহীত

ভারতের দিল্লিতে চলমান ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনে দমন-পীড়ন ও গ্রেপ্তার বন্ধ এবং আটক ব্যক্তিদের মুক্তির দাবিতে মশাল মিছিল করেছে বাংলাদেশ যুব ফ্রন্ট ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট। একই সঙ্গে আন্দোলনরত ভারতীয় ছাত্র-যুবসমাজের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছেন সংগঠন দুটির নেতাকর্মীরা।

রবিবার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় রাজধানীর শাহবাগে বাংলাদেশ যুব ফ্রন্ট ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের যৌথ উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে একটি সংক্ষিপ্ত মশাল মিছিল বের করা হয়।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ যুব ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক রাশেদ শাহরিয়ার। সঞ্চালনা করেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক মোজাম্মেল হক। সমাবেশে বক্তব্য দেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সদস্য ও ঢাকা নগর শাখার সহসভাপতি পঙ্কজনাথ সূর্য, কেন্দ্রীয় অর্থ সম্পাদক ও ঢাকা নগর শাখার সভাপতি নওশিন মুসতারি সাথী এবং বাংলাদেশ যুব ফ্রন্টের ঢাকা নগর শাখার আহ্বায়ক রবিউল করিম নান্টু।

সমাবেশে নওশিন মুসতারি সাথী বলেন, ভারতের ভোটার তালিকায় কারচুপির মাধ্যমে ভোটাধিকার হরণের অভিযোগ উঠেছে দেশটির প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে। এর প্রতিবাদে এবং তাঁর পদত্যাগের দাবিতে ছাত্র-যুবকেরা দিল্লির যন্তর মন্তরে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করছেন। তবে আন্দোলন দমনে ভারত সরকার পুলিশি দমন-পীড়ন অব্যাহত রেখেছে।

তিনি অভিযোগ করেন, বিজেপির ছাত্রসংগঠন ও অন্যান্য সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং ভাড়াটে দুর্বৃত্তদের ব্যবহার করে আন্দোলনের নেতৃত্বকে পরিকল্পিতভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। গত ১০ অক্টোবরের কর্মসূচির আগেও আন্দোলনের বহু নেতাকে পুলিশ আটক করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

নওশিন মুসতারি সাথী বলেন, দমন-পীড়ন ও গ্রেপ্তার করে গণ-আন্দোলন থামানো যায় না। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের সময় শেখ হাসিনার সরকারের দমন-পীড়ন এবং শেষ পর্যন্ত আন্দোলনের বিজয় তার অন্যতম উদাহরণ। তিনি অবিলম্বে আটক ব্যক্তিদের মুক্তি এবং ন্যায়সংগত আন্দোলনে দমন-পীড়ন ও গ্রেপ্তার বন্ধের দাবি জানান।

সভাপতির বক্তব্যে রাশেদ শাহরিয়ার বলেন, গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নৃশংস দমন-পীড়নের ঘটনা বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র হিসেবে ভারতের কথিত দাবির আড়ালে থাকা বাস্তবতাকে উন্মোচিত করে। একই সঙ্গে এ গণপ্রতিরোধ সমকালীন বিশ্বব্যবস্থা ও রাষ্ট্রব্যবস্থার গভীর সংকটকে স্পষ্ট করে এবং বিদ্যমান ব্যবস্থার বিরুদ্ধে বিপ্লবী গণ-আন্দোলন গড়ে তোলার সম্ভাবনাকে সামনে নিয়ে আসে।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনা প্রমাণ করে, বিশ্বব্যাপী বিদ্যমান ব্যবস্থার বিরুদ্ধে বিপ্লবী সংগ্রাম ছাড়া শেষ পর্যন্ত জনগণের বিজয় অসম্ভব।

রাশেদ শাহরিয়ার ভারত সরকারের প্রতি আন্দোলনকারীদের গণদাবি অবিলম্বে মেনে নেওয়া এবং আটক ব্যক্তিদের মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে ভারতের ছাত্রসমাজ ও সাধারণ জনগণকে তাঁদের সংগ্রাম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়ে তাঁদের প্রতি বিপ্লবী সংহতি ও শুভেচ্ছা প্রকাশ করেন।

অবশেষে পাওয়া গেল জার্মান পর্যটকের ল্যাপটপ, যেভাবে উদ্ধার
  • ১১ অক্টোবর ২০২৬
পুলিশে তিন ক্যাটাগরিতে ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতির প্রজ্ঞাপন জ…
  • ১১ অক্টোবর ২০২৬
আইইএলটিএস ছাড়াই স্কলারশিপে উচ্চশিক্ষার সুযোগ অষ্ট্রিয়ায়, কর…
  • ১১ অক্টোবর ২০২৬
একদিনের জন্য ঢাবি ভিসির প্রতীকী দায়িত্বে এইচএসসি পড়ুয়া শীতল
  • ১১ অক্টোবর ২০২৬
বিশ্বসেরা ২ শতাংশ গবেষকের তালিকায় নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক…
  • ১১ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা কর কমিশনারের কার্যালয় ৪-এ বিভিন্ন গ্রেডে ৪৯ পদে চাকরি,…
  • ১১ অক্টোবর ২০২৬